বরিশালে সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা. মনিরুজ্জামানের অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন শিক্ষার্থীরা। রোববার সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন এবং নয়া এই কর্মকর্তাকে স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের দোসর ও জুলাইবিরোধী আখ্যায়িত করে অন্যত্র সরিয়ে নিতে সরকারের কাছে দাবি জানান।
কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা দাবি করেন, বিতর্কিত ও শাস্তিপ্রাপ্ত একজন কর্মকর্তাকে সিভিল সার্জনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, যা মেনে নেওয়া যায় না। পরে তারা সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে গিয়ে জানতে পারেন ডা. মনিরুজ্জামান যোগদানের শেষ দিন হলেও অফিসে যোগ দেননি। এরপর বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা তার নির্ধারিত কক্ষের দরজায় প্রতীকীভাবে তালা ঝুঁলিয়ে দেন।
ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি সাব্বির হোসেন বলেন, যার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ রয়েছে, তাকে বরিশালের মতো গুরুত্বপূর্ণ জেলার স্বাস্থ্য বিভাগের দায়িত্ব দেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমরা চাই, বিতর্কমুক্ত ও সৎ কর্মকর্তাকে সিভিল সার্জন হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হোক। তবে নবনিযুক্ত সিভিল সার্জন ডা. মনিরুজ্জামান বলেন, গত ২১ জুলাই তাকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বরিশালে সিভিল সার্জন হিসেবে নিয়োগ এবং ২৩ জুলাই নতুন কর্মস্থলে যোগদান করেন। তিন দিন পর স্বৈরাচারের দোসর ও জুলাইবিরোধী আখ্যা দিয়ে অপসারণের দাবি করা হচ্ছে, এমনকি কক্ষও তালাবদ্ধ করা হয়। তবে এ বিষয়ে সিভিল সার্জন কোনো মন্তব্য করেননি।
এর আগে গত ২১ জুলাই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কার্যালয়ে নিযুক্ত ডা. মনিরুজ্জামানকে বরিশালে সিভিল সার্জন হিসেবে নিয়োগ দেয় স্বাস্থ্য বিভাগ। রোববার তার যোগদানের শেষ দিন ছিল। এর আগে গত ২৩ জুলাই তিনি যোগদান করেন। তবে তিনি যোগদান করেননি এমনটি ভেবে যোগদানে বাধা দিতে তার কার্যালয়ে অবরুদ্ধ করে রেখেছিল আন্দোলনকারীরা।

সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন