× UCB Sticker Card
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ২৮, ২০২৬, ০১:৩২ পিএম

বেবি পাউডারে ক্যানসার ঝুঁকি, মামলা নিষ্পত্তিতে ৬৮ হাজার কোটি টাকা দিতে প্রস্তুত জনসন

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ২৮, ২০২৬, ০১:৩২ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে ট্যাল্কযুক্ত বেবি পাউডার ও অন্যান্য পণ্য ব্যবহার করে ডিম্বাশয় ক্যানসারের অভিযোগে দায়ের হওয়া হাজারো মামলার নিষ্পত্তির জন্য প্রায় ৫.৫ বিলিয়ন ডলার, অর্থাৎ প্রায় ৬৮ হাজার কোটি টাকা পর্যন্ত পরিশোধের প্রস্তাব দিয়েছে জনসন অ্যান্ড জনসন।

দীর্ঘদিন ধরে চলা এই আইনি বিরোধের অবসান ঘটাতেই কোম্পানিটি সমঝোতার উদ্যোগ নিয়েছে। তবে প্রতিষ্ঠানটি শুরু থেকেই দাবি করে আসছে, তাদের ট্যাল্কভিত্তিক পণ্য ক্যানসারের কারণ নয় এবং অভিযোগগুলোর কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। ইতোমধ্যে তারা বেবি পাউডারের ফর্মুলাও পরিবর্তন করেছে।

কোম্পানির মামলাবিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট এরিক হাস জানিয়েছেন, অভিযোগগুলোকে ভিত্তিহীন মনে করলেও দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষ করতে তারা সমঝোতার পথ বেছে নিয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী আগামী বছর সর্বোচ্চ ৩ বিলিয়ন ডলার পরিশোধ করা হবে এবং ২০২৮ সালের আগে অতিরিক্ত অর্থ দেওয়ার প্রয়োজন হবে না।

তবে এই সমঝোতা কার্যকর হতে হলে ডিম্বাশয় ক্যানসার-সংক্রান্ত রাজ্য ও ফেডারেল আদালতের প্রায় ৯৫ শতাংশ মামলার প্রতিনিধিত্বকারী আইনজীবী প্রতিষ্ঠানগুলোর সম্মতি প্রয়োজন।

এরিক হাস আরও বলেন, আদালতে অধিকাংশ মামলায় কোম্পানি ইতোমধ্যেই ইতিবাচক ফল পেয়েছে এবং আইনি লড়াই চালিয়ে গেলে শেষ পর্যন্ত জয়ের ব্যাপারেও তারা আত্মবিশ্বাসী ছিলেন। তারপরও এই সমঝোতার মাধ্যমে বিতর্কের ইতি টেনে জীবনরক্ষাকারী ওষুধ ও চিকিৎসা প্রযুক্তি উন্নয়নে আরও বেশি মনোযোগ দিতে চায় প্রতিষ্ঠানটি।

জনসন অ্যান্ড জনসনের সাবেক কনজিউমার হেলথ ইউনিট ‘কেনভিউ’ বর্তমানে উত্তর আমেরিকার বাইরে জনসনের বেবি পাউডারের দায়ভার বহন করছে। ২০২২ সালে এই ব্যবসাটি আলাদা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলা হয়।

ট্যাল্কযুক্ত বেবি পাউডার নিয়ে জনসন অ্যান্ড জনসনের বিরুদ্ধে মামলা শুরু হয় ২০০৯ সালের দিকে। চলতি জুলাইয়ের শুরুতে একটি ফেডারেল আদালত বাদীদের দাবি প্রমাণের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে কোম্পানির পক্ষে একটি গুরুত্বপূর্ণ রায় দেয়।

ট্যাল্ক হলো ম্যাগনেসিয়াম, সিলিকন, অক্সিজেন ও হাইড্রোজেনের সমন্বয়ে গঠিত একটি প্রাকৃতিক খনিজ, যা মসৃণ ও নরম বৈশিষ্ট্যের কারণে দীর্ঘদিন ধরে বেবি পাউডারে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। তবে বাদীদের অভিযোগ, খননের সময় অ্যাসবেসটসের দূষণের কারণে ট্যাল্কযুক্ত পণ্যে ক্যানসারের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

যদিও জনসন অ্যান্ড জনসন এসব অভিযোগ বারবার অস্বীকার করেছে। কোম্পানির দাবি, বিভিন্ন গবেষণায় তাদের ব্যবহৃত ট্যাল্ক নিরাপদ বলে প্রমাণিত হয়েছে এবং এতে অ্যাসবেসটসের উপস্থিতি কিংবা ক্যানসার সৃষ্টির কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

২০২২ সালে প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বজুড়ে ট্যাল্কভিত্তিক বেবি পাউডারের উৎপাদন ও বিক্রি বন্ধ করার ঘোষণা দেয়। সে সময় তারা জানায়, বৈশ্বিক পণ্য কৌশলের অংশ হিসেবে কর্নস্টার্চ-ভিত্তিক বেবি পাউডারে সম্পূর্ণভাবে রূপান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিবিসি

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!