× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মে ১৮, ২০২৬, ১১:০০ পিএম

সৌদিতে পাকিস্তানের যুদ্ধ বিমান ও হাজারো সেনা মোতায়েন

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মে ১৮, ২০২৬, ১১:০০ পিএম

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে কেন্দ্র করে বাড়তে থাকা উত্তেজনার মধ্যে সৌদি আরবে উল্লেখযোগ্য সামরিক উপস্থিতি জোরদার করেছে পাকিস্তান। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুই দেশের মধ্যে হওয়া গোপন প্রতিরক্ষা সমঝোতার আওতায় ইসলামাবাদ প্রায় ৮ হাজার সেনা, যুদ্ধবিমান স্কোয়াড্রন ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সৌদিতে পাঠিয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত বছর স্বাক্ষরিত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তির অংশ হিসেবেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ওই চুক্তিতে উল্লেখ রয়েছে, যেকোনো এক দেশ সামরিক হামলার মুখে পড়লে অপর দেশ সহযোগিতায় এগিয়ে আসবে।

নিরাপত্তা ও সরকারি সূত্রের বরাতে রয়টার্স জানিয়েছে, পাকিস্তান প্রায় ১৬টি যুদ্ধবিমান নিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ স্কোয়াড্রন সৌদি আরবে মোতায়েন করেছে। এসব বিমানের বেশিরভাগই চীনের সহায়তায় তৈরি জেএফ-১৭ ফাইটার জেট, যা চলতি বছরের এপ্রিলের শুরুতে সেখানে পাঠানো হয়। পাশাপাশি দুটি ড্রোন ইউনিটও মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

এছাড়া সৌদিতে পাঠানো সামরিক সরঞ্জামের মধ্যে রয়েছে চীনা প্রযুক্তির এইচকিউ-৯ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। এসব পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন পাকিস্তানি সেনাসদস্যরা, আর পুরো ব্যয়ের দায়িত্ব বহন করছে সৌদি আরব।

সূত্রগুলো বলছে, বর্তমানে প্রায় ৮ হাজার সেনা মোতায়েন থাকলেও প্রয়োজনে আরও সেনা পাঠানোর প্রস্তুতি রয়েছে পাকিস্তানের। এমনকি গোপন চুক্তিতে সর্বোচ্চ ৮০ হাজার পাকিস্তানি সেনা সৌদিতে মোতায়েনের সুযোগ রাখা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।

বর্তমানে পাঠানো সেনা ও বিমানবাহিনীর সদস্যদের প্রধান কাজ প্রশিক্ষণ ও সামরিক পরামর্শ দেওয়া হলেও, অতীতের চুক্তিগুলোর আওতায়ও সৌদি আরবে পাকিস্তানের যুদ্ধসক্ষম সেনা উপস্থিত ছিল বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

চুক্তির আওতায় পাকিস্তানি যুদ্ধজাহাজ মোতায়েনের বিষয়টিও রয়েছে। তবে সেগুলো ইতোমধ্যে সৌদি আরবে পৌঁছেছে কি না, তা নিশ্চিত করা যায়নি।

রয়টার্স বলছে, এই মোতায়েন কেবল প্রতীকী সমর্থন নয়; বরং সৌদি আরবে পাকিস্তানের কার্যকর সামরিক উপস্থিতিরই ইঙ্গিত দিচ্ছে।

এর আগেও ইরানের হামলায় সৌদি জ্বালানি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর পাকিস্তান যুদ্ধবিমান পাঠিয়েছিল বলে উল্লেখ করেছে সংবাদমাধ্যমটি। তখন আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল, পরিস্থিতি বড় ধরনের আঞ্চলিক সংঘাতে রূপ নিতে পারে।

পরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠায় মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় দেখা যায় পাকিস্তানকে। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সেই যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে। এমনকি ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে এক দফা শান্তি আলোচনাও ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যদিও পরবর্তী বৈঠকগুলো পরে স্থগিত হয়ে যায়।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!