× UCB Sticker Card
শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ১৮, ২০২৬, ০৭:৪২ এএম

গাজায় জানাজাতেও ইসরাইলি ড্রোন হামলা, নিহত ১৪

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ১৮, ২০২৬, ০৭:৪২ এএম

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

গাজা উপত্যকার বিভিন্ন স্থানে ইসরাইলি বাহিনীর পৃথক হামলায় অন্তত ১৪ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে আটজন একটি জানাজার শোভাযাত্রায় অংশ নিতে জড়ো হয়েছিলেন। এসব হামলায় আরও অন্তত ২০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) গাজার মধ্যাঞ্চলের নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরের আল-বালাতা বাজার এলাকায় সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলাটি ঘটে। গাজার সিভিল ডিফেন্স ও আল-আওদা হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, জানাজার শোভাযাত্রা শুরু হওয়ার আগে আহমাদ ইয়াসিন মসজিদের বাইরে অপেক্ষমাণ মানুষের ওপর একটি ইসরাইলি ড্রোন হামলা চালায়।

স্থানীয়দের ভাষ্য, ওই ব্যক্তিরা এর আগে একই এলাকায় অন্য এক হামলায় নিহত এক ফিলিস্তিনির জানাজায় অংশ নিতে সেখানে সমবেত হয়েছিলেন। হামলার ফলে ঘটনাস্থলেই একাধিক প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।

ইসরাইলি সেনাবাহিনী হামলার কথা নিশ্চিত করে জানিয়েছে, মধ্য গাজায় একটি ‘সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে’ লক্ষ্য করে অভিযান চালানো হয়েছিল। একই সঙ্গে বেসামরিক মানুষের হতাহতের অভিযোগ তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলেও দাবি করেছে তারা।

অন্যদিকে হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে হামাস। এক বিবৃতিতে সংগঠনটি অভিযোগ করে, যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকার পরও ইসরাইল নিয়মিতভাবে চুক্তি লঙ্ঘন করে বেসামরিক জনগণের ওপর হামলা চালিয়ে যাচ্ছে এবং আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি করছে।

একই দিনে গাজার উত্তরাঞ্চলের বেইত লাহিয়ায় একটি স্কুলসংলগ্ন এলাকায় ড্রোন থেকে বোমা নিক্ষেপে ৫২ বছর বয়সী এক নারী নিহত হন। এছাড়া মধ্য গাজার আজ-জাওয়াইদা এলাকায় পৃথক হামলায় একজনের মৃত্যু এবং কয়েকজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

নুসেইরাতের পশ্চিমে আল-সাওয়ারহা এলাকায় বাস্তুচ্যুত মানুষের আশ্রয়কেন্দ্রে হামলায় আরও একজন নিহত হন। গাজা সিটির একটি আবাসিক ভবনে ড্রোন হামলায় একজনের প্রাণহানি ঘটে এবং কয়েকজন আহত হন, যাদের মধ্যে শিশুও রয়েছে। এ ছাড়া খান ইউনিসের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ইসরাইলি গুলিতে আহত এক নারী পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

গত অক্টোবর থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও গাজাজুড়ে হামলার ঘটনা থামেনি। গবেষণা প্রতিষ্ঠান আর্মড কনফ্লিক্ট লোকেশন অ্যান্ড ইভেন্ট ডেটা (ACLED)-এর তথ্য অনুযায়ী, মে মাসের পর থেকে হামলার মাত্রা আরও বেড়েছে। সংস্থাটির হিসাব বলছে, গত মাসেই ৪০টির বেশি হামলার ঘটনা ঘটেছে, যা যুদ্ধবিরতি শুরুর পর সর্বোচ্চ।

এদিকে ইসরাইলি দৈনিক হারেটজ জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে গাজায় ২৭৪ জন শিশু নিহত হয়েছে। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়, গড়ে প্রতিদিন একজন শিশুর প্রাণহানি ঘটছে। আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়তে থাকলেও গাজায় সংঘাত ও সহিংসতা কমার কোনো সুস্পষ্ট লক্ষণ এখনো দেখা যাচ্ছে না।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!