× UCB Sticker Card
সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ২০, ২০২৬, ১২:৫০ এএম

কাতার বিশ্বকাপ সম্প্রচারে ১৪০ কোটি টাকার দুর্নীতি

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ২০, ২০২৬, ১২:৫০ এএম

কাতার বিশ্বকাপ সম্প্রচারে  ১৪০ কোটি টাকার দুর্নীতি

বিগত শেখ হাসিনা সরকারের আমলে ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপ ফুটবল সম্প্রচারের স্বত্ব কেনা ও সম্প্রচার প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি জানান, সে সময় ফিফাকে চুক্তির পুরো টাকা পরিশোধ করার পরও মধ্যস্বত্বভোগীদের মাধ্যমে প্রায় ১৪০ কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। গতকাল রোববার সচিবালয়ে বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা সম্প্রচার নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান এবং বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি তাবিথ আওয়াল উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে তথ্যমন্ত্রী বিগত ও বর্তমান সরকারের খরচের একটি তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ২০২২ সালের বিশ্বকাপে ৩ দশমিক ২ মিলিয়ন ডলারে স্বত্ব কেনার পর বিশাল অঙ্কের দুর্নীতি হলেও, এবার সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে। বর্তমান সরকারের সময়ে প্রধানমন্ত্রীর সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা ছিল যে খেলা দেখানোর ক্ষেত্রে কোনোভাবেই জনগণের টাকা খরচ করা যাবে না। সেই নির্দেশনা মেনেই এবারের ২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবল দেখানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে উল্লেখ করে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘ফিফার কাছ থেকে এবার ৩ দশমিক ৮৫ মিলিয়ন ডলারে সম্প্রচার স্বত্ব কেনা হয়েছিল। চারটি গণমাধ্যমে খেলাটি সফলভাবে সম্প্রচার করা হয়েছে। পুরো আয়োজনে হয়তো ৩ থেকে ৪ কোটি টাকার একটা ঘাটতি হতে পারে, যা বিজ্ঞাপনের আয় থেকে পুরোপুরি উঠে আসবে। ফলে বলা যায়, এবার সরকারি তহবিল থেকে খরচ প্রায় শূন্যের কোঠায়।

সাবেক সরকারের আমলের দুর্নীতি প্রসঙ্গে মন্ত্রী আরও জানান, বিটিভির মাধ্যমে হওয়া ওই ১৪০ কোটি টাকার দুর্নীতির বিষয়ে বর্তমানে বিভাগীয় তদন্ত চলছে। তদন্তের আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিষয়টি পরবর্তী আইনি পর্যালোচনার জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) পাঠানো হবে। এ ক্ষেত্রে আইন তার নিজস্ব গতিতেই চলবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!