× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৫, ০৯:৩৩ পিএম

চাপের কাছে নতিস্বীকার করে ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়া হচ্ছে: নেতানিয়াহু

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৫, ০৯:৩৩ পিএম

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু। ছবি- সংগৃহীত

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু। ছবি- সংগৃহীত

ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে বিভিন্ন দেশের স্বীকৃতি দেওয়ার পদক্ষেপকে ‘লজ্জাজনক’ বলে অভিহিত করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। শুক্রবার সন্ধ্যায় জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দিতে গিয়ে এমন মন্তব্য করেন তিনি। সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক প্রতিবেদনে এ খবর জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ফ্রান্স, ব্রিটেন, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও আরও কয়েকটি পশ্চিমা দেশ ফিলিস্তিনের কূটনৈতিক উদ্যোগকে স্বীকৃতি দেওয়ার কয়েকদিন পরই নেতানিয়াহু বিশ্বনেতাদের প্রতি এই সমালোচনা করেন। তিনি অভিযোগ করেন, তারা চাপের কাছে নতি স্বীকার করেছে।

নেতানিয়াহু বলেন, ‘আপনাদের এই লজ্জাজনক সিদ্ধান্ত বিশ্বজুড়ে নিরীহ মানুষ ও ইহুদিদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদকে উসকে দেবে। এটি আপনাদের কপালে কলঙ্কের দাগ হয়ে থাকবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘৭ অক্টোবরের হত্যাযজ্ঞের পর জেরুজালেম থেকে এক মাইল দূরে ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র দেওয়া মানে ১১ সেপ্টেম্বর হামলার পর নিউইয়র্ক থেকে এক মাইল দূরে আল-কায়েদাকে রাষ্ট্র উপহার দেওয়ার সমান। আমাদের গলায় সন্ত্রাসী রাষ্ট্র চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা সফল হবে না।’

তিনি উল্লেখ করেন, গত বছর ইসরায়েলি পার্লামেন্টে ১২০ জন আইনপ্রণেতার মধ্যে ৯৯ জন একতরফাভাবে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র চাপিয়ে দেওয়ার বিরুদ্ধে প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছিলেন।

এর আগে অধিবেশনে নেতানিয়াহু ভাষণ শুরু করতেই কক্ষ ত্যাগ করেন বহু কূটনীতিক। ফলে মুহূর্তেই অনেকটা ফাঁকা হয়ে যায় কক্ষ। গাজায় ইসরায়েলি হামলা নিয়ে বিশ্বব্যাপী সমালোচনার মধ্যেই এমন ঘটনা ঘটে।

ভাষণের শুরুতেই নেতানিয়াহু মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও তার মিত্রদের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের সাফল্য তুলে ধরেন। তবে এর মধ্যেই কক্ষ ত্যাগ করে বের হন প্রতিনিধিরা।

Link copied!