× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২২, ২০২৫, ০১:২৬ পিএম

১৫ বছর পর বিশ্বের বৃহত্তম পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু করছে জাপান

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২২, ২০২৫, ০১:২৬ পিএম

কাশিওয়াজাকি-কারিওয়া। ছবি- সংগৃহীত

কাশিওয়াজাকি-কারিওয়া। ছবি- সংগৃহীত

ফুকুশিমা দুর্ঘটনার ১৫ বছর পর বিশ্বের বৃহত্তম নিউক্লিয়ার বিদ্যুৎকেন্দ্র পুনরায় চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে জাপান। দেশটির রাষ্ট্রীয় বিদ্যুৎ সরবরাহকারী সংস্থা টোকিও ইলেকট্রিক পাওয়ার কোম্পানি (টেপকো) জানিয়েছে, নিয়িগাতার কাশিওয়াজাকি-কারিওয়া নিউক্লিয়ার প্ল্যান্ট সোমবার (২২ ডিসেম্বর) প্রিফেকচারের সমিতির অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে।

জাপানের কাশিওয়াজাকি-কারিওয়া বিশ্বের বৃহত্তম পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। রাজধানী টোকিও থেকে ২২০ কিলোমিটার উত্তরপূর্বের বন্দর শহর নিগাতায় অবস্থিত এই পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রের আয়তন ৪২ লাখ বর্গমিটার বা ৪২০ হেক্টর। মোট ৭টি পরমাণু চুল্লি আছে এই বিদ্যুৎকেন্দ্রে, যেগুলোর সম্মিলিত বিদ্যুৎ উৎপাদনক্ষমতা ৮ দশমিক ২ মেগাবাইট। এই পরমাণু কেন্দ্রটির পরিচালনা ও দেখভালের দায়িত্বে আছে টেপকো।

২০১১ সালের ভূমিকম্প ও সুনামির পর ফুকুশিমা দাইইচি প্ল্যান্ট ক্ষতিগ্রস্ত হলে দেশের ৫৪টি রিয়েক্টর বন্ধ করা হয়। কাশিওয়াজাকি-কারিওয়া, যা টোকিও থেকে প্রায় ২২০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত, পুনরায় চালু হলে জাপানের পারমাণবিক শক্তিতে ফেরার গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হবে।

টেপকো সাতটি রিয়েক্টরের প্রথমটি জানুয়ারি ২০ থেকে চালু করার পরিকল্পনা করছে। স্থানীয় সমর্থন জেতার জন্য আগামী দশ বছরে ১০০ বিলিয়ন ইয়েন বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তবুও অনেকেই এখনো সংশয়ী। অক্টোবরের জরিপে দেখা গেছে, ৬০ শতাংশ স্থানীয় মনে করছেন পুনরায় চালুর শর্ত পূরণ হয়নি এবং প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ টেপকোর প্ল্যান্ট পরিচালনা নিয়ে উদ্বিগ্ন।

নিয়িগাতা গভর্নর হিদেয়ো হানাজুমি পুনরায় চালুর পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন এবং জাপানের আমদানিকৃত জীবাশ্ম জ্বালানিতে নির্ভরতা কমানোর প্রয়োজন তুলে ধরেছেন। তবে ফুকুশিমা থেকে সরিয়ে আনা শরণার্থী আয়াকো ওগাসহ বিরোধীরা নতুন ঝুঁকির আশঙ্কা নিয়ে সতর্ক করেছেন।

প্ল্যান্টটি চালু হলে টোকিও অঞ্চলের বিদ্যুৎ সরবরাহ ২ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে, যা এআই ডেটা সেন্টারগুলোর চাহিদা এবং জাপানের ডিকার্বনাইজেশন লক্ষ্য পূরণে সহায়ক হবে। সরকার ২০৪০ সালের মধ্যে বিদ্যুতের সরবরাহে পারমাণবিক শক্তির অংশ দ্বিগুণ করে ২০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য রেখেছে। কাশিওয়াজাকি-কারিওয়ার পুনঃচালু কার্যক্রম তাই জাপানের শক্তি নীতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে ধরা হচ্ছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!