× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মে ৪, ২০২৬, ০৬:৫২ এএম

তাইওয়ানের কাছে চীনের বহু যুদ্ধবিমান-জাহাজ, বাড়ছে আঞ্চলিক উত্তেজনা

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মে ৪, ২০২৬, ০৬:৫২ এএম

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

তাইওয়ান প্রণালী ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা বেড়েছে। একদিনে প্রায় ২৯ চীনা যুদ্ধবিমান ও একাধিক নৌযান শনাক্তের দাবি করেছে তাইওয়ান। একই সময়ে কাছাকাছি ফিলিপিন্সে যুক্তরাষ্ট্র ও ফিলিপিন্সের যৌথ সামরিক মহড়া শুরু হওয়ায় এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে শক্তির প্রতিযোগিতা আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, শনিবার (২ মে) সকাল পর্যন্ত দ্বীপটির আশপাশে ২৯টি চীনা সামরিক বিমান, ৬টি নৌযান এবং ২টি সরকারি জাহাজ শনাক্ত করা হয়েছে।

তাদের দাবি, এসব বিমানের অন্তত ১৫টি তাইওয়ান প্রণালীর মধ্যরেখা অতিক্রম করে দ্বীপটির উত্তর, মধ্য ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের এয়ার ডিফেন্স আইডেন্টিফিকেশন জোনে প্রবেশ করে।

দীর্ঘদিন ধরে তাইওয়ান নিজেকে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে দাবি করে আসছে। দেশটির প্রেসিডেন্ট লাই চিং তে প্রশাসন চীনা বিমানের এ তৎপরতাকে অনুপ্রবেশ হিসেবে উল্লেখ করে নিন্দা জানিয়েছে।

অন্যদিকে চীন তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ডের অংশ বলে দাবি করে। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর আশঙ্কা, ২০২৭ সালের মধ্যে বেইজিং তাইওয়ানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করতে পারে।

এদিকে একই দিনে আরও ২৮টি চীনা যুদ্ধবিমান যৌথ আকাশ ও সমুদ্র মহড়ায় অংশ নেয়। এসবের মধ্যে জে-১০, জে-১৬ যুদ্ধবিমান এবং কেজে-৫০০ নজরদারি বিমান রয়েছে বলে জানা গেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ধারাবাহিক মহড়া ও আকাশসীমায় অনুপ্রবেশের মাধ্যমে তাইওয়ানের ওপর সামরিক চাপ বাড়ানো এবং প্রতিরক্ষা সক্ষমতা যাচাই করাই চীনের উদ্দেশ্য। এতে পুরো অঞ্চলেই উত্তেজনা বাড়ছে।

এর মধ্যেই ফিলিপিন্সের উত্তরাঞ্চলীয় বাতানেস দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্র ও ফিলিপিন্স যৌথ মহড়ায় অত্যাধুনিক ‘নেমেসিস’ অ্যান্টি-শিপ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা মোতায়েন করেছে। এই মোবাইল ব্যবস্থা প্রায় ১৮৫ কিলোমিটার দূরের সমুদ্র লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম।

বিশ্লেষকদের মতে, তাইওয়ানের কাছাকাছি এ ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন চীনের প্রতি একটি কৌশলগত বার্তা হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!