× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

ধর্ম ডেস্ক

প্রকাশিত: মে ২৬, ২০২৬, ০২:৪৪ পিএম

কোরবানির পশু দিয়ে কি আকিকা দেওয়া যাবে?

ধর্ম ডেস্ক

প্রকাশিত: মে ২৬, ২০২৬, ০২:৪৪ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

অনেকেই আছেন যারা নির্ধারিত সময়ে নানা কারণে আকিকা দিতে পারেন না। এ কারণে অনেকে কোরবানির ঈদের সময় একই পশু দিয়ে আকিকা দেন। তবে বেশিরভাগ মানুষ আবার এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে দ্বিধাদ্বন্ধে পড়েন। তাই আসুন বিষয়টি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাক।

ইসলামি বিধান অনুযায়ী, কোরবানি ও আকিকা ভিন্ন দুটি ইবাদত। একটি হলো- সন্তান জন্মের পর শুকরিয়া স্বরূপ যে পশু জবাই করা হয়, আর অন্যটি হলো- কোনো ব্যক্তির নিসাব বা নির্দিষ্ট পরিমাণ সম্পদ থাকলে তার ওপর কোরবানি ওয়াজিব হয়।

অর্থাৎ আকিকা যেখানে সুন্নত বা বাধ্যতামূলক নয়, সেখানে কোরবানিকে ওয়াজিব বা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে সামর্থ্যবানদের জন্য।

ইসলামি লেখক মাওলানা শরীফ মুহাম্মদ বলছিলেন, ওয়াজিব হলো সেই ইবাদত যেটি পালন করা বাধ্যতামূলক। কোনো ব্যক্তি যদি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত নির্দিষ্ট সম্পদের মালিক হন, তাকে কোরবানি দিতে হবে। অন্যদিকে, সন্তান জন্মের পর শুকরিয়া স্বরূপ যে পশু জবাই দেওয়া হয়- সেটিকে বলা হয় আকিকা। আকিকা করা বাধ্যতামূলক নয়।

ধর্মীয় বিধান অনুযায়ী, গৃহপালিত পশু দ্বারা কোরবানি করতে হয়। যেমন— ভেড়া, ছাগল, দুম্বা, গরু, মহিষ ও উট। এই ছয় প্রকার পশু দ্বারা কোরবানি করা যায়, এ ছাড়া অন্য কোনো পশু দ্বারা কোরবানি করা যায় না। এ ধরনের পশুকে কোরআনের ভাষায় বলা হয় ‘অহিংস্র গৃহপালিত চতুষ্পদ জন্তু।’

আবার, অন্যদিকে আকিকার ক্ষেত্রে পশু হিসেবে ছাগল বা খাসিকে নির্ধারিত করা হয়েছে ইসলামে।

মাওলানা শরীফ মুহাম্মদ বলেছেন, হাদিস অনুসারে ছাগল বা খাসি দিয়েই আকিকা করতে হবে। কিন্তু কোরবানিতে উট, গরু, দুম্বা, মহিষ সব কিছুই কোরবানি দেওয়া যাবে।

ইসলামি গবেষকদের মতে, আকিকা ও কোরবানি একই ধরনের ইবাদত বা আমল। কোরবানির ক্ষেত্রে যে বিধান, আকিকার ক্ষেত্রেও একই নিময়। তাই এর জবাই প্রক্রিয়াও একই। তবে বিভিন্ন মাজহাব অনুযায়ী আলাদা আলাদা নিয়ম আছে। তবে কোরবানির পশুতে ভাগ হিসেবে আকিকাও দেওয়া যায়।

মাওলানা শরীফ মুহাম্মদ বলেন, হানাফি মাজহাব অনুযায়ী কোরবানির পশু দিয়ে আকিকা করা যায়। কিন্তু আহলে হাদিসের অনুসারীরা এটার বিরোধিতা করেন। তার মতে, কোরবানির পশুতে যেটাতে ভাগ দেওয়ার সুযোগ আছে, সেখানে একটা ভাগ বা দুইটা ভাগ আকিকার জন্য দিতে পারে। এটা অনুমোদিত।

কোরবানির দিন পশু জবাই করলে অন্তত প্রথম পশুটা কোরবানির হওয়া উত্তম। ধরেন একজন মানুষ কোরবানি করছেন না বা পারছেন না, কিন্তু তার সন্তানের আকিকাটা রয়ে গেছে। কিন্তু আপনি আকিকার পশুটা জবাই করলেন, কিন্তু কোরবানির কোনো পশু জবাই করলেন না। এটা তার জন্য উত্তম সিদ্ধান্ত না।

এর ব্যাখ্যায় এই গবেষক বলেছেন, যদি কেউ গরুতে এক ভাগ কোরবানির জন্য দিলেন, আরেকটা ছাগল আলাদাভাবে আকিকা করলেন, এটা উত্তম। আবার গরুর একভাগ আকিকা, আরেক একভাগ কোরবানিও দিতে পারেন তার সামর্থ্য অনুযায়ী।

Link copied!