চলতি বছরের গত সাত মাসে সারা দেশে বিএনপি, জামায়াত ও আওয়ামী লীগের মধ্যে রাজনৈতিক সহিংসতায় বাড়ছে খুন। অপরাধ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলছেন, এসব ঘটনায় দলীয় কোন্দল ও অন্তর্কোন্দলের কারণে দিনের পর দিন খুন বেড়েই চলছে। তবে দেশ থেকে রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন বন্ধ না হলে এসব অপরাধের প্রবণতা কমবে না। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিএনপি, জামায়াত ও আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক বিরোধ এবং অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে সহিংসতা ও খুনের ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে। তথ্য অনুযায়ী, রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তার, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা এবং পূর্ববিরোধকে কেন্দ্র করে এই সংঘাতগুলো ঘটছে। তবে জুন ও জুলাই মাসের বিভিন্ন সময়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা বেড়েছে দ্বিগুণ। এর মধ্যে, গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে বিএনপি ও জামায়াত-শিবিরের সংঘর্ষে আটজন আহত হন। এ ছাড়া ঢাকার আদাবরে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সালিশি বৈঠকে হামলায় এক বিএনপি নেতা নিহত হন। তথ্য মতে, বছরের প্রথমার্ধে সারা দেশে রাজনৈতিক সহিংসতায় অন্তত ৫৯ জন রাজনৈতিক নেতাকর্মী নিহত হয়েছেন। তবে এসব হত্যাকা-ের ঘটনা বেশির ভাগ রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব এবং যার বেশির ভাগ খুনের ঘটনা যশোর-খুলনায় ঘটেছে।
এদিকে পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, রাজনৈতিক হত্যাকা-ের তদন্তে দেখা যায়, একটি বড় অংশই ব্যক্তিগত বিরোধ বা জমিজমার মতো ঘটনায় ঘটে থাকে। পাশাপাশি দলীয় কোন্দল, পদ-পদবি নিয়ে বিরোধ বা অবৈধ সুবিধা আদায় ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে অনেক সময় নিজেদের দলের লোকেরাই হত্যাকা-ের শিকার হন। বিষয়টি শুধু এমন নয়, অনেক সময় বিরোধী রাজনৈতিক পক্ষও হিসাব-নিকাশ করে খুনের ঘটনায় ও জড়িত হয়।
সূত্র মতে, চলতি বছরের প্রথম সাড়ে পাঁচ মাসে সারা দেশে ৫৯ রাজনৈতিক নেতাকর্মী খুন হয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছেন বিএনপির ৪৫ জন এবং জামায়াতের সাতজন ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাতজন। দলীয় কোন্দল এবং অন্য রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষ ও হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন ৩০ জন। এর মধ্যে ২৩ জনই বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী। বাকিরা জামায়াতের পাঁচজন ও আওয়ামী লীগের ২ জন। বিএনপি এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের কোন্দলে নিহত হয়েছেন ১৪ জন। বিএনপি ও জামায়াতের বিরোধে নিহত হয়েছেন ১১ জন। তাদের মধ্যে ছয়জন বিএনপির ও ৫ জন জামায়াতের নেতাকর্মী। বিএনপির সঙ্গে আওয়ামী লীগের সহিংসতায় নিহত হয়েছেন ৫ জন। তাদের তিনজন বিএনপির ও ২ জন আওয়ামী লীগের। অন্যান্য ঘটনায় খুন হন ২৯ নেতাকর্মী। তাদের মধ্যে ২২ জন বিএনপির, পাঁচজন আওয়ামী লীগের ও দুজন জামায়াতের। এসব খুনের ১৩টির ক্ষেত্রে আধিপত্য বিস্তার, ব্যাবসায়িক দ্বন্দ্ব, চাঁদা না দেওয়া, জমি নিয়ে বিরোধ, পারিবারিক, ওয়াজ মাহফিলের টাকার হিসাব ও ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) নির্বাচন নিয়ে বিরোধসহ নানা কারণ বেরিয়ে এসেছে। বাকি ১৬টি খুনের কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
বেশির ভাগ খুন যশোর ও খুলনায় : গোয়েন্দা তথ্য মতে, দেশের রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের মধ্যে বিরোধে সবচেয়ে বেশি ১১টি খুনের ঘটনা ঘটেছে খুলনা বিভাগে। এর মধ্যে যশোরে খুনের সংখ্যা বেশি। এর পরের অবস্থানে আছে রাজশাহী, সেখানে ৮ জন খুন হয়েছেন। এ ছাড়া ঢাকা বিভাগে পাঁচ, ময়মনসিংহ বিভাগে তিন এবং চট্টগ্রাম, সিলেট ও রংপুর বিভাগে একজন করে খুন হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১৪ জনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে, পাঁচজনকে গুলি করে এবং ১১ জনকে লাঠিসোঁটা দিয়ে পিটিয়ে, ইট দিয়ে মাথা থেঁতলে ও কিল-ঘুষি মেরে হত্যা করা হয়েছে।
আসকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত ৩৪৭টি সংঘাতের ঘটনায় ৫৫ জন রাজনৈতিক নেতাকর্মী নিহত হয়েছেন। আসকের তথ্য বলছে, বছরের প্রথম ৫ মাসে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সংঘর্ষে আহত হন দুই হাজার ৬৩৬ নেতাকর্মী। এর মধ্যে বিএনপি ও জামায়াতের সংঘর্ষে সর্বাধিক ৯৮০ জন আহত হন। এর বাইরে বিএনপি-বিএনপি সংঘর্ষে ৭৪৫, বিএনপির প্রার্থীর সঙ্গে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষে ২৭০, বিএনপি-আওয়ামী লীগ সংঘর্ষে ১২৯ ও বিএনপি-এনসিপি সংঘর্ষে ১০২ জন আহত হয়েছেন।
