× UCB Sticker Card
বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

 গোল প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ২৩, ২০২৬, ০৬:২২ এএম

ইতিহাসের পাতায় নতুন অধ্যায়ের অপেক্ষা

 গোল প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ২৩, ২০২৬, ০৬:২২ এএম

ইতিহাসের পাতায় নতুন অধ্যায়ের অপেক্ষা

২৩ জুন টরন্টো স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে পানামা ও ক্রোয়েশিয়া। একদিকে বিশ্বকাপে নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করতে চাওয়া মধ্য আমেরিকার উদীয়মান দল পানামা, অন্যদিকে সাম্প্রতিক দুই বিশ্বকাপে পদকজয়ী ইউরোপের অন্যতম সফল দল ক্রোয়েশিয়া। এই ম্যাচ শুধু তিন পয়েন্টের লড়াই নয়, বরং দুই ভিন্ন ফুটবল ঐতিহ্য ও দর্শনের সংঘর্ষ।

পানামা: সংগ্রাম থেকে বিশ্বমঞ্চে

পানামার ফুটবল ইতিহাস দীর্ঘদিন ধরে কনকাকাফ অঞ্চলের প্রতিযোগিতায় সীমাবদ্ধ ছিল। দেশটি বহু বছর বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে লড়াই করলেও মূল আসরে জায়গা করে নিতে পারেনি। অবশেষে ২০১৮ সালে প্রথমবারের মতো ফিফা বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে তারা, যা দেশটির ক্রীড়া ইতিহাসে অন্যতম বড় সাফল্য। রাশিয়া বিশ্বকাপে পানামা বেলজিয়াম, ইংল্যান্ড ও তিউনিসিয়ার বিপক্ষে খেলেছিল। তিন ম্যাচেই হারলেও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ফেলিপে বালোয়ের করা গোলটি ছিল বিশ্বকাপ ইতিহাসে পানামার প্রথম গোল। এরপর থেকে দেশটি ধারাবাহিকভাবে নিজেদের ফুটবল অবকাঠামো উন্নত করেছে এবং আঞ্চলিক প্রতিযোগিতায় শক্তিশালী প্রতিপক্ষ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

ক্রোয়েশিয়া : ছোট দেশের অসাধারণ সাফল্য

১৯৯১ সালে স্বাধীনতা লাভের পর থেকেই ক্রোয়েশিয়া দ্রুত আন্তর্জাতিক ফুটবলে নিজেদের পরিচিতি গড়ে তোলে। ১৯৯৮ বিশ্বকাপে অভিষেকেই তৃতীয় স্থান অর্জন করে দেশটি বিশ্বকে চমকে দেয়। এরপর ২০১৮ সালে ফ্রান্সের কাছে ফাইনালে হেরে রানার্স-আপ এবং ২০২২ সালে তৃতীয় স্থান অর্জন করে ক্রোয়েশিয়া। ধারাবাহিকভাবে বড় টুর্নামেন্টে সফল পারফরম্যান্সের কারণে দেশটি বিশ্বের অন্যতম সম্মানিত জাতীয় দলে পরিণত হয়েছে।

মুখোমুখি ইতিহাস : পানামা ও ক্রোয়েশিয়ার মধ্যে এর আগে কোনো স্বীকৃত প্রতিযোগিতামূলক আন্তর্জাতিক ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়নি। ফলে ২৩ জুনের এই বিশ্বকাপের লড়াই দুই দেশের ফুটবল ইতিহাসে প্রথম উল্লেখযোগ্য মুখোমুখি সাক্ষাৎ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

দুই দলের খেলার ধরন : পানামা সাধারণত সংগঠিত রক্ষণ ও দ্রুত কাউন্টার অ্যাটাকের ওপর নির্ভরশীল। তারা মাঝমাঠে ঘন চাপ সৃষ্টি করে প্রতিপক্ষের ভুলের সুযোগ নিতে চায়।

অন্যদিকে ক্রোয়েশিয়া বলের দখল ধরে রেখে ছোট ছোট পাসের মাধ্যমে আক্রমণ গড়ে তোলে। তাদের মিডফিল্ড-কেন্দ্রিক ফুটবল ইউরোপীয় কৌশলগত ধারার একটি উজ্জ্বল উদাহরণ।

বিশ্বকাপে দুই দলের যাত্রা

বিশ্বকাপের ইতিহাসে পানামার অভিজ্ঞতা সীমিত হলেও প্রতিটি অংশগ্রহণ তাদের জন্য নতুন শেখার সুযোগ এনে দিয়েছে। অন্যদিকে ক্রোয়েশিয়া একাধিকবার সেমিফাইনাল ও ফাইনাল খেলে প্রমাণ করেছে যে তারা বড় মঞ্চের চাপ সামলাতে সক্ষম।

এটি বিশ্বকাপের ইতিহাসে নতুন একটি অধ্যায়, যেখানে প্রথমবারের মতো পানামা ও ক্রোয়েশিয়া আনুষ্ঠানিক প্রতিযোগিতায় একে অপরের মুখোমুখি হচ্ছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!