× UCB Sticker Card
মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত: জুলাই ৭, ২০২৬, ০৩:৪৯ পিএম

প্রেম থেকে সন্তান, হলান্ডের অজানা জীবনের গল্প

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত: জুলাই ৭, ২০২৬, ০৩:৪৯ পিএম

আর্লিং হলান্ডের সঙ্গে প্রেমিকা ইসাবেল। ছবি : সংগৃহীত

আর্লিং হলান্ডের সঙ্গে প্রেমিকা ইসাবেল। ছবি : সংগৃহীত

বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা গোলদাতা আর্লিং হলান্ড। মাঠে গোল আর রেকর্ডের জন্য যতটা আলোচনায় থাকেন, ব্যক্তিগত জীবন ততটাই আড়ালে রাখতে পছন্দ করেন এই নরওয়েজিয়ান তারকা। তবে তার জীবনের সবচেয়ে কাছের মানুষটি ছিলেন খ্যাতি পাওয়ারও অনেক আগে থেকেই। তিনি হলেন তার শৈশবের বন্ধু ও দীর্ঘদিনের প্রেমিকা ইসাবেল জোহানসেন।

হলান্ড ও ইসাবেল—দুজনেরই জন্ম ও বেড়ে ওঠা নরওয়ের ব্রাইনে শহরে। ছোটবেলা থেকেই একই পরিবেশে বড় হয়েছেন তারা। শুধু তাই নয়, স্থানীয় ফুটবল ক্লাব ব্রাইনে একে-এর বয়সভিত্তিক দলে খেলেছেন দুজনই। ফুটবল থেকে তাদের পরিচয় হলেও প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠেনি।

তাদের সম্পর্কের সূচনা হয় ২০২১ সালের দিকে। তখন ইউরোপীয় ফুটবলে নিজের অবস্থান শক্ত করে ফেলেছেন হলান্ড। এরপর সময়ের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর হয় তাদের।

২০২৪ সালের ডিসেম্বরে এই দম্পতির ঘরে আসে প্রথম সন্তান। তবে সন্তানকে জনসম্মুখে না আনার সিদ্ধান্ত নেন তারা। ছেলের নাম কিংবা ব্যক্তিগত কোনো তথ্য এখনো প্রকাশ করেননি।

ইসাবেলও একসময় ফুটবল খেলতেন। যদিও পরে পেশাদার ক্যারিয়ার গড়ে তোলেননি, তবু ফুটবলের সঙ্গে তার সম্পর্ক অটুট। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তিনি বেশ পরিচিত। ভ্রমণ, ব্যক্তিগত মুহূর্ত ও দৈনন্দিন জীবনের নানা ছবি নিয়মিত শেয়ার করেন।

সম্প্রতি নরওয়ের ম্যাচে গ্যালারিতে হলান্ডের জার্সি পরে উপস্থিত হয়ে আলোচনায় আসেন ইসাবেল। তার সেই উপস্থিতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলে।

তাদের সম্পর্কের একটি মজার তথ্যও জানিয়েছেন হলান্ড নিজেই। নরওয়ের সম্প্রচারমাধ্যম এনআরকেকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, সম্পর্কের প্রথম পদক্ষেপ নিয়েছিলেন ইসাবেল। হলান্ডের ভাষায়, ‘সেই আমাকে প্রথম মেসেজ পাঠিয়েছিল। যেহেতু সে আমার পুরোনো ক্লাব ব্রাইনেতেই খেলত, তাই সে-ই আমার খোঁজ নিয়েছিল।’

ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে খুব বেশি প্রকাশ্যে কথা না বললেও অবসর সময়ের একটি মজার অভ্যাসের কথাও জানিয়েছেন এই স্ট্রাইকার। তিনি বলেন, দুজনই ভিডিও গেম খেলতে ভালোবাসেন। বিশেষ করে একসঙ্গে Minecraft খেলেন, যেখানে ঘরবাড়ি তৈরি করেই সময় কাটে তাদের।

বাবা হওয়ার পর জীবনে বড় পরিবর্তন এসেছে বলেও জানিয়েছেন হলান্ড। তিনি বলেন, সন্তান জন্মের পর বাড়িতে ফিরলে ফুটবল থেকে পুরোপুরি দূরে থাকতে পারেন। পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোই এখন তার সবচেয়ে বড় আনন্দ।

বিশ্বজুড়ে খ্যাতি অর্জনের পরও ব্যক্তিগত সম্পর্ককে প্রচারের আলো থেকে দূরে রেখেছেন হলান্ড ও ইসাবেল। আর সেই কারণেই তাদের সম্পর্ককে অনেকেই আধুনিক ফুটবলের সবচেয়ে স্থিতিশীল ও আলোচনাহীন প্রেমের গল্পগুলোর একটি হিসেবে দেখেন।

Link copied!