দিল্লির চন্দন পার্কে নিজ ফ্ল্যাট থেকে এক গৃহবধূ ও তার তিন শিশুকন্যার গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গত মঙ্গলবার রাতের এই পৈশাচিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এলাকাজুড়ে চরম আতঙ্ক ও চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত স্বামী পলাতক রয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাতে ওই ফ্ল্যাটের দরজার নিচ দিয়ে রক্তের ধারা বেরিয়ে আসতে দেখেন এক প্রতিবেশী। সন্দেহ হওয়ায় তিনি সাহসে ভর দিয়ে ঘরের ভেতরে উঁকি দেন। ভেতরে প্রবেশ করতেই তার রক্ত হিম করা অবস্থা হয়। তিনি দেখেন, পুরো ঘর রক্তে ভাসছে এবং চারজনের নিথর দেহ সেখানে পড়ে আছে। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে এবং পুলিশে খবর দেয়।
নিহত গৃহবধূর নাম অনীতা। তার সঙ্গে প্রাণ হারিয়েছে তার তিন অবুঝ কন্যাসন্তান। নিহত শিশুরা হলো: বড় মেয়ে- ৭ বছর, মেজো মেয়ে- ৫ বছর, ছোট মেয়ে- ৩ বছর।
খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দিল্লি পুলিশের অপরাধ দমন শাখা ও ফরেনসিক বিশেষজ্ঞদের একটি দল। আলামত সংগ্রহের পাশাপাশি মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য স্থানীয় হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে দিল্লি পুলিশ।
পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, পারিবারিক কলহ বা অন্য কোনো গোপন কারণে অভিযুক্ত স্বামীই এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে পালিয়েছেন। ঘাতককে ধরতে এরই মধ্যে শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে এবং তল্লাশি অভিযান জোরদার করা হয়েছে।

