দীর্ঘ সময় পর বিশ্বের দুই বৃহৎ অর্থনীতির দেশের শীর্ষ নেতাদের বহুল আলোচিত দ্বিপাক্ষিক বৈঠক শুরু হতে যাচ্ছে চীনে।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দুপুরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বহনকারী বিশেষ বিমান ‘এয়ার ফোর্স ওয়ান’ বেইজিং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। ২০১৭ সালের পর এই প্রথম চীন সফরে গেলেন ট্রাম্প, যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে।
সফরের অংশ হিসেবে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার একাধিক দফায় বৈঠকে বসবেন ট্রাম্প। দুই দেশের সম্পর্কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর ইস্যু নিয়ে এসব আলোচনায় গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে।
বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে বাণিজ্য ভারসাম্য, তাইওয়ান ঘিরে নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিতে প্রভাব বিস্তার ও নিয়ন্ত্রণের বিষয়গুলো আলোচনায় প্রাধান্য পেতে পারে।
এ ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল ও ইরান সংশ্লিষ্ট পরিস্থিতিও এই বৈঠকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে সামনে আসছে। সংঘাত নিরসনে চীনের সম্ভাব্য ভূমিকা এবং এ বিষয়ে ওয়াশিংটনের প্রত্যাশা নিয়ে দুই নেতার মধ্যে সরাসরি আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে ট্রাম্প-শি বৈঠক শুধু যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্কের জন্যই নয়, বরং বিশ্ব রাজনীতি ও ভূরাজনৈতিক ভারসাম্যের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।
চীন সফরে ট্রাম্পের সম্মানে বিশেষ সংবর্ধনা ও নৈশভোজের আয়োজন করেছে বেইজিং। অনেকে মনে করছেন, আনুষ্ঠানিক আলোচনার পাশাপাশি অনানুষ্ঠানিক বৈঠকেও দুই দেশের সম্পর্কের টানাপোড়েন কমানোর ইঙ্গিত মিলতে পারে।
সূত্র: আল জাজিরা


সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন