সমগ্র জ্বালানি ব্যবস্থাপনার ওপর প্রত্যক্ষভাবে নির্ভর করছে আজ বাংলাদেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ও সুদূরপ্রসারী পথচলা। যার অন্যতম উপাদান গ্যাস। কিন্তু বর্তমানে দেশের গ্যাস খাত তথা জ্বালানি ব্যবস্থা এমন এক নাজেহাল অবস্থায় এসে দাঁড়িয়েছে, যা সরাসরি আমাদের সাধারণ জীবনযাত্রা, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং শিল্পোৎপাদনকে চরম অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
সম্প্রতি মহেশখালীর দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের (এফএসআরইউ) একটিতে হঠাৎ যান্ত্রিক ত্রুটি ও অগ্নিকাণ্ডের কারণে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। এতে মোট জাতীয় গ্যাস সরবরাহের প্রায় ১৭ শতাংশ মুহূর্তের মধ্যে উধাও হয়ে যায়। এমনিতেই দেশে দীর্ঘদিন ধরে গ্যাস সরবরাহ ও চাহিদার মধ্যে বিশাল ফারাক ছিল; তার ওপর এই আকস্মিক কারিগরি ধাক্কায় সংকট অভূতপূর্ব মাত্রা ধারণ করেছে। সাধারণ নাগরিক জীবন আজ কার্যত জিম্মি হয়ে পড়েছে, আর শিল্পমালিকরা উৎপাদনের স্বাভাবিক গতি হারিয়ে হাত গুটিয়ে বসে আছেন। এই পরিস্থিতি সামাল দিয়ে সাধারণ মানুষকে আশু স্বস্তি প্রদান করা বর্তমান সরকারের জন্য কেবল প্রশাসনিক দায়িত্ব নয়, বরং এক নম্বর জাতীয় ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ।
বাংলাদেশ ঐতিহাসিকভাবে নিজস্ব গ্যাস উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হলেও নতুন বড় কোনো গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত না হওয়ায় এবং স্থল ও সাগরে প্রয়োজনীয় অনুসন্ধান কার্যক্রমে দীর্ঘসূত্রতার কারণে দেশীয় উৎপাদন দিন দিন কমছে। ফলে আমদানিকৃত এলএনজির ওপর নির্ভরতা প্রতি বছর আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। আমদানিকৃত এলএনজি অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতার ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় এটি জাতীয় অর্থনীতি ও জ্বালানি নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বড় ধরনের চাপ তৈরি করছে।
এমন পরিস্থিতিতে জাতীয় সংবাদমাধ্যম ও দৈনিক পত্রিকাগুলোর পাতায় চোখ বুলালেই গ্যাস সংকটের সেই করুণ চিত্রটি ফুটে ওঠে। রাজধানী ঢাকা শহরের উত্তর থেকে দক্ষিণ—মিরপুর, ধানমন্ডি, উত্তরা, পুরান ঢাকা থেকে শুরু করে শিল্পবেষ্টিত সাভার-আশুলিয়া, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুর এবং বানিজ্য নগরী চট্টগ্রাম অঞ্চলে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত গৃহস্থালির পাইপলাইনে গ্যাসের চাপ নেমে আসছে প্রায় শূন্যের কোঠায়। সকালে উঠে যে সময়ে রান্নাবান্না করার কথা, সেখানে ঘণ্টার পর ঘণ্টা নিভু নিভু আগুন কিংবা একেবারেই গ্যাস না থাকায় শত শত পরিবারকে বিকল্প ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে, যা মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারগুলোর জন্য মারাত্মক বাড়তি আর্থিক চাপ। এর পাশাপাশি সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতে পর্যাপ্ত চাপের অভাবে মাইলের পর মাইল গাড়ির দীর্ঘ সারি দেখা যাচ্ছে, যা সড়কে কৃত্রিম যানজট ও পরিবহন খাতের অচলাবস্থার জন্ম দিচ্ছে।
