× UCB Sticker Card
বুধবার, ০৮ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

ভিনদেশ ডেস্ক

প্রকাশিত: জুলাই ৮, ২০২৬, ০৭:৩৯ এএম

ন্যাটো সম্মেলনে ট্রাম্পকে ঘিরে কূটনৈতিক চাপ

ভিনদেশ ডেস্ক

প্রকাশিত: জুলাই ৮, ২০২৬, ০৭:৩৯ এএম

ন্যাটো সম্মেলনে ট্রাম্পকে ঘিরে কূটনৈতিক চাপ

তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় শুরু হয়েছে উত্তর আটলান্টিক সামরিক জোটের শীর্ষ সম্মেলন। দুই দিনব্যাপী এই সম্মেলনে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতিরক্ষা ব্যয় বৃদ্ধি, ইউরোপের নিরাপত্তা, ইউক্রেন পরিস্থিতি এবং জোটের ভবিষ্যৎ কৌশল সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। তবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, যিনি দীর্ঘদিন ধরেই জোটের ব্যয়ভার ও কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে আসছেন। ট্রাম্পের অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে জোটের সবচেয়ে বড় আর্থিক ও সামরিক দায়িত্ব পালন করছে, অথচ ইউরোপের অনেক দেশ তাদের প্রাপ্য দায়িত্ব পালন করেনি।

তার চাপের মুখেই সদস্য দেশগুলো প্রতিরক্ষা ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। সম্মেলনে সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অগ্রগতি নিয়েও আলোচনা হচ্ছে। ইরানকে ঘিরে সাম্প্রতিক সামরিক উত্তেজনাও যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় মিত্রদের মধ্যে নতুন মতপার্থক্য সৃষ্টি করেছে। সামরিক অভিযানের আগে ইউরোপীয় দেশগুলোর সঙ্গে পর্যাপ্ত সমন্বয় না হওয়া এবং হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিয়ে বিরোধের কারণে জোটের অভ্যন্তরে কূটনৈতিক দূরত্ব বেড়েছে। এছাড়া গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ট্রাম্পের আগের অবস্থানও সদস্য দেশগুলোর মধ্যে অস্বস্তি তৈরি করেছিল। সম্মেলনে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিও অংশ নিয়েছেন। তিনি চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে অতিরিক্ত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও সামরিক সহায়তার বিষয়ে বিভিন্ন দেশের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করছেন।

একই সঙ্গে ইউরোপীয় দেশগুলো ইউক্রেনের প্রতি দীর্ঘমেয়াদি সহায়তার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করার চেষ্টা করছে। সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে জোটের মহাসচিব মার্ক রুটে সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে একাধিক বহুজাতিক উদ্যোগের ঘোষণা দেন। এর মধ্যে উন্নত নজরদারি উড়োজাহাজ ক্রয়, আকাশ প্রতিরক্ষা জোরদার, প্রতিরক্ষা শিল্পে প্রয়োজনীয় কাঁচামালের যৌথ মজুত এবং সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির পরিকল্পনা রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এবারের সম্মেলনের সবচেয়ে বড় লক্ষ্য জোটের অভ্যন্তরীণ ঐক্য অটুট রাখা এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের মধ্যে বিদ্যমান মতপার্থক্য কমানো। প্রতিরক্ষা ব্যয়, ইউক্রেন যুদ্ধ, মধ্যপ্রাচ্যের সংকট এবং নতুন নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জের প্রেক্ষাপটে এই সম্মেলনের সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!