নির্বাচনি বিরোধের জেরে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার হাসাদহ বাজারে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে দুজন গুরুতর আহত হন। পরে সেদিনই মারা যান জামায়াতকর্মী হাফিজুর রহমান। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০ মার্চ মৃত্যু হয় স্থানীয় বাঁকা ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মফিজুর রহমানের।
জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলায়মান শেখ জানান, সংসদ নির্বাচনের পরদিন হাসাদহ ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসানকে মারধর করে প্রতিপক্ষ। সেই ঘটনার জেরে ওই সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায় মামলায় মেহেদীসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
নির্বাচনের আগেও প্রাণহানির ঘটনা রয়েছে। গত ১৬ জানুয়ারি ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় ছুরিকাঘাতে বিএনপি কর্মী নজরুল ইসলাম নিহত হন। তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী সালমান ওমরের (বিএনপির মনোনয়নবঞ্চিত) কর্মী ছিলেন। ঘটনার দিন এরশাদবাজার এলাকায় তাদের একটি নির্বাচনি কার্যালয় উদ্বোধনের পর সেখানে হামলা চালায় বিএনপি প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকরা। একপর্যায়ে নজরুল ইসলামকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়।
এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধে খুন হন বিএনপির সাতজন এবং জামায়াত ও আওয়ামী লীগের একজন করে নেতাকর্মী। এর মধ্যে গত ২১ মার্চ চুয়াডাঙ্গার (যশোর) আলমডাঙ্গায় বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে শিমুল কাজী নামের এক তরুণ নিহত হন। সেদিন দুপুরে ছত্রপাড়া গ্রামে ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হান্নান ও ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি লাল খানের অনুসারীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। তাতে আব্দুল হান্নানের কর্মী শিমুল খুন হন। এর আগে তার দাদা নাজিম উদ্দিন কাজী নাতিকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখে অসুস্থ হয়ে মারা যান। তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, ছত্রপাড়া গ্রামে বিপুল পরিমাণ খাসজমি আছে, যা সব সময় সরকারি দলের নেতাকর্মীদের দখলে থাকে। সেসব জমির নিয়ন্ত্রণসহ এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করেই দুপক্ষের সংঘর্ষ হয়। এর আগে ২ জুন ময়মনসিংহে রানা মিয়া নামের এক বিএনপি-কর্মীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। নগরীর ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের চর ঈশ্বরদিয়া মধ্যপাড়া এলাকার গাঙের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। হত্যায় জামায়াত নেতাকর্মীদের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ এনে মামলা হয়। কোতোয়ালি থানার ওসি মুহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম বলেন, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধে এ হত্যাকা- ঘটে। এতে জড়িত সন্দেহে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা হলেনÑ মাহমুদুল ইসলাম মাহিন (জামায়াত নেতা মফিদুল ইসলামের ছেলে), তোফাজ্জল হোসেন, তার ছেলে হুমায়ুন কবীর আকাশ ও মনিরুল ইসলাম।
অন্যদিকে ৮ জুন রাতে রাজধানীর মৌচাকের আনারকলি মার্কেটের সামনে রমনা থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক আহ্বায়ক বিল্লাল হোসেনকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় যুবদলের ২১ নেতাকর্মীকে আসামি করে মামলা হয়েছে। রমনা থানার ওসি মুহাম্মদ রাহাৎ খান বলেন, পাঁচ আসামিকে ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, ফুটপাতের চাঁদাবাজির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধে এ হত্যাকা- ঘটে। গত ৯ জুন রাতে বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার বারুইপাড়া ইউনিয়ন কৃষক দলের সভাপতি বাদল মোড়লকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ছাড়া আহত হন বারুইপাড়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আবদুল্লাহ মোড়ল। রাজনৈতিক ও আধিপত্য বিস্তারের জের ধরে এ ঘটনা ঘটে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। এ জন্য স্থানীয় জামায়াত নেতাদের দুষছেন বিএনপির নেতারা।
