ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপ নিয়ে আবারও কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত সপ্তাহে ইরানে হামলার পরিকল্পনা থেকে সরে এলেও এখনো তার সহযোগীদের বিকল্প সামরিক অভিযানের জন্য চাপ দিচ্ছেন ট্রাম্প, যেগুলোকে তিনি ‘চূড়ান্ত’ বা ‘নির্ণায়ক’ বলে অভিহিত করছেন।
মার্কিন কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, সম্প্রতি ইরানের ভেতরে সরকারবিরোধী আন্দোলন দমন করতে গিয়ে হাজারো মানুষ নিহত হয়েছেন এবং তেহরান তার দমনপীড়ন আরও বাড়িয়েছে।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে এ তথ্য তুলে ধরা হয়।
এই প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক তৎপরতাও জোরদার হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে যুদ্ধবিমান পাঠিয়েছে অঞ্চলটিতে এবং একটি বিমানবাহী রণতরীও ওই অঞ্চলের উদ্দেশে রওনা হয়েছে। কর্মকর্তারা বলছেন, এই মোতায়েন ভবিষ্যতে আরও বড় সামরিক সমাবেশের সূচনা হতে পারে, যা প্রয়োজনে ইরানের বিরুদ্ধে হামলার সক্ষমতা তৈরি করবে।
মার্কিন কর্মকর্তারা বলছেন, ট্রাম্প একাধিকবার ‘চূড়ান্ত’ শব্দটি ব্যবহার করে ইরানের বিরুদ্ধে যেকোনো পদক্ষেপের ফলাফল কী হওয়া উচিত, সে বিষয়ে নিজের প্রত্যাশা স্পষ্ট করেছেন। এই শব্দচয়ন পেন্টাগন ও হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তাদের নতুন করে বিভিন্ন বিকল্প সাজাতে উদ্বুদ্ধ করেছে।
আলোচ্য বিকল্পগুলোর মধ্যে কিছু এমনও রয়েছে, যেগুলোর লক্ষ্য হতে পারে ইরানের শাসন ব্যবস্থাকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেওয়া। পাশাপাশি তুলনামূলক সীমিত পরিসরের পদক্ষেপ নিয়েও ভাবা হচ্ছে, যার মধ্যে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) স্থাপনায় হামলার মতো বিকল্প অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।

সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন