× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: এপ্রিল ২৫, ২০২৬, ০৩:০৯ পিএম

দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থী হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে কী কারণ

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: এপ্রিল ২৫, ২০২৬, ০৩:০৯ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার (ইউএসএফ) নিখোঁজ দুই বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থীর পরিণতি নিয়ে উদ্বেগ ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিখোঁজ জামিল লিমনের মরদেহ উদ্ধার করা হলেও অপর শিক্ষার্থী নাহিদা বৃষ্টির সন্ধান মেলেনি। তবে পুলিশ জানিয়েছে, নাহিদা আর বেঁচে নেই বলেই তাদের আশঙ্কা।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) ভোরে সেন্ট পিটার্সবার্গের হাওয়ার্ড ফ্র্যাঙ্কল্যান্ড ব্রিজের ওপর থেকে ২৭ বছর বয়সি পিএইচডি শিক্ষার্থী জামিল লিমনের মরদেহ উদ্ধার করে পিনেলাস কাউন্টি পুলিশ। এর পরপরই এই ঘটনায় প্রধান সন্দেহভাজন হিসেবে লিমনের রুমমেট হিশাম আবুঘারবিয়াকে চিহ্নিত করা হয়।

হিশামকে গ্রেপ্তারে পুলিশ একটি নাটকীয় অভিযান পরিচালনা করে। লিমনের মরদেহ উদ্ধারের কয়েক ঘণ্টা পর টেম্পার লেক ফরেস্ট এলাকায় হিশামের বাড়ির সন্ধান পায় পুলিশ। সেখানে সোয়াত (SWAT) টিমের উপস্থিতিতে দীর্ঘ ২০ মিনিটের ব্যারিকেড পরিস্থিতির পর হিশাম আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়। বর্তমানে সে পুলিশের হেফাজতে রয়েছে।

কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের শিক্ষার্থী নাহিদা বৃষ্টির বিষয়ে তার পরিবারকে অত্যন্ত বিমর্ষ বার্তা দিয়েছে পুলিশ। নাহিদার ভাই জাহিদ হাসান জানান, জামীল ও হিশামের অ্যাপার্টমেন্টে ‘বিপুল পরিমাণ রক্ত’ পাওয়া গেছে। তদন্ত কর্মকর্তাদের ধারণা, নাহিদাকে হত্যা করে তার দেহ ছিন্নভিন্ন করে ফেলা হয়েছে। যার ফলে তার মৃতদেহ খুঁজে পাওয়া অসম্ভব হয়ে পড়তে পারে। নাহিদাকে সর্বশেষ ১৬ এপ্রিল ইউএসএফ ক্যাম্পাসে দেখা গিয়েছিল।

হিশাম আবুঘারবিয়ার বিরুদ্ধে আপাতত পারিবারিক সহিংসতা, প্রমাণ লোপাট এবং মৃতদেহ বেআইনিভাবে সরিয়ে ফেলার মতো একাধিক অভিযোগ আনা হয়েছে। পুলিশের মতে, হিশাম একাই এই ঘটনা ঘটিয়েছে।

সাবেক এফবিআই এজেন্ট ও অপরাধ বিশেষজ্ঞ ড. ব্রায়ানা ফক্স ঘটনাটি বিশ্লেষণ করে জানান, অপরাধের আলামত যেভাবে টাম্পা বে এলাকার বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পাওয়া যাচ্ছে, তা দেখে মনে হয় এটি খুব বেশি পরিকল্পিত ছিল না; বরং তাড়াহুড়োর মধ্যে প্রমাণ নষ্ট করার চেষ্টা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, লিমনের মরদেহ জনবহুল হাওয়ার্ড ফ্র্যাঙ্কল্যান্ড ব্রিজের কাছে পাওয়া যাওয়াও রহস্যজনক। সাধারণত এ ধরনের ঘটনার পেছনে আর্থিক লেনদেন, ঈর্ষা বা তাৎক্ষণিক ঝগড়া কাজ করে। তার মতে, অভিযুক্তের অপরাধের ইতিহাস বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, তার মধ্যে হিংস্রতা দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে।

হিলসবরো কাউন্টি শেরিফ অফিস থেকে জানানো হয়েছে, তদন্ত এখনো চলছে। লিমনের মরদেহের ময়নাতদন্তের পর হিশামের বিরুদ্ধে আরও কঠোর অভিযোগ আনা হতে পারে। একইসাথে নাহিদার সন্ধানে পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!