২০২৬ বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো খেলতে নেমে দারুণ প্রতিরোধ গড়েছিল জর্ডান। তবে ম্যাচের শেষভাগে আত্মঘাতী গোল ও আরেকটি হজম করে শেষ পর্যন্ত ৩-১ ব্যবধানে হেরে যায় তারা। তবু শক্তিশালী অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে তাদের লড়াকু পারফরম্যান্স ফুটবলপ্রেমীদের প্রশংসা কুড়িয়েছে।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবলের পসরা সাজিয়েছিল অস্ট্রিয়া। যার ফল পেতে বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি তাদের। ২১তম মিনিটে মাঝমাঠ থেকে আক্রমণে উঠে বক্সের বাইরে থেকে রোমানো শ্মিডের এক জোরালো ও দূরপাল্লার শট জর্ডানের গোলরক্ষককে পরাস্ত করে। ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে বিরতিতে যায় অস্ট্রিয়া।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই দারুণভাবে ম্যাচে ফিরে আসে জর্ডান। ৫০ মিনিটে নুর আল-রাওয়াবদেহ গোল করে ম্যাচে সমতা ফেরান। ৬৬ মিনিটে অস্ট্রিয়া আবারও গোল করার চেষ্টা করলে মার্কো আরনাউতোভিচের গোলটি হ্যান্ডবলের কারণে ভিডিও অ্যাসিস্টান্ট রেফারি (ভিএআর) বাতিল করে দেয়। ফলে ম্যাচে তখনো ১-১ সমতা ছিল।
ম্যাচের ৭৬ মিনিটে ঘটে সেই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। কর্নার থেকে আসা একটি বল বিপদমুক্ত করতে গিয়ে জর্ডানের ডিফেন্ডার ইয়াজান আল-আরব ভুলবশত নিজেদের জালেই বল জড়িয়ে দেন। এই আত্মঘাতী গোলে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় অস্ট্রিয়া। ম্যাচের শেষ দিকে অস্ট্রিয়া আরও একটি গোল করলে ৩-১ ব্যবধানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে তারা।
বিশ্বকাপের অভিষেক ম্যাচে অস্ট্রিয়ার মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে জর্ডানের এই লড়াই ফুটবলপ্রেমীদের নজর কেড়েছে। যদিও শেষ পর্যন্ত পরাজয় মেনে নিতে হয়েছে তাদের, তবে তাদের লড়াকু মানসিকতা টুর্নামেন্টের পরবর্তী ম্যাচগুলোর জন্য বড় অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।


