× UCB Sticker Card
শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ২৪, ২০২৬, ০৬:৩৪ এএম

দেশে থাইল্যাল্ডের আরও বিনিয়োগ চান বাণিজ্যমন্ত্রী

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ২৪, ২০২৬, ০৬:৩৪ এএম

দেশে থাইল্যাল্ডের আরও  বিনিয়োগ চান বাণিজ্যমন্ত্রী

বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক জোরদারের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের অর্থনৈতিক সহযোগিতা নতুন মাত্রা পাবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি থাই বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি হোটেলে তিনদিনের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য প্রদর্শনী ‘টপ থাই ব্র্যান্ডসে’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকায় থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত থিতিপর্ন চিরাসাওয়াদি, দূতাবাসের কর্মকর্তারা, প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণকারী থাইল্যান্ডের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, ব্যবসায়ী নেতা, উদ্যোক্তা ও গণমাধ্যমকর্মীরা।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের সম্পর্ক পারস্পরিক আস্থা, সম্মান ও সহযোগিতার ভিত্তিতে দীর্ঘদিনের। বাণিজ্য, বিনিয়োগ, পর্যটন, সংস্কৃতি ও আঞ্চলিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে দুই দেশের সম্পর্ক ক্রমেই সম্প্রসারণ হচ্ছে। থাইল্যান্ড বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক অংশীদার। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য বাড়লেও এখনো বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের বিপুল সুযোগ রয়েছে।

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, বাংলাদেশ তার কৌশলগত অবস্থান, বড় ভোক্তা বাজার, দক্ষ জনশক্তি এবং বিনিয়োগবান্ধব নীতির কারণে বিদেশি বিনিয়োগের জন্য একটি আকর্ষণীয় গন্তব্যে পরিণত হয়েছে। কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ, পর্যটন, চামড়া, তৈরি পোশাক, অটোমোবাইল যন্ত্রাংশ, রাবার পণ্যসহ বিভিন্ন খাতে থাই বিনিয়োগকে আমরা স্বাগত জানাই। তিনি বলেন, বাংলাদেশ থাইল্যান্ডের বাজারে ওষুধ, প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য, পাটজাত পরিবেশবান্ধব পণ্য, চামড়াজাত পণ্য ও হালকা প্রকৌশল পণ্যের রপ্তানি বাড়াতে আগ্রহী।

বর্তমানে দেশটি থেকে প্রায় এক বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করে থাকে বাংলাদেশ; উল্টোদিকে বাংলাদেশ ২৫০ মিলিয়ন ডলারের পণ্য সেখানে রপ্তানি করে। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য প্রদর্শনী শুধু পণ্য প্রদর্শনের সুযোগ নয়, বরং উৎপাদক, আমদানিকারক, রপ্তানিকারক, পরিবেশক, বিনিয়োগকারী ও উদ্যোক্তাদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ তৈরির একটি কার্যকর মাধ্যম। তিনি বলেন, ‘টপ থাই ব্র্যান্ডসে’র মতো আয়োজন দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে নতুন সম্পর্ক তৈরি করবে এবং বাণিজ্য সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সরকার ব্যবসা ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে কাজ করছে দাবি করে মন্ত্রী বলেন, বাণিজ্য সহজীকরণ, অবকাঠামো উন্নয়ন, ডিজিটালাইজেশন এবং আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধিতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রদর্শনীতে বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের ৫৭টি প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে। ফ্যাশন, কসমেটিকস, শিশু স্বাস্থ্য সুরক্ষা পণ্যসহ দেশটির বিভিন্ন জাতীয় ফলমূল প্রদর্শন করা হচ্ছে। এ প্রদর্শনী আগামীকাল শনিবার সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ে সবার জন্য উন্মুক্ত।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!