ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

টাইম ম্যাগাজিনের ১০০ প্রভাবশালীর তালিকায় বালেন্দ্র শাহ

বিশ্ব ডেস্ক
প্রকাশিত: এপ্রিল ১৬, ২০২৬, ০২:৪৯ পিএম
নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ । ছবি : সংগৃহীত

নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ (বালেন) ২০২৬ সালের বিশ্বের ১০০ জন প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় স্থান পেয়েছেন। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম টাইম ম্যাগাজিন প্রকাশিত ‘টাইম ১০০ মোস্ট ইনফ্লুয়েনশিয়াল পিপল অব ২০২৬’ তালিকায় তাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

টাইম ম্যাগাজিন তাকে বিশ্বের প্রভাবশালী রাজনীতিবিদ, শিল্পী ও চিন্তাবিদদের পাশাপাশি ‘লিডারস’ (নেতা) বিভাগে স্থান দিয়েছে। ৩৬ বছর বয়সি শাহকে ম্যাগাজিনটি ‘সাবেক হিপ-হপ তারকা’ এবং নেপালের ইতিহাসে ‘সর্বকনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী’ হিসেবে উল্লেখ করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুবসমাজের ব্যাপক সমর্থন এবং পুরোনো রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি অসন্তোষের প্রেক্ষাপটে ৫ মার্চ অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে তিনি এক নজরকাড়া বিজয় অর্জন করেন।

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক শাহ কাঠমান্ডুর মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে যে সংস্কার বাস্তবায়ন করেছিলেন, এখন তিনি সেগুলো জাতীয় পর্যায়ে সম্প্রসারণের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি।

তার এই উত্থানকে দক্ষিণ এশিয়ার প্রোথিত বংশানুক্রমিক রাজনীতির বিরুদ্ধে একটি বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী শাহের পাশাপাশি এ বছরের তালিকায় আরও বহু প্রভাবশালী বিশ্বনেতা ও বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব স্থান পেয়েছেন। রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে রয়েছেন মার্কিন নেতা ডোনাল্ড ট্রাম্প, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, পোপ লিও চতুর্দশ, মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লডিয়া শেইনবাম, মার্ক কার্নি এবং বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।

ব্যবসা ও প্রযুক্তি খাতে রয়েছেন গুগলের সুন্দর পিচাই, বিলিয়নিয়ার মাইকেল ডেল, ডেভিড এলিসন এবং স্পেসএক্সের গুইন শটওয়েল। শিল্প ও বিনোদন অঙ্গনে স্থান পেয়েছেন বলিউড অভিনেতা রণবীর কাপুর, হলিউড অভিনেত্রী জো সালডানা, ডাকোটা জনসন, কেকি পামার, বেনিসিও দেল তোরো এবং জনপ্রিয় গায়ক লিউক কম্বস।

এ ছাড়া ক্রীড়া জগত থেকে স্কটি শেফলার, হিলারি নাইট, ল্যান্ডো নরিস এবং সোশ্যাল মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ‘মিস্টারবিস্ট’ তালিকায় রয়েছেন। উদ্ভাবন ও ধারণা বিভাগে স্থান পেয়েছেন ডারিও আমোদি, নিকি গ্লেজার এবং বিকাশ খান্না।

টাইম ম্যাগাজিনে প্রকাশিত নিবন্ধে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘বালেনের উত্থান শুধু নেপালের ৩০ মিলিয়ন মানুষের নেতৃত্বের প্রতীক নয়, এটি পুরোনো রাজনৈতিক ধারা থেকে সম্পূর্ণ সরে আসার একটি শক্তিশালী বার্তাও বহন করে।’