শনিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৫

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: আগস্ট ১১, ২০২৫, ০৬:৫২ এএম

৫ বছরে সড়কে ঝরেছে ৩৭ হাজারের বেশি প্রাণ

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: আগস্ট ১১, ২০২৫, ০৬:৫২ এএম

৫ বছরে সড়কে ঝরেছে  ৩৭ হাজারের বেশি প্রাণ

২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের জুলাই পর্যন্ত দেশে ৩৪ হাজার ৮৯৪টি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ৩৭ হাজার ৩৮২ জন এবং আহত হয়েছেন আরও ৫৯ হাজার ৫৯৭ জন। বেসরকারি সংস্থা রোড সেফটি ফাউন্ডেশন সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছে।

সংস্থাটি বলছে, দেশের সড়ক পরিবহন খাতে এমন অব্যবস্থাপনা ও নৈরাজ্য সত্ত্বেও অন্তর্বর্তী সরকার সড়ক পরিবহনব্যবস্থা সংস্কারে কোনো কমিশন গঠন করেনি। গতকাল রোববার রাজধানীর ডিআরইউ মিলনায়তনে ‘সড়ক পরিবহন ব্যবস্থাপনা সংস্কারে রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের রূপরেখা: সরকারের কাছে প্রত্যাশা’ শীর্ষক এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে সড়ক ব্যবস্থাপনা সংস্কারে তিন স্তরের রূপরেখা উপস্থাপন করেন রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান সৈয়দ মো. জাহাঙ্গীর। স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি এসব রূপরেখা বাস্তবায়নে বিআরটিএ, বিআরটিসি এবং ডিটিসিএকে একটি কাউন্সিলের অধীন করারও প্রস্তাব দিয়েছে সংস্থাটি। সংস্থাটি বলছে, সড়কে নৈরাজ্যের নেপথ্যে আছে জনসংখ্যার উচ্চ ঘনত্ব, অপরিকল্পিত নগরায়ণ, দুর্বল ও অপ্রতুল সড়ক অবকাঠামো, সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির ঘাটতি এবং সড়ক ব্যবহারকারীদের অসচেতনতা। এমন বাস্তবতায় রোড সেফটি ফাউন্ডেশন স্বল্পমেয়াদি (২০২৫ থেকে ২০২৭), মধ্যমেয়াদি (২০২৫ থেকে ২০২৯) এবং দীর্ঘমেয়াদি (২০২৫ থেকে ২০৩১) রূপরেখা প্রস্তাব করেছে। 

স্বল্পমেয়াদি (২০২৫ থেকে ২০২৭) রূপরেখার মধ্যে আছে জাতীয় সড়ক নিরাপত্তা কাউন্সিল (এনআরএসসি) পুনর্গঠন, বিআরটিএ, বিআরটিসি এবং ডিটিসিএর শীর্ষপদে কারিগরি বিশেষজ্ঞ নিয়োগ, কাঠামোগত সংস্কার, ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষার প্রশ্ন সড়ক সম্পর্কিত হওয়া, যানবাহনের আয়ুষ্কাল ও ডাম্পিং নীতিমালা তৈরি, সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য গঠিত ট্রাস্ট ফান্ডে প্রতিবছর সাত কোটি টাকা বরাদ্দসহ ১০টি প্রস্তাবনা। 

মধ্যমেয়াদি (২০২৫ থেকে ২০২৯) রূপরেখায় আছে রোড ট্রাফিক সেফটি ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (আরটিএমএস) চালুসহ আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার, মেয়াদোত্তীর্ণ যানবাহন প্রত্যাহার, রুট রেশনালাইজেশনের মাধ্যমে কোম্পানিভিত্তিক আধুনিক বাস সার্ভিস চালু, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব বাস ও মোটরসাইকেলের গতি নিয়ন্ত্রণ। 

দীর্ঘমেয়াদি (২০২৫ থেকে ২০৩১) রূপরেখার মধ্যে আছে রাজধানীতে বহুতলবিশিষ্ট হাইড্রোলিক পার্কিং তৈরি, ছোট যানবাহন নিয়ন্ত্রণ, দুর্ঘটনা রোধে সড়ক, রেল ও নৌপরিবহন একত্র করে অভিন্ন যোগাযোগ মন্ত্রণালয় গঠনের প্রস্তাব।
সংস্থাটির ভাইস চেয়ারম্যান সৈয়দ মো. জাহাঙ্গীর বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার যদি কোনো কমিশন গঠন করে এবং এই কাজগুলো শুরু করে, তাহলে পরবর্তী সরকার ক্ষমতায় এলে কাজগুলো চলমান রাখতে বাধ্য হবে। অন্যথায় সড়কের নৈরাজ্য বন্ধ হবে না।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!