শনিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৫

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: আগস্ট ৩০, ২০২৫, ০৩:১০ পিএম

জাপানে ‘টাইফুন’ ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করবে যুক্তরাষ্ট্র, টার্গেট কি চীন-রাশিয়া

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: আগস্ট ৩০, ২০২৫, ০৩:১০ পিএম

জাপান যুক্তরাষ্ট্র যৌথ সামরিক মহড়ার ফাইল ফুটেজ। ছবি- সংগৃহীত

জাপান যুক্তরাষ্ট্র যৌথ সামরিক মহড়ার ফাইল ফুটেজ। ছবি- সংগৃহীত

আগামী সেপ্টেম্বর মাসে টোকিওতে অনুষ্ঠিত হবে জাপান-যুক্তরাষ্ট্র যৌথ সামরিক মহড়া। এতে যুক্তরাষ্ট্রকে ‘টাইফুন’ নামের মধ্যম পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের অনুমতি দিয়েছে টোকিও। বিষয়টিকে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি হিসেবে দেখছে রাশিয়া, চীন।  পৃথক বিবৃতিতে দু’দেশেই টোকিওকে সিদ্ধান্তটিতে পুনর্বিবেচনার আহবান জানিয়েছে।

এ বিষয়ে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা বলেন, জাপানে বা রাশিয়ার কাছাকাছি এলাকায় টাইফুন ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করা মস্কোর জন্য সরাসরি কৌশলগত হুমকি। রুশ সরকারি সংবাদমাধ্যম তাসে প্রকাশিত মন্তব্যে জাখারোভা জানান, মস্কো লক্ষ করছে, জাপান দ্রুত সামরিকীকরণের পথে হাঁটছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াচ্ছে। একে আমরা অস্থিতিশীল করার আরেকটি পদক্ষেপ হিসেবে দেখি। ’

রুশ মুখপাত্র সতর্ক করে বলেন, যদি জাপান টাইফুন ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের সিদ্ধান্ত না বদলায়, তবে রাশিয়া ‘উপযুক্ত সামরিক প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা’ নিতে বাধ্য হবে। তিনি আরও বলেন, এ অঞ্চলের পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে তার সম্পূর্ণ দায়ভার জাপানকেই বহন করতে হবে।

এদিকে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুয়ো জিয়াকুন একই দিন বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের উচিত আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতায় ভূমিকা রাখা, উল্টো তা নষ্ট না করা, এমনকি ক্ষেপণাস্ত্র সাময়িকভাবে মোতায়েন করে হলেও।

চীনা মুখপাত্র আরও বলেন, ‘আমরা জাপানকে আহ্বান জানাই, তার আগ্রাসনের ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিতে, শান্তিপূর্ণ উন্নয়নের পথে চলতে, সামরিক ও নিরাপত্তা বিষয়ে সতর্ক থাকতে এবং এশিয়ার প্রতিবেশী দেশ ও আন্তর্জাতিক সমাজের আস্থা আরও হারানো থেকে বিরত থাকতে।’

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, টাইফুন ব্যবস্থা মূলত ওয়াশিংটনের সেই পরিকল্পনার অংশ, যার মাধ্যমে এশিয়ায় বিভিন্ন ধরনের জাহাজবিধ্বংসী অস্ত্র মোতায়েন করা হচ্ছে। ২০২৪ সালে প্রথমবার ফিলিপাইনে সামরিক প্রশিক্ষণ মহড়ায় এ ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করা হলে চীন তখনই কড়া প্রতিক্রিয়া জানায়। এরপর ম্যানিলা ঘোষণা করে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের এই স্থলভিত্তিক ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থা কিনবে। ক্ষেপণাস্ত্রটির পাল্লা প্রায় ৪৮০ কিলোমিটার (৩০০ মাইল)। তবে এর দীর্ঘপাল্লার সংস্করণও তৈরি করা হচ্ছে।

জাপানের ‘গ্রাউন্ড সেলফ–ডিফেন্স ফোর্স’–এর একজন মুখপাত্র রয়টার্সকে জানান, টাইফুন ক্ষেপণাস্ত্রগুলো রাখা হবে হনশু দ্বীপের আইওয়াকুনি শহরের যুক্তরাষ্ট্রের মেরিন বিমানঘাঁটিতে। এটি টোকিও থেকে প্রায় ৮৯০ কিলোমিটার (৫৫৩ মাইল) পশ্চিমে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!