ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

গরমে সর্দি-কাশি সারাতে কার্যকর ৫টি ঘরোয়া উপায়

রূপালী ডেস্ক
প্রকাশিত: জুন ৪, ২০২৬, ০৬:০০ এএম

প্রচণ্ড গরমে এখন অনেকেই সর্দি-কাশির সমস্যায় ভুগছেন। অতিরিক্ত ঘাম হওয়া, বারবার গোসল করা কিংবা ফ্রিজের ঠান্ডা পানি পানের কারণে এই সময়ে ঠান্ডা লাগার প্রবণতা বেড়ে যায়। তবে সাধারণ সর্দি-কাশি হলে শুরুতেই আতঙ্কিত না হয়ে রান্নাঘরের কিছু চেনা উপাদান দিয়েই ঘরোয়াভাবে এর উপশম করা সম্ভব। ওষুধ বা সিরাপ খাওয়ার আগে এই ঘরোয়া প্রতিকারগুলো বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে।

সর্দি-কাশি দূর করতে রসুন অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখে। রসুনে থাকা অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি ও অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল গুণ শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে রসুন, লেবু, মরিচের গুঁড়া এবং মধু একসঙ্গে মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে। এই মিশ্রণে থাকা লেবুর ভিটামিন সি শরীরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

ঠান্ডা লাগলে আদার ব্যবহার যুগ যুগ ধরে চলে আসছে। আদায় থাকা অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য গরমে ফ্লু প্রতিরোধে দারুণ সহায়ক। আদা পাতলা করে কেটে পানিতে ভালো করে ফুটিয়ে নিয়ে, সেই গরম পানিতে লেবুর রস ও মধু মিশিয়ে চায়ের মতো পান করলে সর্দি-কাশি খুব দ্রুত নিরাময় হয়।

ভাইরাল আক্রমণ এবং অন্যান্য সংক্রমণ নিরাময়ে দারুচিনিকে মহৌষধ বলা চলে। সামান্য পানিতে আস্ত দারুচিনি ভালো করে ফুটিয়ে নিয়ে সেই পানির সঙ্গে এক চামচ মধু মিশিয়ে দিনে একবার চায়ের মতো পান করলে দ্রুত ভালো ফলাফল পাওয়া যায়।

রান্নাঘরের অতিপরিচিত উপাদান পেঁয়াজও সর্দি-কাশি সারাতে কার্যকর। এটি শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করার পাশাপাশি ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে। একটি পাত্রে কয়েক টুকরো পেঁয়াজ কেটে মধু মিশিয়ে সারা রাত ঢেকে রাখতে হবে। পরদিন সকালে খালি পেটে পেঁয়াজ থেকে বের হওয়া তরলটুকু পান করলে তাৎক্ষণিক উপকার মিলবে।

এ ছাড়া যুগ যুগ ধরে সর্দি-কাশির ঘরোয়া টোটকা হিসেবে তুলসীপাতা ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এর অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল বৈশিষ্ট্য যেমন সর্দি কমায়, তেমনই নাক বন্ধ থাকার সমস্যাও দূর করে। তুলসীপাতা ও আদা একসঙ্গে গরম পানিতে ফুটিয়ে, তাতে কয়েক ফোঁটা মধু মিশিয়ে চায়ের মতো পান করলে উপকার পাওয়া যায়। অতিরিক্ত ঠান্ডা লাগলে এই মিশ্রণটি দিনে দুইবার পান করার পরামর্শ দেওয়া হয়।