টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬ উপলক্ষে ভারতে সফর না করার বাংলাদেশের সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে আলোচনার জন্ম দিলেও এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) সভাপতি মিঠুন মানহাস।
ভারতের রায়পুরের স্বামী বিবেকানন্দ বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের একাধিক প্রশ্নের মুখোমুখি হলেও তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান। একটি ভিডিওতে দেখা যায়, শুরুতে সাংবাদিকদের প্রশ্ন উপেক্ষা করেন মানহাস।
পরে বারবার প্রশ্ন করা হলে সংক্ষিপ্তভাবে তিনি বলেন, ‘আমি এখানে রায়পুরে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচ দেখতে এসেছি।’ এরপর আর কোনো মন্তব্য করেননি তিনি।
এর এক দিন আগে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) বাংলাদেশের ম্যাচগুলো নিরপেক্ষ ভেন্যুতে আয়োজনের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করে। এই সিদ্ধান্তের পরই বৃহস্পতিবার ২২ জানুয়ারি বাংলাদেশ সরকার ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়, তারা ভারতে গিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেবে না।
আইসিসির এ সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করেছেন বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম। তিনি অভিযোগ করেন, আইসিসি দ্বৈত নীতি অনুসরণ করছে। উদাহরণ হিসেবে তিনি ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির প্রসঙ্গ টানেন, যেখানে ভারত পাকিস্তানে না গিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) তাদের সব ম্যাচ খেলেছিল।
এ প্রসঙ্গে আমিনুল ইসলাম ইএসপিএন ক্রিকইনফোকে বলেন, যখন একটি দেশ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির জন্য অন্য একটি দেশে যেতে অস্বীকৃতি জানায়, তখন আইসিসি তাদের জন্য নিরপেক্ষ ভেন্যুর ব্যবস্থা করে। তারা সব ম্যাচ এক ভেন্যুতে, এক হোটেলে থেকে খেলেছে, যা ছিল একটি বিশেষ সুবিধা।
বর্তমান সূচি অনুযায়ী, লিটন দাসের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ দলের ৭ ফেব্রুয়ারি কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরুর কথা ছিল। একই ভেন্যুতে ইতালি ও ইংল্যান্ডের বিপক্ষেও ম্যাচ নির্ধারিত ছিল। পরে মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে নেপালের বিপক্ষে খেলানোর সূচি ছিল বাংলাদেশের।


