× UCB Sticker Card
বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ২৪, ২০২৬, ০৬:১৩ এএম

ডেঙ্গু প্রতিরোধে সমন্বিত উদ্যোগের নির্দেশনা

মাঠপর্যায়ে তদারকিতে টাস্কফোর্স গঠন

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ২৪, ২০২৬, ০৬:১৩ এএম

মাঠপর্যায়ে তদারকিতে টাস্কফোর্স গঠন

ডেঙ্গু প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে বলে নির্দেশনা দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ডেঙ্গু মোকাবিলায় শুধু সরকারি উদ্যোগ নয়, জনগণের সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীন সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, জেলা পরিষদসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও কার্যকরভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেন তিনি।

গতকাল মঙ্গলবার সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে ‘ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত অন্যান্য রোগ প্রতিরোধবিষয়ক জাতীয় কমিটি’র প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সভায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের তত্ত্বাবধানে টাস্কফোর্স গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই টাস্কফোর্স মাঠপর্যায়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারের কার্যক্রম তদারকি করবে। টাস্কফোর্সটি মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম তদারকি, প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান, বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি এবং জরুরি পদক্ষেপ বাস্তবায়নের দায়িত্ব পালন করবে। সভায় স্থানীয় সরকার, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত অন্যান্য রোগ প্রতিরোধে সরকারের কার্যক্রমকে আরও সমন্বিত ও কার্যকর করতে সম্প্রতি জাতীয় কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছে। স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বাধীন এ কমিটিতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার প্রতিনিধিরা সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। জাতীয় কমিটির প্রথম সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়নের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে কার্যকর অগ্রগতি অর্জনের আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

সভায় ডেঙ্গু ও অন্যান্য মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সিদ্ধান্তগুলোর মধ্যে রয়েছে, বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার মাধ্যমে ব্যাপক হারে লিফলেট ও সচেতনতামূলক প্রচারপত্র বিতরণ, স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সম্পৃক্ত করে ডেঙ্গু প্রতিরোধবিষয়ক বিশেষ প্রচার কার্যক্রম পরিচালনা, স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও নাগরিক সমাজের সমন্বয়ে পরিচ্ছন্নতা অভিযান জোরদার করা, ফগার মেশিন ও মশক নিধন কার্যক্রমের মান নিয়মিত পরীক্ষা ও তদারকি করা, এডিস মশার প্রজননস্থল শনাক্ত ও ধ্বংসে বিশেষ অভিযান পরিচালনা, নির্মাণাধীন ভবন, ছাদবাগান, টায়ারের দোকান, গ্যারেজ এবং জলাবদ্ধ এলাকা নিয়মিত পরিদর্শন বৃদ্ধি, গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সচেতনতামূলক প্রচার জোরদার করা, ডেঙ্গুর লার্ভা শনাক্ত হওয়া স্থানগুলো চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ, ডেঙ্গু প্রতিরোধবিষয়ক মনিটরিং ও তদারকি কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করা, ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের তথ্য দ্রুত সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

সভায় বক্তারা বলেন, বর্ষা মৌসুমে ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা থাকায় এখন থেকেই সমন্বিত ও জোরালো প্রস্তুতি গ্রহণ জরুরি। জাতীয় কমিটির গৃহীত সিদ্ধান্তগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের পাশাপাশি মাঠপর্যায়ে কার্যক্রমের গতি বৃদ্ধি এবং প্রয়োজনীয় জনবল নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

এ সময় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, সংস্থা ও সিটি করপোরেশনের প্রতিনিধিদের পাশাপাশি ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়, শেরে বাংলা কৃষি বিশ^বিদ্যালয়, ওয়াসা, এলজিইডি, ডিপিএইচই, রাজউক এবং স্থানীয় সরকার বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!