× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: মার্চ ১৯, ২০২৬, ০৭:০১ পিএম

বড় ধরনের ঝুঁকিতে দেশের বিদ্যুৎ ও শিল্প উৎপাদন

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: মার্চ ১৯, ২০২৬, ০৭:০১ পিএম

ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক সংঘাতের জেরে দেশের জ্বালানি খাতে অনিশ্চয়তা বাড়ছে, যা বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শিল্পকারখানার কার্যক্রমে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশেষ করে কাতারের রাস লাফান শিল্পনগরীতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

জানা গেছে, বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) প্রক্রিয়াজাতকরণ ও রপ্তানি কেন্দ্র এই রাস লাফান থেকে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে গ্যাস সরবরাহ করা হয়। কিন্তু সাম্প্রতিক হামলার কারণে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় সরবরাহ শৃঙ্খলে বড় ধরনের বিঘ্ন দেখা দেওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

জ্বালানি খাত বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশ তার মোট এলএনজি আমদানির প্রায় ৭০ শতাংশ কাতার থেকে সংগ্রহ করে। ফলে কাতার থেকে সরবরাহ বন্ধ বা কমে গেলে দেশের গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে জ্বালানির ঘাটতি দেখা দিতে পারে। এতে করে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে যাওয়ার পাশাপাশি লোডশেডিং বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

একই সঙ্গে শিল্পখাতও পড়তে পারে বড় সংকটে। বিশেষ করে গ্যাসনির্ভর তৈরি পোশাক, সিরামিক, ইস্পাতসহ বিভিন্ন শিল্পকারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হতে পারে। এতে রপ্তানি আয় কমে যাওয়া এবং অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার শঙ্কা রয়েছে।

এদিকে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, দেশের নিজস্ব এলএনজি মজুত খুবই সীমিত, যা দিয়ে সর্বোচ্চ এক থেকে দুই সপ্তাহ পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব। এর মধ্যে বিকল্প উৎস থেকে গ্যাস আমদানির ব্যবস্থা না করা গেলে পরিস্থিতি আরও গুরুতর হয়ে উঠতে পারে।

সরকারি পর্যায়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা না এলেও, জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্টরা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন বলে জানা গেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানির উৎস বৈচিত্র্যময় করা এবং বিকল্প জ্বালানির ওপর নির্ভরতা বাড়ানো ছাড়া এ ধরনের ঝুঁকি মোকাবিলা করা কঠিন হবে।

সামগ্রিকভাবে, মধ্যপ্রাচ্যের এই অস্থিরতা বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তাকে নতুন করে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে এবং বিদ্যুৎ ও শিল্প খাতে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।

Link copied!