× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৭, ২০২৬, ০৭:০৭ পিএম

যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ভিসা স্থগিতে যেসব সমস্যায় বাংলাদেশিরা

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৭, ২০২৬, ০৭:০৭ পিএম

যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ভিসা স্থগিতে বিপাকে পড়েছেন বাংলাদেশিরা। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ভিসা স্থগিতে বিপাকে পড়েছেন বাংলাদেশিরা। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ভিসা কার্যক্রম স্থগিত থাকায় দীর্ঘদিন ধরে যারা পরিবারের সদস্যদের নেওয়ার অপেক্ষায় ছিলেন, তাদের অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে। এ সিদ্ধান্তে যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী বাংলাদেশিদের বহু পারিবারিক ও ব্যক্তিগত পরিকল্পনা স্থবির হয়ে পড়েছে। কবে নাগাদ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে, সে বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা না থাকায় প্রবাসীদের মধ্যে উদ্বেগ ও মানসিক চাপ বাড়ছে।

এমনকি যেসব বাংলাদেশি বৈধভাবে গ্রিন কার্ড বা মার্কিন নাগরিকত্ব পেয়েছেন, তাদের মধ্যেও আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। কারণ ট্রাম্প প্রশাসন পুরোনো গ্রিন কার্ড ও নাগরিকত্ব পুনর্মূল্যায়নের ঘোষণাও দিয়েছে, যা অভিবাসীদের নিরাপত্তাবোধকে আরও দুর্বল করেছে।

মার্কিন প্রশাসনের এই কঠোর অবস্থানের পেছনে ‘পাবলিক চার্জ’ নীতিকে প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে। এই নীতির আওতায় অভিবাসীরা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের পর সরকারি সহায়তা বা জনকল্যাণমূলক সুবিধার ওপর নির্ভরশীল হলে তা নেতিবাচকভাবে বিবেচিত হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। তাদের মতে, এতে দেশটির অর্থনীতির ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে।

তথ্যানুসারে, বাংলাদেশিদের একটি বড় অংশ এই ধরনের সুবিধা গ্রহণ করে। এখন থেকে যারা নতুন করে আসতে চাইবেন, তাদের আর্থিক সামর্থ্যের বিষয়টি অত্যন্ত কড়াভাবে যাচাই করা হবে। যারা আগে স্পন্সর করে আত্মীয়-স্বজনদের এনেছেন এবং তারা যদি সরকারি সুবিধা ভোগ করে থাকেন, সেই দায়ভার এখন স্পন্সরের ওপর আসার সম্ভাবনা রয়েছে। পর্যাপ্ত আয় না থাকলে বা সরকারি সহায়তার ওপর নির্ভরশীল হওয়ার ঝুঁকি থাকলে এখন আর ভিসা পাওয়া সম্ভব হবে না।

এ অবস্থায় পড়াশোনার উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে পরবর্তীতে স্থায়ী হওয়ার পরিকল্পনাও জটিল হয়ে উঠেছে। পড়াশোনা শেষে চাকরি খোঁজার জন্য যে সময়সীমা বা সুযোগ আগে পাওয়া যেত, তা এখন আরও সীমিত ও কঠোর প্রক্রিয়ার মধ্যে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

যারা স্ট্যাটাস পরিবর্তন করে গ্রিন কার্ডের আবেদন করেছেন, ভিসা স্থগিতের কারণে তাদের দীর্ঘ সময় অনিশ্চয়তায় কাটাতে হবে। এছাড়া, যারা বর্তমানে গ্রিন কার্ডধারী কিন্তু ছুটিতে বাংলাদেশে আসতে চান, তারাও এখন দেশে ফিরতে দ্বিধাবোধ করছেন। কারণ একবার দেশ ছাড়লে বর্তমান পরিস্থিতিতে পুনরায় যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে কোনো আইনি জটিলতায় পড়তে হয় কিনা, সেই ভয় তাদের তাড়া করে ফিরছে।

এই স্থগিতাদেশ মূলত অভিবাসন বা ইমিগ্রেন্ট ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। তবে পর্যটন, ব্যবসায়িক ভ্রমণ ও শিক্ষার্থীদের জন্য প্রযোজ্য নন-ইমিগ্রেন্ট ভিসাগুলো এই তালিকার বাইরে রাখা হয়েছে। 

অর্থাৎ, সাধারণ দর্শনার্থী বা বর্তমান শিক্ষার্থীদের চলাচলে এখন পর্যন্ত কোনো সরাসরি নিষেধাজ্ঞা নেই। তবে তালিকাভুক্ত দেশগুলোর নাগরিকরা ভিসার জন্য আবেদন বা সাক্ষাৎকার দিতে পারলেও, স্থগিতাদেশ চলাকালীন তাদের অনুকূলে কোনো নতুন অভিবাসন ভিসা ইস্যু করা হবে না। এছাড়া দক্ষ কর্মীদের জন্য এইচ-ওয়ানবি ভিসার খরচও আগের চেয়ে কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা বৈধ পথে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের সুযোগকে আরও সংকুচিত করেছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!