× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৮, ২০২৬, ০৫:১২ পিএম

চীনের সঙ্গে হাত মিলিয়ে ট্রাম্পকে কড়া বার্তা কানাডার

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৮, ২০২৬, ০৫:১২ পিএম

চুক্তির পর দুদেশের প্রতিনিধির করমর্দন। ছবি : সংগৃহীত

চুক্তির পর দুদেশের প্রতিনিধির করমর্দন। ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের ওপর একক নির্ভরতা কমিয়ে চীনের সঙ্গে বড় ধরনের বাণিজ্যিক চুক্তিতে আবদ্ধ হয়েছে কানাডা, যা দেশটির পররাষ্ট্রনীতিতে এক ঐতিহাসিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি এই চুক্তিকে বাস্তববাদী পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করে জানিয়েছেন, বিশ্ব যেভাবে চলছে কানাডা সেভাবেই এগিয়ে যাবে।

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) ঘোষিত এই চুক্তির আওতায় কানাডা চীনা বৈদ্যুতিক যানবাহনের (ইভি) ওপর আরোপিত শুল্ক কমিয়ে আনবে। এর বিনিময়ে চীনও কানাডার কৃষি পণ্যের ওপর থেকে তাদের প্রতিশোধমূলক শুল্ক প্রত্যাহারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। কার্নির মতে, ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের চেয়ে চীনের সঙ্গে বর্তমান সম্পর্ক এখন অনেক বেশি ‘পূর্বাভাসযোগ্য’ বা স্থিতিশীল।

এই নতুন চুক্তির ফলে কানাডায় প্রতি বছর প্রথম ৪৯ হাজার চীনা বৈদ্যুতিক গাড়ির ওপর শুল্ক ১০০ শতাংশ থেকে কমিয়ে মাত্র ৬.১ শতাংশে নামিয়ে আনা হবে। আগামী পাঁচ বছরে এই কোটা ৭০ হাজারে উন্নীত হতে পারে। বিনিময়ে চীন আগামী ১ মার্চ থেকে কানাডিয়ান ক্যানোলা বীজের ওপর শুল্ক ৮৪ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশে আনবে। 

এ ছাড়া লবস্টার, কাঁকড়া ও মটরশুঁটির মতো পণ্যের ওপর থেকেও শুল্ক প্রত্যাহারের বিষয়ে বেইজিং সম্মতি জানিয়েছে। পাশাপাশি কানাডিয়ান নাগরিকদের জন্য ভিসা সংক্রান্ত কড়াকড়ি শিথিলের ঘোষণাও এসেছে এই চুক্তির মাধ্যমে।

কানাডার এই কূটনৈতিক মোড় পরিবর্তন নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। সাসকাচোয়ানের প্রিমিয়ার স্কট মো এই চুক্তিকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, এর ফলে শুল্কের চাপে থাকা কৃষকরা বড় ধরনের স্বস্তি পাবেন। তবে অন্টারিওর প্রিমিয়ার ডগ ফোর্ড এই সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছেন।

তার মতে, সস্তা চীনা বৈদ্যুতিক গাড়ি বাজারে প্রবেশের ফলে কানাডার নিজস্ব অটোমোবাইল শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং অনেক মানুষ কর্মসংস্থান হারাবে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতায় আসার পর যেভাবে কানাডীয় পণ্যের ওপর শুল্ক আরোপ করেছেন এবং উত্তর আমেরিকা মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (ইউএসএমসিএ) বাতিলের হুমকি দিয়েছেন, তার প্রেক্ষিতেই কানাডা বিকল্প হিসেবে চীনের দিকে ঝুঁকতে বাধ্য হয়েছে।

হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে এই চুক্তির বিষয়ে ভিন্ন ভিন্ন সুর শোনা গেছে। মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার এই চুক্তিকে ‘সমস্যাজনক’ বলে অভিহিত করলেও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। 

ট্রাম্প মন্তব্য করেছেন যে চীনের সঙ্গে চুক্তি করতে পারা একটি ভালো দিক। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ২০২৬ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো কার্যকর বাণিজ্য চুক্তি না হওয়ার যে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, তার আগাম প্রস্তুতি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি চীনের সঙ্গে এই সমঝোতা করেছেন। এর ফলে কানাডার গ্রাহকরা কম দামে উন্নত মানের বৈদ্যুতিক গাড়ি পাওয়ার সুযোগ পেলেও দেশীয় শিল্প ও দীর্ঘদিনের মার্কিন সম্পর্কের ওপর এর প্রভাব নিয়ে বিতর্ক রয়েই যাচ্ছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!