বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) টস হেরে ব্যাট করতে নেমে নোয়াখালীর শুরুটা ভালো ছিল না। প্রথম ১০ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে স্কোরবোর্ডে জমা হয়েছিল মাত্র ৪৭ রান।
তবে ১১তম ওভার থেকেই শুরু হয় আফগান ব্যাটার হাসান ইসাখিলের তাণ্ডব। তাকে যোগ্য সঙ্গ দেন হায়দার আলী। ব্যক্তিগত ৮৬ রানে একবার জীবন পেয়ে সেই সুযোগের পূর্ণ সদ্ব্যবহার করেন ইসাখিল। ৭০ বলে পূর্ণ করেন বিপিএল ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি।
ইসাখিল ৭২ বলে ১০টি ছক্কা ও ৪টি চারের সাহায্যে ১০৭ রান করে অপরাজিত থাকেন। এটি বিপিএলের ইতিহাসে কোনো আফগান ব্যাটারের প্রথম সেঞ্চুরি। তার এই ঝড়ো ইনিংসে ভর করেই নোয়াখালী ১৭৩ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর দাঁড় করায়।
১৭৪ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই নোয়াখালীর বোলারদের ওপর তাণ্ডব চালান তাওহিদ হৃদয়। পাওয়ার প্লে-তে দলের ৫৫ রানের মধ্যে ৪৭ রানই ছিল হৃদয়ের। মাত্র ২৭ বলে আসরের চতুর্থ ফিফটি তুলে নিয়ে জয়ের পথ সহজ করে দেন তিনি।
মালান ১৫ রানে বিদায় নিলেও অধিনায়ক লিটন দাসকে নিয়ে দলের হাল ধরেন হৃদয়। লিটন শুরুতে দেখে-শুনে খেললেও ১৬তম ওভারে সৌম্য সরকারকে ১৮ রান নিয়ে ম্যাচের সমীকরণ পুরোপুরি রংপুরের নাগালে নিয়ে আসেন।
অন্যপ্রান্তে হৃদয় ৫৭ বলে ১৪টি চার ও ২টি ছক্কার সাহায্যে তুলে নেন বিপিএলে নিজের প্রথম সেঞ্চুরি। শেষ পর্যন্ত তার অপরাজিত ১০৮ রানের ইনিংসে ভর করে ২ বল হাতে রেখেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় রংপুর।
ম্যাচের সংক্ষিপ্ত স্কোর
নোয়াখালী: ১৭৩/২ (২০ ওভার) - হাসান ইসাখিল ১০৭* (৭২), হায়দার আলী ৪২ (৩৭)।
রংপুর রাইডার্স: ১৭৪/২ (১৯.৪ ওভার) - তাওহিদ হৃদয় ১০৮* (৫৭), লিটন দাস ২৭* (৩১)।
ফল: রংপুর রাইডার্স ৮ উইকেটে জয়ী।


