আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটানো জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মরণে ৩৬ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য। কর্মসূচি শুরু হচ্ছে জুলাই মাসের প্রথম দিন থেকেই। গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে সব জেলা ও মহানগরীতে সেমিনার হবে ১ থেকে ১৫ জুলাই। জাতীয় সংসদের সামনে জুলাই শহিদ পরিবারের পক্ষ থেকে মানববন্ধন এবং স্পিকারকে স্মারকলিপি দেওয়া হবে ৬ জুলাই।
৮ জুলাই রাজধানীতে জাতীয় সেমিনার, ২০ জুলাই নারীদের অংশগ্রহণে রাজধানীতে হবে আলোচনা সভা। এরপর ২৩ থেকে ২৫ জুলাই চিত্রপ্রদর্শনী, ৩১ জুলাই দেশের মসজিদ ও অন্যান্য উপাসনালয়ে দোয়া ও প্রার্থনা হবে। আগামী ৫ আগস্ট রাজধানীসহ দেশের সব উপজেলাতেও সমাবেশ করবে জামায়াত জোট।
রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে এসব কর্মসূচি তুলে ধরেন জোটের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান।
জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান বলেন, ঢাকাসহ সারা দেশে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতিবিজড়িত ঘটনাস্থলে স্মৃতিচারণামূলক সমাবেশ এবং সারা দেশে গ্রাফিতি অংকনের কর্মসূচি পালন করবে জোট। ৩৬ জুলাইয়ের কর্মসূচি বিভিন্ন তারিখে বাস্তবায়ন করা হবে।
১১ দলের লিয়াজোঁ কমিটি বৈঠক করে এসব তারিখ নির্ধারণ করবে। পাশাপাশি কয়েকটি মহানগরীতে পূর্বঘোষিত সমাবেশ পূর্বনির্ধারিত তারিখে হবে। পূর্বঘোাষিত ৪ জুলাইয়ের গণমিছিল ঢাকা বাদে সারা দেশে হবে।
সংবাদ সম্মেলনের আগে জোটের সমন্বয় কমিটির সদস্যরা বৈঠক করেন। সেই বৈঠকে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব আতাউল্লাহ আমীন, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বিল্লাল হোসেন মিয়াজী, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরানসহ অন্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

