× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: মে ১১, ২০২৬, ০১:০৯ পিএম

মন্ত্রী না হলে সাক্ষাৎ নয়, ভারতকে কড়া বার্তা নেপালি প্রধানমন্ত্রীর

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: মে ১১, ২০২৬, ০১:০৯ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

ভারত ও নেপালের মধ্যে দীর্ঘদিনের সীমান্ত বিরোধ এবং রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির চীনমুখী নীতি এবং কালাপানি–লিম্পিয়াধুরা–লিপুলেখ অঞ্চল নিয়ে বিরোধের পর এখন প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহের কিছু সিদ্ধান্ত দুই দেশের সম্পর্ককে আরও জটিল করে তুলছে।

কয়েকটি সংবাদমাধ্যম বিশ্লেষণ করে এই প্রতিবেদনে ভারত–নেপালের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরা হলো।

নতুন এই বিতর্কের শুরু ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রীর নেপাল সফর ঘিরে। বলা হচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ ‘প্রটোকল বা মর্যাদার পার্থক্য’ দেখিয়ে ভারতের পররাষ্ট্র সচিবের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।

সূত্রমতে, তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নিচের পদমর্যাদার কোনো বিদেশি কর্মকর্তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে অনীহা প্রকাশ করেন। এরপর ভারতের পক্ষ থেকে মিশ্রীর প্রস্তাবিত সফর বাতিল করা হয়।

এই সফরের মাধ্যমে কৈলাস মানস সরোবর যাত্রা-সংক্রান্ত অচলাবস্থা এবং দ্বিপাক্ষিক অগ্রাধিকার বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা ছিল। একই সঙ্গে মিশ্রী নেপালের প্রধানমন্ত্রীকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানানোর পরিকল্পনাও ছিল।

এদিকে গত সপ্তাহে জাতিসংঘের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গোর নেপাল সফরে এসে পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানাল এবং অর্থমন্ত্রী স্বর্ণিম ওয়াগলের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

এ ছাড়া এর আগে বালেন্দ্র শাহ মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. পল কাপুরের সঙ্গে সাক্ষাৎ না করার বিষয়টিও আলোচনায় আসে।

বর্তমান অচলাবস্থা সত্ত্বেও ভারত আন্তর্জাতিক বিগ ক্যাট অ্যালায়েন্স (আইবিসিএ) সম্মেলনে অংশ নিতে নেপাল সরকারকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে। আগামী জুলাইয়ে নয়াদিল্লিতে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

ভারত আগামী ১ জুন থেকে এই সম্মেলনের আয়োজন করছে বলে জানানো হয়েছে। ফলে এই সম্মেলনে নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানালের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়েও আলোচনা চলছে, তবে এখনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ আসেনি।

ভারত ও চীন সম্প্রতি কৈলাস মানস সরোবর যাত্রা পুনরায় শুরু করতে সম্মত হয়েছে। তবে নেপাল এই রুট নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে।

নেপালের দাবি, যাত্রাটি লিপুলেখ গিরিপথসহ এমন অঞ্চলের মধ্য দিয়ে যায়, যা ১৮১৬ সালের সুগৌলি চুক্তি অনুযায়ী তাদের ভূখণ্ডের অংশ।

অন্যদিকে ভারত এই দাবি প্রত্যাখ্যান করে বলেছে, লিপুলেখ অঞ্চল ভারতের সীমানার মধ্যেই অবস্থিত এবং নেপালের দাবি ‘অযৌক্তিক ও একতরফা সম্প্রসারণমূলক’।

এ বিষয়ে নেপালের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লোক বাহাদুর ছেত্রী বলেন, ‘লিপুলেখ এবং কৈলাস মানস সরোবর যাত্রা নিয়ে আমাদের অবস্থান স্পষ্ট। আমরা এ বিষয়ে কূটনৈতিকভাবে সমাধানে আগ্রহী।’

Link copied!