টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মঞ্চ মানেই গ্ল্যামার, রোমাঞ্চ আর রেকর্ডের উল্লাস। এবারের আসরে বাংলাদেশ দল মাঠের লড়াইয়ে নেই, টাইগার সমর্থকদের জন্য এটা নিঃসন্দেহে এক বিষাদের সুর। কিন্তু এই বিষাদের মেঘের মাঝেই যেন রুপালি রেখা হয়ে জ্বলজ্বল করছে একটি নাম—সাকিব আল হাসান।
বিশ্বকাপের ২২ গজে বাংলাদেশ খেলছে না, কিন্তু রেকর্ডের পাতায় এখনো সবার ওপরে বাংলাদেশের পতাকাই উড়ছে। বিশ্বমঞ্চে অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে যাওয়া সাকিব এখন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে একাই একশ!
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে ৫০টি উইকেট শিকার করে সাকিব আল হাসান নিজের জন্য একটি অভেদ্য দুর্গ তৈরি করে ফেলেছেন। তিনি বিশ্বকাপের ইতিহাসে একমাত্র বোলার, যিনি উইকেটের ‘হাফ সেঞ্চুরি’ পূর্ণ করেছেন। সাকিবের এই কীর্তির ধারেকাছেও নেই বর্তমান সময়ের কোনো বোলার।
তালিকার দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে থাকা তারকারা অনেক আগেই ক্রিকেটকে বিদায় জানিয়েছেন, তারা হলেন...
শহিদ আফ্রিদি (পাকিস্তান) : ৩৯ উইকেট
লাসিথ মালিঙ্গা (শ্রীলঙ্কা) : ৩৮ উইকেট
সিংহাসনে কি হানা দেবে কেউ?
সাকিব এবারের বিশ্বকাপে নেই, তাই তার রেকর্ড ভাঙার এক ক্ষীণ সুযোগ তৈরি হয়েছে অন্যদের সামনে। তবে এই রেকর্ড ভাঙা যে এক আক্ষরিক অর্থই ‘পর্বতসম’ কাজ, তা পরিসংখ্যানেই স্পষ্ট।
সাকিবের রেকর্ডের সবচেয়ে বড় হুমকি এখন দুই জাদুকরি লেগ স্পিনার—ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা (শ্রীলঙ্কা) ও রশিদ খান (আফগানিস্তান)। দুজনেই বর্তমানে ৩৭টি করে উইকেট নিয়ে তালিকার চারে অবস্থান করছেন।
সাকিবের রেকর্ড ছুঁতে হলে হাসারাঙ্গা বা রশিদকে এবারের আসরে আরও ১৩টি উইকেট শিকার করতে হবে। টি-টোয়েন্টিতে অবিশ্বাস্য কিছু ঘটা অসম্ভব নয়, তবে ১৩ উইকেট একটি আসরে নেওয়াটা বিশাল চ্যালেঞ্জ।



