বিগ ব্যাশ লিগে আজকের সিডনি ডার্বিতে শেষ হাসি হেসেছে সিডনি সিক্সার্স। সিডনি থান্ডারকে তারা হারিয়েছে ৫ উইকেটে। তবে জয়–পরাজয়ের চেয়েও বেশি আলোচনায় ছিলেন দুই অস্ট্রেলিয়ান তারকা ডেভিড ওয়ার্নার ও স্টিভ স্মিথ। দুজনেই খেলেছেন দুর্দান্ত সেঞ্চুরি ইনিংস।
সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে আগে ব্যাট করে সিডনি থান্ডার তোলে ১৮৯ রান। দলের হয়ে একাই লড়েছেন ডেভিড ওয়ার্নার। ৬৫ বল খেলে অপরাজিত ১১০ রান করেন তিনি। এটি চলতি বিগ ব্যাশে ওয়ার্নারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে স্টিভ স্মিথের বিধ্বংসী সেঞ্চুরিতে লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলে সিডনি সিক্সার্স। ৪২ বলেই ১০০ রান করে দলকে জয়ের পথে এগিয়ে দেন স্মিথ। তার ইনিংসে ছিল ৫টি চার ও ৯টি ছক্কা। ব্যক্তিগত ১০০ রানে পৌঁছানোর পর আউট হলেও জয় তখন প্রায় নিশ্চিত।
এই ম্যাচেই দেখা গেছে বিগ ব্যাশের ইতিহাসের সবচেয়ে ব্যয়বহুল একটি ওভার। হ্যাডলির করা ইনিংসের ১২তম ওভারে স্মিথ নেন ৩১ রান, পুরো ওভার থেকে আসে ৩২ রান—যা বিগ ব্যাশে এক ওভারে সর্বোচ্চ। ওই ওভারের প্রথম চার বলেই টানা চারটি ছক্কা মারেন স্মিথ। পঞ্চম বলটি ছিল নো, সঙ্গে একটি চার। বাকি রান নেন দৌড়ে।
এর আগে নাথান ম্যাকঅ্যান্ড্রুর করা এক ওভারে ১০৭ মিটার দীর্ঘ ছক্কা হাঁকান স্মিথ। বল গিয়ে পড়ে স্টেডিয়ামের ছাদে। সব মিলিয়ে দিনটি স্মিথের জন্য ছিল স্মরণীয়।
বিগ ব্যাশে এটি স্টিভ স্মিথের চতুর্থ সেঞ্চুরি—এই টুর্নামেন্টে যা সর্বোচ্চ। যৌথভাবে দ্বিতীয় স্থানে আছেন ডেভিড ওয়ার্নার ও বেন ম্যাকডারমট, দুজনেরই তিনটি করে সেঞ্চুরি।
অন্যদিকে স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে এটি ডেভিড ওয়ার্নারের দশম সেঞ্চুরি। এই সেঞ্চুরির মাধ্যমে তিনি রাইলি রুশো ও বিরাট কোহলিকে ছাড়িয়ে তালিকার তিন নম্বরে উঠে এসেছেন। তার ওপরে আছেন শুধু বাবর আজম (১১ সেঞ্চুরি) ও ক্রিস গেইল।
টি-টোয়েন্টিতে সবচেয়ে বেশি, ২২টি সেঞ্চুরি করেছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাবেক তারকা ক্রিস গেইল। ‘ইউনিভার্স বস’-এর এই রেকর্ড সহসা কেউ ছুঁতে পারবেন কি না, তা নিয়ে সংশয় থেকেই যায়।



