× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ১৬, ২০২৬, ০৬:২২ এএম

সাবেক ডেপুটি গভর্নর এস কে সুরের মামলার রায় ২৮ জুলাই

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ১৬, ২০২৬, ০৬:২২ এএম

সাবেক ডেপুটি গভর্নর  এস কে সুরের  মামলার রায় ২৮ জুলাই

সম্পদ বিবরণী দাখিল না করার অভিযোগে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর সিতাংশু কুমার (এস কে) সুর চৌধুরীর বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় রায় ঘোষণার জন্য ২৮ জুলাই তারিখ ধার্য করেছেন আদালত। গতকাল বুধবার রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-২-এর বিচারক আয়েশা নাসরিন রায় এই তারিখ নির্ধারণ করেন। আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. দেওয়ান আশিক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

২০২৪ সালের ২৩ ডিসেম্বর এস কে সুরের বিরুদ্ধে দুদক মামলাটি করে। মামলায় ২০২৫ সালের ৪ আগস্ট আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে দুদক। ২০২৫ সালের ৬ নভেম্বর আদালত অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। এই মামলায় সাতজন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। মামলার নথি অনুযায়ী, আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে এস কে সুর চৌধুরী ও তার ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের সম্পদ বিবরণী ২১ কার্যদিবসের মধ্যে দাখিল করতে নোটিশ দিয়েছিল দুদক। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তিনি সম্পদের বিবরণী দাখিল করেননি।

২০২৫ সালের ১৪ জানুয়ারি রাজধানীর সেগুনবাগিচা এলাকা থেকে এস কে সুর চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করে দুদক। এর পর থেকে তিনি কারাগারে আছেন। এস কে সুর চৌধুরী ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নরের পদ থেকে অবসরে যান।

উল্লেখ্য, আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ১০ হাজার কোটি টাকা লুট করার নেপথ্যে প্রশান্ত কুমার হালদার ওরফে পি কে হালদারকে সহযোগিতায় নাম আসায়   ২০২২ সালে এস কে সুরের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। ওই বছরের মার্চে তাকে দুদকে তলব করা হয়। এস কে সুর চৌধুরী ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে ডেপুটি গভর্নরের পদ থেকে অবসরে যান। অভিযোগ আছে, এস কে সুর ডেপুটি গভর্নর থাকাকালে আলোচিত এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রশান্ত কুমার হালদারের (পি কে হালদার) ঋণ কেলেঙ্কারির ঘটনায় সহযোগিতা করেছেন এবং সুবিধা নিয়েছেন। আদালতেও পি কের মামলায় গ্রেপ্তর এক আসামির জবানবন্দিতে বিষয়টি উঠে আসে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!