× UCB Sticker Card
রবিবার, ০৭ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ৭, ২০২৬, ০৭:১১ এএম

মিউচুয়াল ফান্ড ও মার্জিন ঋণ বিধিমালা বাতিলের দাবি বিনিয়োগকারীদের

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ৭, ২০২৬, ০৭:১১ এএম

মিউচুয়াল ফান্ড ও মার্জিন ঋণ বিধিমালা বাতিলের দাবি বিনিয়োগকারীদের

শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সদ্য বিদায়ি কমিশনের আমলে গেজেট হওয়া মিউচুয়াল ফান্ড বিধিমালা ও মার্জিন রুলস বিধিমালা বাতিলের দাবি জানিয়েছেন বিনিয়োগকারীদের একাংশের সংগঠন বাংলাদেশ ক্যাপিটাল মার্কেট ইনভেস্টর অ্যাসোসিয়েশন (বিসিএমআইএ)। শেয়ারবাজারের বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে এবং বাজার উন্নয়নের লক্ষ্যে নতুন কমিশনের কাছে এই দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। গতকাল শনিবার রাজধানীর পল্টনে অবস্থিত ক্যাপিটাল মার্কেট জার্নালিস্টস ফোরামের (সিএমজেএফ) অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির নেতারা এই দাবি জানান। এতে সংগঠনটির সভাপতি এস এম ইকবাল হোসেন, জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ইসমাইল হোসেন ও যুগ্ম সম্পাদক শামিম ইসলামসহ অন্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, মিউচুয়াল ফান্ড খাত নিয়ে নতুন বিধিমালা জারির মাধ্যমে এই খাতকে ধ্বংসের পাঁয়তারা করা হচ্ছে। ওই বিধিমালার মাধ্যমে এই খাতের ৭ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ নিয়ে খামখেয়ালি সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে, যাতে আগামী এক বছরের মধ্যে শেয়ারবাজার ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। এ অবস্থায় অবশ্যই মিউচুয়াল ফান্ড বিধিমালা নামের কালো আইন বাতিল করতে হবে এবং বিদায়ি মাকসুদ কমিশনকে শাস্তির আওতায় আনতে হবে। একই সঙ্গে এরা যেন কোনোভাবেই দেশ ছেড়ে পালাতে না পারে, সে বিষয়ে সরকারকে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

সংগঠনটির নেতারা আরও বলেন, বিগত কমিশনের মার্জিন রুলস বিধিমালাও শেয়ারবাজারের জন্য কালো আইন প্রণয়ন হয়েছে, এটি বাজারকে ধ্বংসের পথে নিয়ে গেছে। বিগত কমিশনের এই অপচেষ্টা আটকে দিতে বিএসইসির নতুন কমিশন ও সরকারের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন বিনিয়োগকারী নেতারা।

সংবাদ সম্মেলনে বিসিএমআইএ সভাপতি এস এম ইকবাল হোসেন বলেন, নতুন বিধিমালার আওতায় বিদ্যমান মেয়াদি মিউচুয়াল ফান্ডগুলোকে অবসায়ন (লিকুইডেশন) প্রক্রিয়ার মধ্যে আনা হতে পারে। এই আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে শেয়ারবাজারে ব্যাপক ধস নামবে এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থাও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এ ছাড়া এই খাতে জড়িত হাজার হাজার কর্মী বেকার হয়ে পড়বেন। নতুন বিধিমালায় অনেকটা জোর করেই অবসায়নের সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি। অথচ এই খাতের ৩ লাখ বিনিয়োগকারী কখনো সেটা চায় না, যোগ করেন তিনি।

বিসিএমআইএর সভাপতি বলেন, এই আইনে বলা হয়েছে, দুই-তৃতীয়াংশ শেয়ারহোল্ডারদের ভোটে মেয়াদি ফান্ডগুলোর রূপান্তর বা অবসায়নের সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে, যারা ফান্ডগুলো টিকিয়ে রাখার পক্ষে মত দিয়েছেন, তাদের জন্য এখানে তৃতীয় কোনো বিকল্প রাখা হয়নি। এতে করে যেসব বিনিয়োগকারী দীর্ঘমেয়াদে ফান্ডে বিনিয়োগ করেছেন, তাদের মতামত অগ্রাহ্য করে বিপুল ক্ষতির মুখে ফেলে দেওয়া হয়েছে। লিখিত বক্তব্যে সংগঠনটির সভাপতি আরও বেশ কয়েকটি দাবি জানান। সেগুলো হলোÑ সরকার ও নতুন কমিশনের কাছে শেয়ারবাজারে অতীতের সব অনিয়ম ও ব্যর্থতার নিরপেক্ষ তদন্ত; দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ; ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সংরক্ষণ; সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠা করা; বিনিয়োগবান্ধব নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন; শেয়ারবাজারে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ; নিয়ন্ত্রক সংস্থার দক্ষতা ও জবাবদিহি বাড়ানো; বিতর্কিত নীতিমালা স্থগিত করা; একীভূত করা পাঁচ ব্যাংকের বিনিয়োগকারীদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করা; কারসাজির ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স; কোম্পানির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতকরণ; দুর্বল ও লোকসানি কোম্পানির পুনর্গঠন ও শেয়ারহোল্ডারদের অধিকার রক্ষার দাবি উল্লেখযোগ্য।

এ সময় বিসিএমআইএর জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ইসমাইল হোসেন বলেন, নতুন কমিশনের কাছে আমাদের সর্বপ্রথম দাবি হলো একীভূত হওয়ার নামে যে পাঁচটি ব্যাংকের শেয়ার শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে, সেটির সমাধান করা হোক। ব্যাংকগুলোর শেয়ার লেনদেন পুনরায় চালু করা হোক অথবা শেয়ারহোল্ডারদের নতুন ব্যাংকের শেয়ার দেওয়া হোক। শুধু এ বিষয়ে দুর্বলতার জন্য মাকসুদ কমিশনের শাস্তি নিশ্চিত করা উচিত। খন্দকার মাকসুদ যেন দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে না পারেন, সরকারকে সেদিকে নজর রাখার দাবিও জানান তিনি। তিনি বলেন, মাকসুদ কমিশন পুঁজিবাজারে যে ক্ষতি করেছে, তাতে তাকে যদি ফাঁসি দেওয়া হয়, সেটিও কম শাস্তি হবে। এছাড়া তিনি লিস্টেড বন্ধ কোম্পানিগুলো চালুর ব্যবস্থা করতে সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান। পাশাপাশি বিদ্যমান আইন অনুযায়ী কোম্পানিগুলোকে ন্যূনতম ৩০ শতাংশ শেয়ার ধারণের শর্ত বাস্তবায়ন করা হোক।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!