গৃহস্থালি দুর্ভোগের চেয়েও বেশি উদ্বেগজনক প্রভাব পড়ছে দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি শিল্প খাতের ওপর। পোশাক শিল্প (বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ), টেক্সটাইল, ডাইং, সিরামিক এবং স্টিল মেল্টিং কারখানাগুলো প্রয়োজনীয় গ্যাসের চাপের অভাবে অলস পড়ে থাকছে। শিল্পকারখানা সচল রাখতে যেখানে ন্যূনতম ১০ থেকে ১৫ পিএসআই (প্রতি বর্গইঞ্চিতে পাউন্ডের চাপ) গ্যাসের চাপ প্রয়োজন, সেখানে অনেক ক্ষেত্রে ১ থেকে ৩ পিএসআই-এর বেশি মিলছে না। ফলে বহু কারখানা তাদের দৈনিক উৎপাদন সক্ষমতার ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ হারাচ্ছে। অন্যদিকে, গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে পর্যাপ্ত জ্বালানির যোগান দেওয়া সম্ভব না হওয়ায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অনাকাঙ্ক্ষিত বিদ্যুৎ ঘাটতি তৈরি হচ্ছে। রপ্তানিমুখী বাণিজ্য সচল রাখা এবং কর্মসংস্থান টিকিয়ে রাখার স্বার্থে শিল্প খাতে অবিলম্বে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই।
এই সংকটের মূলে রয়েছে অতীতে নেওয়া চরম ভুল ও অবিবেচক জ্বালানিনীতি। বিগত দেড় দশকে দেশীয় অনশোর (স্থলভাগ) এবং অফশোর (সমুদ্রভাগ) গ্যাস অনুসন্ধানে যথাযথ জোর না দিয়ে আমদানিকৃত অতি-ব্যয়বহুল এলএনজির ওপর চরম একমুখী নির্ভরতা গড়ে তোলা হয়েছিল। নিজেদের ভূ-ভাগের বা বঙ্গোপসাগরের সম্ভাব্য প্রাকৃতিক গ্যাসের উৎস অনুসন্ধানে কোনো দীর্ঘমেয়াদী ও ফলপ্রসূ কৌশল না নিয়ে শুধু আমদানিনির্ভর পরিকল্পনা করায় এই ভঙ্গুরতা তৈরি হয়েছে। আজ মাত্র একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল বিকল হয়ে পড়ার পরই পুরো দেশ যেভাবে স্থবির হয়ে গেল, তা প্রমাণ করে যে এ ধরণের আমদানিনির্ভর কৌশল আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য কতটা ঝুঁকিপূর্ণ।
এই কঠিন বাস্তবতায় দাঁড়িয়ে সংকট মোকাবিলায় স্বল্প ও মধ্যমেয়াদী পদক্ষেপের পাশাপাশি এক যুগান্তকারী দীর্ঘমেয়াদী কৌশল গ্রহণ করা জরুরী। সেই কৌশলটি হলো—বাংলাদেশের নিজস্ব ভূ-গর্ভস্থ সম্পদের সর্বোচ্চ অনুসন্ধান ও উত্তোলন। আর এ ক্ষেত্রে দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পার্বত্য চট্টগ্রাম (রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান) এবং সমুদ্র উপকূল চট্টগ্রাম-কক্সবাজারসহ বৃহত্তর চট্টগ্রাম হয়ে উঠতে পারে আমাদের ভবিষ্যৎ জ্বালানি স্বনির্ভরতার মূল নিয়ামক। ভূ-তাত্ত্বিক গঠন ও ভূতত্ত্ববিদদের গবেষণালব্ধ বিশ্লেষণে এটি স্পষ্ট যে, পার্বত্য চট্টগ্রামে সিলেটের সুরমা বেসিনের চেয়েও বিপুল পরিমাণ প্রাকৃতিক গ্যাস, খনিজ তেল এবং অন্যান্য মূল্যবান খনিজ সম্পদের মজুদ থাকার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।
