কাতারের প্রধান গ্যাস স্থাপনা রাস লাফানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এ ঘটনার পর কাতার ক্ষুব্ধ হয়ে জানায়, ‘এ ধরনের হামলা সরাসরি জাতীয় নিরাপত্তার ওপর আঘাত হিসেবে দেখা হচ্ছে।’ ইরানের বিরুদ্ধে কাতার কূটনৈতিক অবস্থানও কঠোর করেছে।
আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কাতার ইরানের নিরাপত্তা ও সামরিক ‘অ্যাটাশে’দের অবিলম্বে দেশ ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে। কূটনৈতিক ভাষায় ‘অ্যাটাশে’ সাধারণত দূতাবাসে নিয়োজিত বিশেষজ্ঞ বা প্রতিনিধিকে বোঝায়, যা ‘সামরিক বা নিরাপত্তা প্রতিনিধি’ বা ‘সংযুক্ত কর্মকর্তা’ হিসেবেও ধরা যেতে পারে।
কাতারের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, ‘ইরানের প্রতি যে সামান্য আস্থা অবশিষ্ট ছিল, তা সম্পূর্ণ ভেস্তে গেছে।’
এদিকে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি বুধবার (১৮ মার্চ) বিবৃতি দিয়েছেন। তিনি হামলাকে অগ্রহণযোগ্য আখ্যা দিয়ে দায়ীদের ‘চরম মূল্য’ দিতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
এর আগে গত সোমবার রাতে আলী লারিজানি, ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের প্রধান, তার পুত্রসহ ইসরায়েলের হামলায় নিহত হন। একই দিনে পৃথক হামলায় দেশটির আধা-সামরিক বাহিনী গোলামরেজা সোলেইমানি নিহত হন।
ইরানের আধাসরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজে খামেনির বিবৃতিতে বলা হয়, লারিজানি একজন ‘বুদ্ধিমান ও অঙ্গীকারবদ্ধ ব্যক্তি’ ছিলেন এবং ইরানের রাজনৈতিক কাঠামোর একজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব ছিলেন। হত্যাকাণ্ড থেকে বোঝা যায়, তিনি কতটা গুরুত্বপূর্ণ এবং ইসলামের শত্রুদের কাছে কতটা ঘৃণ্য ছিলেন। প্রতিটি রক্তের মূল্য রয়েছে, যা এই শহীদদের খুনিদের অচিরেই পরিশোধ করতে হবে।

সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন