× UCB Sticker Card
সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

স্পোর্টস রিপোর্টার

প্রকাশিত: জুলাই ২৭, ২০২৬, ০৬:০২ পিএম

ব্রাজিলের প্রেসিডেন্টকে ‘চোর’ বললেন আর্জেন্টিনার নেতা

স্পোর্টস রিপোর্টার

প্রকাশিত: জুলাই ২৭, ২০২৬, ০৬:০২ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

ব্রাজিল সফরকালে আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই তার ব্রাজিলীয় প্রতিপক্ষ লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভার বিরুদ্ধে করা ‘অপমানজনক’ মন্তব্যের প্রতিবাদে আর্জেন্টিনা থেকে নিজেদের রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার করেছে ব্রাজিল।

সাও পাওলোতে ফ্লাভিও বলসোনারোর নির্বাচনী প্রচারণার উদ্বোধনী সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় মিলেই লুলা দা সিলভার বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেন। যদিও তিনি সরাসরি লুলার নাম উল্লেখ করেননি, তবে তাকে ‘চোর’ ও ‘দোষী’ বলে আক্রমণ করেন। লুলার দুর্নীতির অভিযোগে কারাবাসের সময়ের প্রতি ইঙ্গিত করেই তিনি এ মন্তব্য করেন। পরে অবশ্য ওই অভিযোগ বাতিল হয়ে যায় এবং ২০২২ সালের নির্বাচনে লুলা আবারও ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

মিলেই কারাবন্দি সাবেক প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারোর ছেলে ফ্লাভিও বলসোনারোর ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক মিত্র। ২০২২ সালের নির্বাচনে লুলার কাছে পরাজয়ের পর ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য অভ্যুত্থানের ষড়যন্ত্রের অভিযোগে জাইর বলসোনারোকে ২৭ বছরের বেশি কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তিনি গৃহবন্দি রয়েছেন। নির্বাচনে অংশগ্রহণে নিষেধাজ্ঞা থাকায় তিনি তাঁর ডানপন্থী লিবারেল পার্টির প্রার্থী হিসেবে ছেলে ফ্লাভিও বলসোনারোকে সমর্থন করছেন।

গত শনিবার সাও পাওলোর এক সমাবেশে ফ্লাভিওর পাশে দাঁড়িয়ে মিলেই বলেন, ‘লুলাকে থামাতে’ একমাত্র ফ্লাভিও বলসোনারোই সক্ষম।

এ সময় আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট ব্রাজিলের সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি আলেক্সান্দ্রে দে মোরেসের বিরুদ্ধেও আক্রমণাত্মক মন্তব্য করেন। তিনি মোরেসকে ‘টাকমাথা আবর্জনা’ বলে অভিহিত করেন, যদিও সরাসরি তার নাম উল্লেখ করেননি।

জাইর বলসোনারোর বিচারপ্রক্রিয়ার নেতৃত্ব দিয়েছিলেন বিচারপতি মোরেস। চলতি মাসের শুরুতে ব্রাসিলিয়ায় গৃহবন্দি থাকা বলসোনারোর সঙ্গে দেখা করার জন্য মিলেইয়ের অনুরোধও তিনি প্রত্যাখ্যান করেন।

মিলেইয়ের মন্তব্যে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ব্রাজিলের কূটনীতিকরা। এক কূটনৈতিক সূত্র এএফপিকে জানিয়েছে, মিলেই ‘ব্রাজিল সরকারের দুটি শাখা, দেশটির জনগণ এবং গণতন্ত্রকে অপমান করেছেন।’

গতকাল রোববার এক অনুষ্ঠানে প্রেসিডেন্ট লুলা সরাসরি মিলেইয়ের বক্তব্যের প্রসঙ্গ উল্লেখ না করলেও বলেন, ‘ব্রাজিলে, যেখানে নাক গলানোর অধিকার নেই, সেখানে আমরা কাউকে নাক গলাতে দিই না।’

দক্ষিণ আমেরিকার দুই প্রতিবেশী দেশ ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার মধ্যে চলমান কূটনৈতিক উত্তেজনা দুই দেশের সম্পর্কের একটি নতুন নিম্ন পর্যায় হিসেবে দেখা হচ্ছে। উল্লেখ্য, দেশ দুটি একে অপরের অন্যতম বৃহৎ বাণিজ্যিক অংশীদার।

Link copied!