পার্বত্য অঞ্চলের ভূতাত্ত্বিক গঠন মূলত সুরমা বেসিনের পরিবর্ধিত অংশ (বেঙ্গল ফোরডিপ অ্যান্ড ফোল্ড বেল্ট সিস্টেম)। ভূতত্ত্ববিদদের মতে, এই ভাঁজ পর্বতমালা (ফোল্ড বেল্ট) অঞ্চলে হাইড্রোকার্বনের (গ্যাস ও তেল) উৎস ও ট্র্যাপ তৈরির জন্য অত্যন্ত উপযোগী পরিবেশ রয়েছে। ঐতিহাসিক ও অতীত গবেষণা পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, পার্বত্য অঞ্চলে খনিজ অনুসন্ধানের ইতিহাস বেশ গভীর।
সেমুতাং গ্যাসক্ষেত্র (খাগড়াছড়ি): পার্বত্য চট্টগ্রামের মাটি যে প্রাকৃতিক গ্যাসে সমৃদ্ধ, তার সবচেয়ে প্রত্যক্ষ প্রমাণ খাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে অবস্থিত সেমিউতাং গ্যাসক্ষেত্র। ১৯৬৯ সালে তৎকালীন ওজিডিসি (তেল ও গ্যাস উন্নয়ন কর্পোরেশন) কর্তৃক আবিষ্কৃত এই গ্যাসক্ষেত্র প্রমাণ করে পাহাড়ি ভূতাত্ত্বিক কাঠামোতে জ্বালানি সম্পদের বাস্তব উপস্থিতি রয়েছে।
হালদা, কাসালং ও রামগড় স্ট্রাকচার: বাংলাদেশ তৈল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ করপোরেশন (পেট্রোবাংলা) এবং বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর (জিএসবি)-র জরিপ প্রতিবেদন অনুযায়ী—পার্বত্য চট্টগ্রাম ও তৎসংলগ্ন পটিয়া, জালাদি, রামগড়, কাসালং, হালদা ও সীতাকুণ্ড স্ট্রাকচারে গ্যাস ও খনিজ তেলের বাণিজ্যিক উপস্থিতি অত্যন্ত সম্ভাবনাময়। এর মধ্যে কাসালং ও হালদা উপত্যকায় গভীর অনুসন্ধান চালানো গেলে সিলেটের চেয়েও বড় আকৃতির হাইড্রোকার্বন রিজার্ভের সন্ধান মিলতে পারে।
আন্তর্জাতিক তেল কোম্পানির (আইওসি) সার্ভে: ১৯৯০-এর দশক ও ২০০০-এর দশকের শুরুতে আন্তর্জাতিক তেল-গ্যাস কোম্পানিগুলো (যেমন উনোকল, শেভরন ও শেল) ব্লক-২২ (যার মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রামের বড় অংশ অন্তর্ভুক্ত) নিয়ে প্রাথমিক সার্ভে পরিচালনা করে জানিয়েছিল যে, এই অঞ্চলের এন্টিক্লাইন (উর্ধ্বভঙ্গ) স্ট্রাকচারগুলোতে বিশাল আকৃতির গ্যাস পকেট মজুদ রয়েছে।
অন্যান্য মূল্যবান খনিজ সম্পদ: জিএসবি এবং মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার (ইউএসজিএস) তথ্যমতে, গ্যাস বা তেলের পাশাপাশি পার্বত্য চট্টগ্রামে কঠিন শিলা, সিলিকা বালি, ভারী খনিজ (যেমন জিরকন, ইলমেনাইট, রুটাইল) এবং তেজস্ক্রিয় বা বিরল খনিজ সম্পদের উপস্থিতি চিহ্নিত হয়েছে।
এত বিপুল সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও অতীতের দুর্গম পাহাড়ি ভূ-প্রকৃতি, যোগাযোগের সীমাবদ্ধতা, আঞ্চলিক কৌশলগত জটিলতা এবং আমলাতান্ত্রিক দীর্ঘসূত্রতার কারণে আধুনিক ত্রি-মাত্রিক (৩-ডি) বা দ্বি-মাত্রিক (২-ডি) সাইসমিক জরিপ এই অঞ্চলে কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় চালানো হয়নি। কিন্তু বর্তমান সংকট আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে যে, কালক্ষেপণের সময় আর নেই।
গ্যাস সংকট দূর করে নাগরিকদের টেকসই স্বস্তি দিতে হলে সরকারকে পার্বত্য চট্টগ্রামে খনিজ সম্পদ অনুসন্ধানে অবিলম্বে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। এর জন্য কয়েকটি জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।
