তাইওয়ানের রাজধানী তাইপেইয়ের ব্যস্ত শপিং জোনে গতকাল শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটেছে। এতে কমপক্ষে চারজন নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। হামলাকারী পুলিশের ধাওয়ার সময় একটি ভবন থেকে পড়ে নিহত হন।
এক প্রতিবেদনে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান।
এ ঘটনার পর শহরের মেয়র চিয়াং ওয়ান-আনের জানান, তাইপেই মেইন স্টেশনের ভেতরে হামলা থামাতে গিয়ে একজন নিহত হয়েছেন।
সন্দেহভাজন হামলাকারী ছিলেন ২৭ বছর বয়সী এক পুরুষ, যিনি আগে তাইওয়ানের বিমান বাহিনীতে স্বেচ্ছাসেবক সৈনিক হিসেবে কাজ করতেন। তবে ২০২২ সালে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছিল।
প্রধানমন্ত্রী চো জং-তাই জানিয়েছেন, হামলাকারীর অপরাধমূলক রেকর্ড ছিল এবং তার বিরুদ্ধে আগে থেকে মামলা ও পরোয়ানা ছিল।
হামলার সময় হামলাকারী প্রথমে ধোঁয়াটে গ্রেনেড ব্যবহার করে মেইন স্টেশনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন। পরে তিনি নিকটস্থ ঝোংশান এলাকায় প্রবেশ করে সাধারণ মানুষের উপর ছুরি দিয়ে এলোমেলোভাবে হামলা চালান।
স্থানীয়দের তোলা ভিডিওতে দেখা গেছে, তার হাতে ধোঁয়া গ্রেনেড ও বড় ছুরি ছিল।
এক ফাস্ট ফুড রেস্তোরাঁর কর্মীরা জানান, ধোঁয়া এবং চিৎকারের কারণে মানুষ রেস্তোরাঁয় ঢুকে আশ্রয় নিয়েছিলেন।
তাইওয়ানে সাধারণভাবে সহিংস অপরাধ বিরল হলেও মেট্রোতে গত কয়েক বছরে ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটেছে। ২০১৪ সালে তাইপেই মেট্রোতে এক কলেজ ছাত্র চারজনকে হত্যা করে এবং ২০ জনেরও বেশি আহত করে।
তাইওয়ানের রাষ্ট্রপতি লাই চিং-তে বলেছেন, দেশজুড়ে নিরাপত্তা জোরদার করা হবে এবং কোনো ধরণের নমনীয়তা থাকবে না।

সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন