শনিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৫

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: আগস্ট ৩০, ২০২৫, ০২:২৭ পিএম

গাজা শহর দখলে গিয়ে সংঘর্ষ, নিহত ‘ইসরায়েলি’ সেনা

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: আগস্ট ৩০, ২০২৫, ০২:২৭ পিএম

দুই ‘ইসরায়েলি’ সেনা। ছবি- সংগৃহীত

দুই ‘ইসরায়েলি’ সেনা। ছবি- সংগৃহীত

ফিলিস্তিনের গাজার আল-জেইতুন এলাকায় তীব্র সংঘর্ষে এক ‘ইসরায়েলি’ সেনা নিহত এবং ১১ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া নিখোঁজ রয়েছেন চার সেনা। শনিবার বার্তা সংস্থা আনাদোলু এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, শুক্রবার রাত থেকে গাজা শহরের বিভিন্ন এলাকায় বিমান হামলা ও ভারী গোলাবর্ষণের মধ্যে তীব্র লড়াই চলছে। ‘ইসরায়েলি’ গণমাধ্যমের তথ্যমতে, গাজা শহর দখলের চেষ্টা করছে ‘ইসরায়েলি’ সেনারা। ‘ইসরায়েলি’ চ্যানেল আই২৪ জানিয়েছে, সেনারা অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে প্রবল প্রতিরোধের মুখে পড়ে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কিছু প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, সংঘর্ষের মধ্যে কয়েকজন সেনা নিহত হয়েছেন। তবে ‘ইসরায়েল’র সরকারি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেনি। ‘ইসরায়েলি’ সংবাদমাধ্যমগুলো এই সংঘর্ষকে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের পর থেকে অন্যতম ভয়াবহ হিসেবে অভিহিত করেছে।

‘ইসরায়েলি’ গণমাধ্যমগুলো বলছে, নিখোঁজ সেনাদের মধ্যে কয়েকজন হামাসের হাতে বন্দি হতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

হামাসের সামরিক শাখা আল-কাসসাম ব্রিগেড টেলিগ্রামে লিখেছে, ‘যারা ভুলে গেছে তাদের মনে করিয়ে দিই—মৃত্যু অথবা বন্দিত্ব।’

সংঘর্ষের এলাকায় তীব্র গোলাগুলি ও হেলিকপ্টার টহলের কারণে ধারণা করা হচ্ছে, ‘ইসরায়েলি’ সেনারা ‘হ্যানিবল প্রোটোকল’ সক্রিয় করেছে। এই বিতর্কিত কৌশলটির লক্ষ্য হলো সেনাদের বন্দি হওয়া ঠেকানো।

এর আগে বৃহস্পতিবার আল-কাসসাম ব্রিগেডের মুখপাত্র আবু উবাইদা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “গাজা দখলে ‘ইসরায়েল’র পরিকল্পনা তেল আবিবের রাজনৈতিক ও সামরিক নেতৃত্বের জন্য ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনবে।” তিনি সতর্ক করে বলেন, “যুদ্ধ পরিস্থিতি ‘ইসরায়েলি’ সেনাদের বন্দি হওয়ার ঝুঁকি আরও বাড়াবে।।”

আবু উবাইদা আরও জানান, “‘ইসরায়েলি’ বন্দিরা গাজায় ফিলিস্তিনি যোদ্ধাদের মতো একই ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতে থাকবে। কোনো জিম্মি নিহত হলে তাদের নাম, ছবি ও মৃত্যুসনদ প্রকাশ করা হবে।”

চলমান আক্রমণ ‘ইসরায়েলের’ ‘অপারেশন গিদিওন ২’-এর অংশ, যা ২১ আগস্ট দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ অনুমোদন দেন। দুই সপ্তাহ আগে আল-জেইতুন এলাকা থেকে শুরু হওয়া এ অভিযান এখন সাবরা পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে। ‘ইসরায়েল’ ইতোমধ্যেই এলাকাটিকে ‘অত্যন্ত বিপজ্জনক যুদ্ধাঞ্চল’ হিসেবে ঘোষণা করেছে এবং বৃহস্পতিবার ভোর থেকে বোমাবর্ষণ আরও বাড়িয়েছে।

২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত ‘ইসরায়েলি’ হামলায় গাজায় নিহত হয়েছে ৬৩ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি। অব্যাহত সামরিক অভিযানে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে পুরো উপত্যকা, যেখানে ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ চলছে।

গত নভেম্বরে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) গাজায় যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ‘ইসরায়েলি’ প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এবং সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়াভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। এ ছাড়া গাজায় গণহত্যার অভিযোগে ‘ইসরায়েল’ আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) মামলার মুখোমুখি হয়েছে।

Link copied!