১. জরুরি সাইসমিক জরিপ ও ড্রিলিং: পেট্রোবাংলা ও বাপেক্সের (বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড) মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামের চিহ্নিত সম্ভাবনাময় স্থানগুলোতে (বিশেষ করে কাসালং, রামগড় ও হালদা এলাকায়) অনতিবিলম্বে আধুনিক ত্রি-মাত্রিক (৩-ডি) সাইসমিক জরিপ পরিচালনা করা এবং নতুন অনুসন্ধান কূপ খনন করা।
২. আন্তর্জাতিক যৌথ বিনিয়োগ ও আধুনিক প্রযুক্তি: পাহাড়ি অঞ্চলের ভূ-গর্ভস্থ গঠন অত্যন্ত জটিল। তাই দ্রুত ও নিখুঁত ফলাফলের জন্য বিশ্বমানের ড্রিলিং ও এক্সপ্লোরেশন কোম্পানিগুলোর সাথে প্রযুক্তিগত অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করা।
৩. আমদানি বিকল্প ও এলপিজি বাজার নিয়ন্ত্রণ: পার্বত্য অঞ্চলে অনুসন্ধানের পাশাপাশি বর্তমানে সাময়িক সংকট কাটাতে এলপিজি সিলিন্ডারের বাজার সিন্ডিকেট কঠোর হস্তে দমন করতে হবে এবং পাইপলাইনের গ্যাস লিক ও অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে অপচয় রোধ করতে হবে।
৪. স্থানীয় জনগণের সাথে অংশীদারিত্ব: খনিজ সম্পদ অনুসন্ধান ও উত্তোলনের ক্ষেত্রে স্থানীয় পাহাড়ি ও বাঙালি জনগোষ্ঠীর সার্বিক সহযোগিতা ও আস্থা অর্জন করতে হবে। উত্তোলিত সম্পদের রাজস্বের একটি নির্দিষ্ট অংশ স্থানীয় আঞ্চলিক উন্নয়নে ব্যয়ের বিধান রাখা প্রয়োজন।
পরিশেষে বলা যায়, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যেকোনো দেশের অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্বের মূল শর্ত। শুধু সাময়িক এলএনজি আমদানির ওপর জিম্মি না থেকে অভ্যন্তরীণ সম্পদের পূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করাই একমাত্র স্থায়ী সমাধান। সিলেটে যেমন আমাদের গ্যাসের অতীত সমৃদ্ধি তৈরি হয়েছিল, ঠিক তেমনি পার্বত্য চট্টগ্রাম হতে পারে বাংলাদেশের আগামী দিনের নতুন জ্বালানি হাব। কালক্ষেপণ না করে সরকারের উচিত পার্বত্য অঞ্চলে দ্রুত প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও অনুসন্ধানী ড্রিলিং কার্যক্রম শুরু করা। এটি একদিকে যেমন জাতীয় গ্যাস সংকট সামাল দিয়ে সাধারণ মানুষকে স্বস্তি দেবে, অন্যদিকে দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক কাঠামোকে করবে স্বাবলম্বী ও শক্তিশালী।
তথ্যসূত্র:
১. বাংলাদেশ তৈল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ করপোরেশন (পেট্রোবাংলা) - বার্ষিক প্রতিবেদন ও ব্লক পরিচিতি (ব্লক ২২)।
২. বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর (জিএসবি) - পার্বত্য অঞ্চলের ভূ-তাত্ত্বিক ও ভারী খনিজ সংক্রান্ত জরিপ প্রতিবেদন।
৩. ইউএসজিএস (মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা) এবং পেট্রোবাংলা যৌথ হাইড্রোকার্বন মূল্যায়ন রিপোর্ট।
৪. জাতীয় গণমাধ্যম দৈনিক কালের কণ্ঠ, দৈনিক যুগান্তর, দৈনিক ইত্তেফাক ও জাগো নিউজ ২৪-এর প্রতিবেদন ও বিশ্লেষণ নিবন্ধসমূহ।
লেখক: এ এইচ এম ফারুক
সাংবাদিক, কলামিস্ট ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক (পার্বত্য চট্টগ্রাম, রোহিঙ্গা ও সীমান্ত নিরাপত্তা বিষয়ক গবেষক)।

