× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: মে ৮, ২০২৬, ০৫:৩৮ এএম

‘পুশব্যাক’ ইস্যুতে উত্তেজনা

ঢাকাকে দ্রুত নাগরিকত্ব যাচাইয়ের আহ্বান দিল্লির

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: মে ৮, ২০২৬, ০৫:৩৮ এএম

ঢাকাকে দ্রুত নাগরিকত্ব  যাচাইয়ের আহ্বান দিল্লির

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছে বিজেপি। এরপর থেকেই ‘পুশব্যাক’ বা সীমান্ত দিয়ে জোরপূর্বক লোক পাঠানোর আশঙ্কা নিয়ে বাংলাদেশে জোর আলোচনা চলছে, উঠে আসছে নানা মন্তব্য-অভিমত। এ বিষয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ভারত।

এদিন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসীদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই এসব মন্তব্য দেখা উচিত। একই সঙ্গে বাংলাদেশকে দ্রুত নাগরিকত্ব যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার আহ্বান জানিয়েছে নয়াদিল্লি। এ ছাড়া তিস্তা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে নদী-সংক্রান্ত দ্বিপক্ষীয় কাঠামোগুলো অনুসরণের কথাও বলা হয়।

পুশব্যাক প্রসঙ্গে ব্রিফিংয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, গত কয়েক দিনে এ ধরনের মন্তব্য তারা লক্ষ করেছেন। তবে মূল বিষয় হলো, ভারতে অবস্থানরত অবৈধ বাংলাদেশি নাগরিকদের প্রত্যাবাসন। এই প্রক্রিয়া সফল করতে বাংলাদেশের সহযোগিতা প্রয়োজন। তিনি বলেন, সীমান্ত পরিস্থিতি বা প্রত্যাবাসন নিয়ে সাম্প্রতিক মন্তব্যগুলোকে আলাদা করে না দেখে বিদ্যমান কাঠামোর আলোকে বিবেচনা করা উচিত।

জয়সওয়াল জানান, বর্তমানে বাংলাদেশ সরকারের কাছে নাগরিকত্ব যাচাইয়ের ২ হাজার ৮৬০টির বেশি মামলা ঝুলে আছে। এর মধ্যে অনেক আবেদন পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরে নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে। তিনি বলেন, ‘দ্রুত যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে অবৈধ অভিবাসীদের ফেরত পাঠানো সহজ ও সুশৃঙ্খলভাবে করা সম্ভব হবে।’

ব্রিফিংয়ে তিস্তা নদীর পানিবণ্টন প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে জয়সওয়াল বলেন, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে অভিন্ন নদীর সংখ্যা ৫৪ এবং এসব নদী-সংক্রান্ত সব ধরনের ইস্যু নিয়ে আলোচনা করার জন্য দুই দেশের মধ্যে সুসংগঠিত দ্বিপক্ষীয় কাঠামো রয়েছে। তিনি জানান, পানিবণ্টন ও নদী ব্যবস্থাপনা বিষয়ে বিদ্যমান যৌথ প্রক্রিয়াগুলো নিয়মিত বৈঠকের মাধ্যমে এগিয়ে যাচ্ছে। তবে তিস্তা চুক্তি নিয়ে নতুন কোনো অগ্রগতি বা নির্দিষ্ট সময়সীমা সম্পর্কে তিনি বিস্তারিত কিছু বলেননি।

প্রসঙ্গত, এর আগে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সীমান্তে সম্ভাব্য পুশব্যাক নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। গত বুধবার সাংবাদিকদের তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয়ের পর এমন কোনো ঘটনা ঘটবে বলে তিনি আশা করেন না। তবে সীমান্ত পরিস্থিতির দিকে নজর রাখতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশকে (বিজিবি) সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানও এ বিষয়ে মন্তব্য করেন। বিএনপির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বক্তব্যে তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর যদি সীমান্তে ‘পুশইন’ বা জোরপূর্বক লোক ঢোকানোর ঘটনা ঘটে, তাহলে বাংলাদেশ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনে বিজেপি অবৈধ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকে বড় রাজনৈতিক ইস্যু হিসেবে সামনে আনে। দলটি অভিযোগ করে, তৃণমূল কংগ্রেস সরকার সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশকে প্রশ্রয় দিচ্ছে। যদিও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল সরকার এই অভিযোগ বরাবরই প্রত্যাখ্যান করে এসেছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!