× UCB Sticker Card
সোমবার, ০৬ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ৬, ২০২৬, ০৫:৫২ এএম

নারায়ণগঞ্জে ছিনতাইকারী আখ্যা দিয়ে যুবককে পিটিয়ে হত্যা

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ৬, ২০২৬, ০৫:৫২ এএম

নারায়ণগঞ্জে ছিনতাইকারী  আখ্যা দিয়ে যুবককে  পিটিয়ে হত্যা

নারায়ণগঞ্জে বাড়ি থেকে ডেকে এনে ছিনতাইকারী আখ্যা দিয়ে বিদ্যুতের খুঁটিতে বেঁধে জিসান (২৫) নামের এক যুবককে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। গত শনিবার রাতে শহরের পশ্চিম মাসদাইর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় অনিক নামের আরেক তরুণ গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ২৭ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, বিদ্যুতের খুঁটিতে রশি দিয়ে বাঁধা দুই তরুণকে স্টিলের পাইপ ও লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করছেন কয়েকজন। নিহত জিসান পশ্চিম মাসদাইর এলাকার ইউনুস মিয়ার ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শনিবার রাতে শহরের পশ্চিম মাসদাইর এলাকায় জিসান ও অনিককে তাদের বাসা থেকে ডেকে আনা হয়। পরে তাদের ছিনতাইকারী আখ্যা দিয়ে একটি বিদ্যুতের খুঁটিতে রশি দিয়ে বেঁধে রাখা হয়। স্থানীয় আল ফালাহ কল্যাণ সংগঠনের নেতা ও আল ফালাহ জামে মসজিদের ইমাম কাওসার হোসেনের নেতৃত্বে একদল লোক তাদের স্টিলের পাইপ ও লাঠি দিয়ে পিটুনি দেন বলে অভিযোগ। একপর্যায়ে জিসান গুরুতর আহত হন। পরে হাসপাতালে নিলে তার মৃত্যু হয়। আর অনিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

নিহত জিসানের বাবা ইউনুস মিয়া বলেন, তার ছেলেসহ দুজনকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে খুঁটিতে বেঁধে নির্মমভাবে পেটানো হয়েছে। তিনি দাবি করেন, পরিবারের সদস্যরা অনেক অনুরোধ করলেও তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়নি। তিনি ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।

ঘটনার পর আল ফালাহ কল্যাণ সংগঠনের নেতা ও মসজিদের ইমাম কাওসার হোসেন হ্যান্ডমাইকে বক্তব্য দেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া সেই বক্তব্যে তাকে বলতে শোনা যায়, ‘হামলা জনগণ করেছে। কুত্তাকে জনগণ পিটিয়ে মেরেছে, কোনো মামলা-হামলা কিচ্ছু হবে না।’ তিনি বলেন, ‘যখন ঐক্য থাকে, তখন বাংলাদেশের প্রশাসন কী, কোনো কুত্তায়ও আমাদের কিছু করতে পারবে না।’ এ সময় তিনি মাইকে ডাক দিলে সবাইকে এক সঙ্গে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানান।

তবে এলাকাবাসীর একাংশের দাবি, জিসান ছিনতাই ও মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তাদের ভাষ্য, এ ধরনের কর্মকা-ের অভিযোগে তাকে আগেও সতর্ক করা হয়েছিল। তবে এ অভিযোগের বিষয়টি যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) তারেক আল মেহেদী বলেন, জিসানের বিরুদ্ধে একটি মারামারির মামলা আছে। তবে কোনো অবস্থাতেই আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার সুযোগ নেই। তিনি বলেন, ‘যে সংগঠনের ব্যানারে এ ঘটনা ঘটেছে, অভিযোগ বা মামলা হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা হবে।’

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!