× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ৪, ২০২৬, ০৫:৪৪ এএম

বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ৪, ২০২৬, ০৫:৪৪ এএম

বাংলাদেশ ব্যাংক  কর্মকর্তার ঝুলন্ত  মরদেহ উদ্ধার

রাজধানীর সবুজবাগে ভাড়া বাসা থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক তানভীর হোসেইন শুভর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে অর্ধগলিত অবস্থায় ঝুলন্ত মরদেহ পাওয়া যায়। ধারণা করা হচ্ছে, ওই ব্যাংক কর্মকর্তার কয়েক দিন আগেই মৃত্যু হয়েছিল। প্রাথমিকভাবে পুলিশ বলছে, ওই ব্যাংক কর্মকর্তা আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন।

বাড়ির মালিকের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, ঈদের দিন শেষবারের মতো তানভীর হোসাইনকে দেখেছিলেন বাড়ির মালিক। এর পর থেকে তার আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। মঙ্গলবার তার ঘর থেকে তীব্র দুর্গন্ধ বের হতে থাকলে বাড়ির লোকজন পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করলে একটি কক্ষে গলায় ফাঁস লাগানো অর্ধগলিত অবস্থায় তার মরদেহ দেখতে পায়।

ডিএমপির মতিঝিল বিভাগের সবুজবাগ জোনের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) জাহিদ হাসান বলেন, প্রতিবেশীদের মোবাইল ফোন পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে একটি কক্ষ থেকে তানভীর হোসেইন শুভর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক সুরতহালে দেখা গেছে, ওই কর্মকর্তার দুই চোখ গলিত অবস্থায় বের হয়ে ছিল। জিহ্বা অর্ধেক বের করা। মুখ, কান ও নাক পচে পোকা ধরে গেছে। গলায় লাল-হলুদ গামছা পেঁচানো অবস্থায় তাকে পাওয়া যায়। তার সমস্ত শরীরে পচন ধরে গেছে। মানসিক অবসাদ ও ডিপ্রেশনে তিনি ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন।

নিহত তানভীর হোসাইন শুভর বন্ধু আজাদ জানান, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। সেখানে গিয়ে জানতে পারি, সে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। সবার সঙ্গে তার তেমন যোগাযোগ ছিল না, কথাও কম বলত। ১৩ বছর আগে শুভর সঙ্গে তার স্ত্রীর ডিভোর্স হয়েছিল। বিয়ের পর তার স্ত্রীর সঙ্গে ডিভোর্স হওয়ায় সবার সঙ্গে যোগাযোগ কম করত। কী কারণে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে, সে বিষয়টি বলতে পারছি না। ধারণা করা হচ্ছে, মানসিক ডিপ্রেশনেই আত্মহননের পথ বেছে নিয়েছে শুভ।

নিহতের ছোট ভাই শৈবাল জানান, আমার ভাই বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক ছিলেন। আমরা ছিলাম তিন ভাই, তিনি ছিলেন মেজো। ২০১২ সালে তিনি বিয়ে করেন। বিয়ের তিন মাসের মাথায় তাদের ডিভোর্স হয়। এরপর ভাই আর বিয়ে করেননি। ঈদের আগের দিন আমি ছিলাম সিলেটে, নরমালি তিনি আমাকে ফোন করে খোঁজখবর নেন। তখন মনে হয়নি তিনি কোনো চিন্তা বা ডিপ্রেশনে আছেন। বেশি সময় কথা বলেননি। মুগদার ওই বাসায় তিনি একাই থাকতেন। তিনি ঈদে বাড়িতে যেতেন না। ঢাকায় এসে একা একাই ঈদ করতেন। কী কারণে, কেন তিনি কাজটি করেছেন, সে বিষয়ে আমরা কিছুই বলতে পারছি না।

নিহতের বাবা তবারক হোসেন জানান, আমার সঙ্গে তার কথা কম হতো। ঈদের আগের দিন তার সঙ্গে কথা হয়েছে, ঈদের দিনও তার সঙ্গে নরমালি কথা হয়েছে। আমরা থাকতাম সেগুনবাগিচা এলাকায়। সে মুগদা এলাকায় একাই বাসা নিয়ে থাকত। কীভাবে কী হলো কিছুই বুঝলাম না।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!