বাগেরহাটের পুলিশ সুপার হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার বলেন, এজাহারভুক্ত দুই আসামিকে গত ১৫ জুন গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে হাসানকে ঢাকা ও মশিউরকে যশোরের অভয়নগর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এভাবেই রাজনৈতিক ও বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে খুনের ঘটনা বেড়েই চলছে বলে দাবি অপরাধ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের। অবশ্য পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছেÑ এসব হত্যাকা- বেশির ভাগ রাজনৈতিক। এর পেছনে আধিপত্য বিস্তার, টেন্ডারবাজি, ব্যাবসায়িক দ্বন্দ্ব, জমিসংক্রান্ত বিরোধ, পারিবারিক বিরোধ, এমনকি অন্তর্কোন্দল ও ব্যক্তিগত আক্রোশও বড় ভূমিকা পালন থাকে।
রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও ‘ধান্ধাবাজি’ বন্ধ না হলে সব উন্নয়ন ও শ্রম প-শ্রম : এদিকে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও ‘ধান্ধাবাজি’ বন্ধ করতে না পারলে দেশের সব উন্নয়ন ও শ্রম প-শ্রম হয়ে যাবে। এই বিষয়ে জানতে চাইলে হুঁশিয়ারি প্রধান করে সরকারের আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান জানান, বিএনপি সরকার স্বচ্ছতার পথে কাজ করছে। যারা রাজনীতিকে ব্যবহার করে নিজেদের আখের গোছানোর মাধ্যম ভাবছেন তারা ভুল পথে রয়েছেন। বিএনপি সরকার এসব বিষয়ে বেশ সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। জানতে চাইলে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার জানিয়েছেন, সমাজ ও রাজনীতি থেকে অনিয়ম ও দুর্বৃত্তায়ন নির্মূল করতে সরকারকে কঠোর হয়ে কাজ করতে হবে।
পুলিশ সদর দপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক (গণমাধ্যম) এ এইচ এম শাহাদাত হোসাইন বলেন, রাজনৈতিক নেতাকর্মী খুনের মামলার তদন্তে দেখা যায়, সব সময় রাজনৈতিক কারণে হত্যাকা- ঘটে না। এর একটি বড় অংশই ব্যক্তিগত বিরোধ, জমি বা অন্যান্য কারণে ঘটে। আর অল্পসংখ্যক ঘটনায় রাজনৈতিক সংঘাতের বিষয়টি প্রমাণিত হয়।
এই বিষয়ে পুলিশের অতিরিক্ত আইজি (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) খোন্দকার রফিকুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে জড়িত যে-ই হোক, তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ভবিষ্যতেও দোষীদের কাউকে ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই।
রাজনৈতিক পরিচয়ে অপরাধীদের সঙ্গে পেরে ওঠে না পুলিশ : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক এবং সমাজ ও অপরাধ বিশেষজ্ঞ ড. তৌহিদুল হক বলেছেন, অনেক সময় একই রাজনৈতিক আদর্শে বিশ্বাসীদের মধ্যে স্বার্থ, পদ-পদবি, দলীয় পরিচয় ব্যবহার করে টাকা উপার্জনের মতো বিষয়ে বিরোধ দেখা দেয়। সেই বিরোধ প্রাণঘাতী সহিংসতায় গড়ায়। কোনো রাজনৈতিক সরকারই এটা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি। তিনি জানান, রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন বন্ধ করতে হবে। তা না হলে রাজনৈতিক অপরাধ বন্ধ হবে না। তথ্য-প্রমাণ থাকলে অভিযুক্ত নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিতে হবে। আর হত্যায় জড়িত ব্যক্তিদের রাজনৈতিক পরিচয় থাকলে পুলিশের পক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া কঠিন। সে ক্ষেত্রে সরকারকেই সহায়তা করতে হবে, যাতে পুলিশ সঠিক দায়িত্ব পালন করতে পারে।
দলীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে আইনের শাসন ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে : এসব নিয়ে মানবাধিকারকর্মী এবং আইন ও সালিশ কেন্দ্রের জ্যেষ্ঠ সমন্বয়কারী আবু আহমেদ ফয়জুল করিম বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোকে সহনশীলতার সংস্কৃতি জোরদার করতে হবে। পাশাপাশি দলীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে আইনের শাসন ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।
সার্বিক বিষয়ে হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির (এইচআরএসএস) নির্বাহী পরিচালক ইজাজুল ইসলাম বলেছেন, ‘এ মাসে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি একটি সংবেদনশীল ও পরিবর্তনশীল পর্যায় অতিক্রম করেছে। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক বাস্তবতা, জাতীয় সংসদকে ঘিরে বিতর্ক এবং জননিরাপত্তাসংক্রান্ত উদ্বেগের প্রেক্ষাপটে সার্বিক পরিস্থিতি ক্রমেই উদ্বেগজনক রূপ ধারণ করেছে।’

সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন