× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১৭, ২০২৫, ১০:১৬ পিএম

ট্রাম্পের প্রতি মানুষের বাড়ছে অসন্তোষ

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১৭, ২০২৫, ১০:১৬ পিএম

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি- সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি- সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অর্থনৈতিক নেতৃত্ব নিয়ে আমেরিকানদের অসন্তোষ আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেড়েছে। পিবিএস নিউজ/এনপিআর/মেরিস্টের এক নতুন জরিপে দেখা গেছে, অর্থনীতি পরিচালনার ক্ষেত্রে ট্রাম্প তার রাজনৈতিক জীবনের সর্বনিম্ন অনুমোদন রেটিং পেয়েছেন।

জরিপ অনুযায়ী, ৫৭ শতাংশ আমেরিকান মনে করেন ট্রাম্প অর্থনীতি ভালোভাবে পরিচালনা করছেন না। বিপরীতে মাত্র ৩৬ শতাংশ বলেছেন, তিনি ভালো কাজ করছেন, যা তার দুই মেয়াদের মধ্যে সর্বনিম্ন। একসময় যেটিকে ট্রাম্পের অন্যতম বড় শক্তি হিসেবে দেখা হতো, সেই অর্থনীতিই এখন তার জন্য দুর্বলতায় পরিণত হয়েছে।

অর্থনীতিতে এই অসন্তোষের প্রভাব পড়েছে ট্রাম্পের সামগ্রিক জনপ্রিয়তায়ও। জরিপে দেখা যায়, মাত্র ৩৮ শতাংশ আমেরিকান মনে করেন তিনি প্রেসিডেন্ট হিসেবে ভালো কাজ করছেন, যা তার প্রথম মেয়াদ শেষ হওয়ার পর থেকে সর্বনিম্ন হার।

ম্যারিস্ট ইনস্টিটিউট ফর পাবলিক ওপিনিয়নের পরিচালক লি মিরিংফ বলেন, ‘এটি তার জন্য বড় সমস্যা। মানুষের মনে যখন ক্রয়ক্ষমতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে, তখন এর দায় শেষ পর্যন্ত দেশের প্রধান নির্বাহীর ওপরই পড়ে।’

জরিপে আরও উঠে এসেছে, প্রতি ১০ জনে ৭ জন আমেরিকান জানিয়েছেন তাদের এলাকায় জীবনযাত্রার ব্যয় অসহনীয়। এর মধ্যে প্রায় অর্ধেক রিপাবলিকান ভোটার এবং তিন-চতুর্থাংশ স্বাধীন ভোটারও রয়েছেন। মাত্র ৩ জন মনে করেন জীবনযাত্রার ব্যয় সহনীয়, যা জুন মাসের তুলনায় ২৫ শতাংশ পয়েন্ট কম।

দ্য কুক পলিটিক্যাল রিপোর্টের সম্পাদক অ্যামি ওয়াল্টার বলেন, ‘এই পরিস্থিতি যত দীর্ঘ হবে, এই পরিসংখ্যান ঘুরিয়ে আনা তত কঠিন হবে। একসময় এটি স্বয়ংসম্পূর্ণ এক চক্রে পরিণত হয়, মানুষ আস্থা হারায় এবং ধরে নেয়, দাম কেবল বাড়তেই থাকবে।’

উল্লেখ্য, অর্থনৈতিক অসন্তোষ ট্রাম্পের পূর্বসূরি প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকেও ভুগিয়েছিল। ২০২২ সালের শুরুতে যখন মুদ্রাস্ফীতি চরমে পৌঁছায়, তখন বাইডেনের অর্থনৈতিক অনুমোদন নেমে আসে ৩৬ শতাংশে। মেয়াদের শেষ দিকে কিছুটা উন্নতি হলেও সেই ক্ষতি পুরোপুরি পুষিয়ে ওঠেনি।

২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্প ভোটারদের অর্থনৈতিক অসন্তোষকে পুঁজি করে ফের হোয়াইট হাউসে ফেরেন। তবে এখন সেই একই অসন্তোষ আগামী বছরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের জন্য বড় ঝুঁকি হয়ে উঠতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

অর্থনৈতিক ইস্যুতে নিবন্ধিত ভোটারদের মধ্যে ডেমোক্র্যাটরা রিপাবলিকানদের তুলনায় এগিয়ে রয়েছে। জরিপে ৪০ শতাংশ ভোটার মনে করেন ডেমোক্র্যাটরা অর্থনীতি ভালোভাবে সামলাতে পারবে, যেখানে রিপাবলিকানদের পক্ষে রয়েছে ৩৫ শতাংশ। স্বাধীন ভোটারদের মধ্যে ডেমোক্র্যাটরা ১১ পয়েন্টে এগিয়ে, যদিও ত্রুটির মার্জিন ৬.২ শতাংশ।

এটি ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরের চিত্রের সম্পূর্ণ উল্টো। সে সময় মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে রিপাবলিকানরা সামগ্রিকভাবে অর্থনীতিতে ভোটারদের সঙ্গে ১৫ পয়েন্ট এবং স্বাধীনদের মধ্যে ২৩ পয়েন্টে এগিয়ে ছিল।

বর্তমানে হোয়াইট হাউস ও কংগ্রেসের উভয় কক্ষ রিপাবলিকানদের নিয়ন্ত্রণে থাকায়, ‘বাইডেনের অর্থনীতিকে দোষ দেওয়া এখন আর সহজ নয়,’ বলেন মিরিংফ।

তবে বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটরা তুলনামূলক ভালো অবস্থানে থাকলেও তাদের সমর্থন এখনো পুরোপুরি সুসংহত হয়নি। ক্রয়ক্ষমতা ও জীবনযাত্রার ব্যয়ের বিষয়টি তারা আগের মতোই প্রচারের কেন্দ্রবিন্দুতে রাখতে চাইবে। মিরিংফের ভাষায়, ‘এখানেই হয়তো এক-দুটি আঘাত করবে, পিছু হটবে, আর আশা করবে প্রতিপক্ষ নিজেই ভেঙে পড়বে।’

Link copied!