২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ঠিক আগমুহূর্তে বড় ধাক্কা খেয়েছে অস্ট্রেলিয়া। ইনজুরির কারণে দল থেকে ছিটকে গেছেন অভিজ্ঞ পেসার জশ হ্যাজলউড। দলের আরেক তারকা পেসার প্যাট কামিন্সও নেই একই কারণে। আর মিচেল স্টার্ক আগেই এই ফরম্যাট থেকে অবসর নেওয়ায় বিশ্বকাপের মূল একাদশে নেই অস্ট্রেলিয়ার সেই বিখ্যাত 'ফ্যাব থ্রি' (কামিন্স, স্টার্ক, হ্যাজলউড)।
হ্যাজলউডের অনুপস্থিতিকে দলের জন্য বড় ক্ষতি হিসেবে দেখছেন নাথান এলিস। তবে একই সঙ্গে তরুণ ও নতুন পেসারদের ওপর পূর্ণ আস্থা প্রকাশ করেছেন তিনি।
ইনজুরি কাটিয়ে ফেরা এলিস এখন এই দলের সবচেয়ে অভিজ্ঞ পেসার (৩২টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ)। তার ওপরই মূলত দায়িত্ব থাকবে দলের পেস বোলিং বিভাগ সামলানোর। এলিস ছাড়াও দলে আছেন বেন ডারশুইস ও জেভিয়ার বার্টলেট। অলরাউন্ডার হিসেবে থাকছেন ক্যামেরন গ্রিন ও মার্কাস স্টয়নিস।
হ্যাজলউডের না থাকা প্রসঙ্গে এলিস বলেন, হ্যাজলউডের মতো বিশ্বমানের বোলারকে হারানো অবশ্যই বড় ক্ষতি। ও দলের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা সবাই জানে। গত কয়েক মাস ওর জন্য খুবই কঠিন ছিল। ওর মিস করাটা দুর্ভাগ্যজনক।
তবে গত দেড়-দুই বছরে কামিন্স-স্টার্কদের অনুপস্থিতিতে তরুণদের তৈরি করার যে সুযোগ অস্ট্রেলিয়া পেয়েছিল, তার সুফল মিলবে বলে বিশ্বাস এলিসের।
তিনি বলেন, গত ১৮-২৪ মাস ধরে আমরা একসঙ্গে খেলছি। বড় তিন তারকা টেস্টের ব্যস্ততায় থাকায় আমরা একসঙ্গে কাজ করার অনেক সুযোগ পেয়েছি। দলের বোলিং ইউনিটের মধ্যে দারুণ বোঝাপড়া তৈরি হয়েছে।
নতুনদের সক্ষমতা নিয়ে এলিস আরও যোগ করেন, আমাদের সবার স্কিল ভিন্ন এবং আমরা ভিন্ন ভিন্ন পরিস্থিতিতে ভালো করতে পারি। আমি মনে করি, তাদের ছাড়া হলেও আমরা আগের মতো শক্ত অবস্থানে আছি।
এদিকে, হ্যামস্ট্রিং ইনজুরি কাটিয়ে ওঠা এলিস আগামী বুধবার আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে খেলার বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী। সোমবারের প্রধান ট্রেনিং সেশনের পর তার খেলার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।


