× UCB Sticker Card
শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ১৮, ২০২৬, ০৬:৫৫ এএম

মা ও শিশুকেন্দ্র সিজার বন্ধ

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ১৮, ২০২৬, ০৬:৫৫ এএম

মা ও শিশুকেন্দ্র সিজার বন্ধ

গর্ভাবস্থার শুরু থেকেই  সদর উপজেলার বাসিন্দা রেশমা আক্তার নিয়মিত সেবা নিয়েছেন ঠাকুরগাঁও সরকারি মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র থেকে। আশা ছিল এখানেই নিরাপদ প্রসব হবে। কিন্তু প্রসব বেদনা নিয়ে হাসপাতালে পৌঁছানোর পর কর্তৃপক্ষ তাকে জানায়, ‘এখানে সিজার হয় না’। রেশমার স্বামী একজন স্বল্প আয়ের কর্মচারী। সরকারি হাসপাতালে সেবা না পাওয়ায় বেসরকারি হাসপাতালের অতিরিক্ত খরচ কীভাবে বহন করবেন, তা নিয়ে দিশাহারা এই দম্পতি। রেশমার মতো সুরাইয়া বেগমসহ আরও অনেক দরিদ্র প্রসূতিকে একই পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়ে হতাশায় ফিরতে হচ্ছে।

জানা যায়, দীর্ঘ চার মাস ধরে ঠাকুরগাঁও মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার কার্যক্রম বন্ধ থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন প্রসূতি মায়েরা। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের অভাবে সেবা নিতে আসা অন্তঃসত্ত্বা নারীদের খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে বেসরকারি হাসপাতালে। এতে সরকারি সেবা থেকে বঞ্চিত হয়ে দরিদ্র রোগীদের মাথায় চেপেছে বাড়তি খরচের বোঝা।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, গত ফেব্রুয়ারি মাসে এনেসথেসিয়া বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অবসরে যাওয়ার পর থেকেই সিজারিয়ান কার্যক্রম থমকে আছে। এর ফলে জটিল প্রসবের ক্ষেত্রে রোগীকে অন্য হাসপাতালে স্থানান্তর (রেফার্ড) করা ছাড়া কোনো উপায় থাকছে না। এ ছাড়া কেন্দ্রটিতে চিকিৎসা সামগ্রীর তীব্র সংকট রয়েছে। ডেলিভারি কিটের সরবরাহ চাহিদার তুলনায় খুবই নগণ্য। সব মিলিয়ে এক সময়ের ব্যস্ত এই কেন্দ্রটি এখন প্রায় রোগী শূন্য।

কেবল চিকিৎসক সংকট নয়, এই কেন্দ্রের একমাত্র অ্যাম্বুলেন্সটিও দীর্ঘ দুই বছর ধরে অকেজো। জ্বালানি বিল বকেয়া থাকায় পেট্রোল পাম্প কর্তৃপক্ষও আর তেল দিতে রাজি নয়। ফলে জরুরি প্রয়োজনেও কোনো ব্যবস্থা নিতে পারছে না কর্তৃপক্ষ।

ভুক্তভোগী রোগী ও স্বজনদের অভিযোগ, একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অভাবে মাসের পর মাস একটি সরকারি সেবাকেন্দ্র অকার্যকর পড়ে থাকলেও তা চালুর কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেই। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন নি¤œ আয়ের মানুষ। তারা দ্রুত এনেসথেসিয়া বিশেষজ্ঞ নিয়োগ, অ্যাম্বুলেন্স সচল করা এবং পর্যাপ্ত চিকিৎসা সামগ্রী সরবরাহের মাধ্যমে কেন্দ্রটির পূর্ণাঙ্গ সেবা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের মেডিকেল অফিসার (ক্লিনিক) ডা. লাবনী বসাক বলেন, ‘এনেসথেসিয়া বিশেষজ্ঞ না থাকায় সিজারিয়ান কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এ ছাড়া জ্বালানি বাজেট না থাকায় অ্যাম্বুলেন্স সেবা দেওয়া যাচ্ছে না। চিকিৎসার প্রয়োজনীয় ডেলিভারি কিটও আমরা চাহিদামতো পাচ্ছি না।’

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!