ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

দলকে জিতিয়ে যা বললেন ক্রিস ওকস

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: জানুয়ারি ২০, ২০২৬, ০৭:৩৬ পিএম
ক্রিস ওকস। ছবি : সংগৃহীত

নাটকীয়তায় ভরা শেষ ওভারে সমীকরণটা ছিল সিলেটের জন্য কঠিন। জয়ের জন্য প্রয়োজন ৯ রান, হাতে চার উইকেট। এমন চাপের মুহূর্তে ব্যাট হাতে দাঁড়িয়ে ছিলেন মইন আলি ও ক্রিস ওকস, আর বল হাতে রংপুরের ফাহিম আশরাফ।

প্রথম বলে মইন আলি নেন দুই রান। পরের দুই বল ডট—চাপ আরও বাড়ে। চতুর্থ বলে বড় শটের চেষ্টা করতে গিয়ে মইন আউট হলে ম্যাচের নাটকীয়তা চরমে পৌঁছায়। নতুন ব্যাটার হিসেবে খালেদ উইকেটে এলেও শেষ মুহূর্তের মঞ্চটা নিজের করে নেন অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার ক্রিস ওকস।

পঞ্চম বলে ডাবলস নেওয়ার সুযোগ থাকলেও ওকস সতীর্থকে থামিয়ে নিজেই স্ট্রাইক ধরে রাখেন। মুহূর্তের সিদ্ধান্ত হলেও সেটাই হয়ে ওঠে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া সিদ্ধান্ত।

ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে ওকস বলেন, দ্বিতীয় রান নিলেও খুব একটা পার্থক্য হতো না। আমাদের তখনও জিততে সাত রান দরকার ছিল। আমার সঙ্গী মাত্র ক্রিজে এসেছে, আর আমি কিছুক্ষণ ধরে খেলছিলাম। তাই মনে হয়েছিল দায়িত্বটা আমারই নেওয়া উচিত।

শেষ বল—জয়ের জন্য দরকার ছয়। ফাহিম আশরাফ ইয়র্কার লাইন ধরে ওয়াইড দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু সেটার জন্যই মানসিকভাবে প্রস্তুত ছিলেন ওকস। নিখুঁত টাইমিংয়ে কভার অঞ্চলের ওপর দিয়ে বল পাঠিয়ে দেন সীমানার বাইরে। মুহূর্তেই বদলে যায় চিত্র—সিলেটের ডাগআউটে উল্লাস, রংপুর শিবিরে হতাশা।

ওকস বলেন, বোলার হলে তিনি নিজেও এমন ডেলিভারিই বেছে নিতেন। এই উইকেটে স্লোয়ার আর কাটার মারা কঠিন। আমি কাটারের জন্য প্রস্তুত ছিলাম। কিন্তু সে যখন গতি বাড়াল, তখন তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় শট খেলেছি।

২০১৯ বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে নায়কোচিত ইনিংস কিংবা অ্যাশেজের চাপের মুহূর্ত—সবই দেখেছেন ক্রিস ওকস। তবে শেষ বলে ছক্কা মেরে দলকে জেতানোর অভিজ্ঞতা তার কাছেও বিশেষ।

ওকস আরও বলেন, এর আগে এমন পরিস্থিতিতে সফল হতে পারিনি। এই দলের হয়ে বিপিএলে প্রথম ম্যাচেই এমন জয়—এটা সত্যিই খুব বিশেষ।