× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

ভিনদেশ ডেস্ক

প্রকাশিত: জুলাই ৯, ২০২৬, ০৭:০৭ এএম

ন্যাটো সম্মেলনের মধ্যেই পাল্টাপাল্টি হামলা, কূটনীতিতেও তৎপরতা

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে নতুন উত্তেজনা

ভিনদেশ ডেস্ক

প্রকাশিত: জুলাই ৯, ২০২৬, ০৭:০৭ এএম

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে নতুন উত্তেজনা

রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার তীব্রতা আরও বেড়েছে। তুরস্কের আঙ্কারায় উত্তর আটলান্টিক সামরিক জোটের শীর্ষ সম্মেলন চলাকালেই দুই দেশের সংঘাত নতুন মাত্রা পেয়েছে। একদিকে রাশিয়া শত শত ইউক্রেনীয় ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে, অন্যদিকে ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার দুর্বলতা নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাবি, এক রাতেই ইউক্রেনের ৪১৫টি ড্রোন ধ্বংস করা হয়েছে। রোস্তভ অঞ্চলে দুটি জ্বালানিবাহী জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও বড় ধরনের তেল ছড়িয়ে পড়েনি। তবে তেল শোধনাগারে ড্রোন হামলায় একজন নিহত এবং কয়েকজন আহত হয়েছেন। সাম্প্রতিক হামলায় রাশিয়ার জ্বালানি অবকাঠামোও চাপে পড়েছে। ইউক্রেনের সাম্প্রতিক তথ্য বলছে, রাশিয়ার ছোড়া ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। সর্বশেষ বড় হামলায় ছোড়া কোনো ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রই প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়নি। প্রয়োজনীয় প্রতিরোধী ক্ষেপণাস্ত্রের সংকটের কারণে রাজধানী কিয়েভসহ গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির বৈঠকের কথা জানা গেছে। বৈঠকে যুদ্ধ বন্ধের উদ্যোগ, রাশিয়ার ওপর চাপ বৃদ্ধি এবং ইউক্রেনের জন্য সামরিক সহায়তা নিয়ে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে সদস্য দেশগুলোর প্রতিরক্ষা ব্যয় বৃদ্ধি এবং নতুন অস্ত্র সংগ্রহও সম্মেলনের অন্যতম প্রধান আলোচ্য বিষয়। সম্মেলনের ফাঁকে ডেনমার্ক, এস্তোনিয়া ও নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে নতুন ড্রোন সহযোগিতা চুক্তি করেছে ইউক্রেন। যৌথ উৎপাদন, প্রযুক্তি বিনিময় এবং প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই উদ্যোগকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ইউক্রেনের মতে, চলমান যুদ্ধের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করাই এসব চুক্তির মূল লক্ষ্য।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!