× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রংপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মে ৮, ২০২৬, ০৫:৫১ এএম

আত্মগোপনে থাকা ‘জর্দা শামীম’ মদসহ রংপুরে গ্রেপ্তার

রংপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মে ৮, ২০২৬, ০৫:৫১ এএম

আত্মগোপনে থাকা  ‘জর্দা শামীম’ মদসহ  রংপুরে গ্রেপ্তার

ঝালকাঠির আলোচিত ব্যবসায়ী শামীম আহমেদ ওরফে জর্দা শামীম ও তার সঙ্গে থাকা অপর আসামি আরিফ হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে ছয় বোতল বিদেশি মদ জব্দ করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রংপুর জেলা পুলিশ সুপার মোজাম্মেল হক। এর আগে, বুধবার রাতে রংপুর সদর উপজেলার একটি গ্রাম থেকে তাদের দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত শামীম আহমেদ (৫৫) ও আরিফ হোসেন (৪৫) ঝালকাঠি পৌর শহরের পূর্বকাঠপট্টি এলাকার মৃত শাহাবুদ্দিন মিয়ার ছেলে। তারা ঝালকাঠি জেলার স্থায়ী বাসিন্দা হলেও ব্যবসা ও রাজনৈতিক কারণে রাজধানী ঢাকার উত্তরা এবং কলাবাগানে বসবাস করতেন। শামীম আহমেদ উত্তর ঢাকা মহানগর শ্রমিক লীগের সহসভাপতি। ২০২৩ সালে তিনি ঝালকাঠি জেলার সর্বোচ্চ ভ্যাটদাতা হয়েছিলেন।

রংপুর জেলা পুলিশের মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বুধবার রাতে সদর উপজেলার হরিদেবপুর ইউনিয়নের গোকুলপুর চওড়াপাড়ার জলঢাকা সড়ক-সংলগ্ন শাহী জর্দা কোম্পানি লিমিটেডের অফিসে অভিযান পরিচালনা করে গোয়েন্দা পুলিশ। এ সময় অফিস-সংলগ্ন শয়নকক্ষ থেকে ছয় বোতল বিদেশি মদসহ শামীম আহমেদ ওরুফে জর্দা শামীম ও আরিফ হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

জেলা পুলিশ সুপার মোজাম্মেল হক জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য আইনে মামলা করা হয়েছে। এ ছাড়াও শামীম আহমেদের বিরুদ্ধে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে ঢাকার উত্তরা পূর্ব থানা ও রামপুরা থানায় একাধিক অভিযোগে মামলা রয়েছে। তিনি একজন এজাহারভুক্ত পলাতক আসামি। অভিযুক্ত অপর আসামি আরিফ হোসেনের বিরুদ্ধে ঝালকাঠি সদর থানায় মামলা রয়েছে।

এদিকে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঝালকাঠির শামীম আহমেদ এলাকায় ‘জর্দা শামীম’ হিসেবেই বেশি পরিচিত। মূলত তিনি একজন ব্যবসায়ী হলেও তার কর্মকা- এবং জীবনযাপন নিয়ে অনেক আলোচনা ও বিতর্ক রয়েছে। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে প্রভাবশালী নেতাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা এবং তাদের ছত্রছায়ায় এলাকায় নিজের প্রভাব বিস্তার ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকা-ে তার ইন্ধন ছিল।

এলাকায় জমি দখল, টর্চার সেলে নারী-পুরুষদের আটকে রেখে শারীরিক নির্যাতন এবং ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা আদায়সহ সিন্ডিকেট গড়ে তোলার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। নিজেকে গরিবের সুলতান দাবি করা শামীম আহমেদ সাবেক সংসদ সদস্য আমির হোসেন আমুর ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত।

শামীম আহমেদ ও তার সহযোগীরা এক অসহায় কর্মচারীকে হাত-পা বেঁধে নির্যাতন করেন। সেই নৃশংস ঘটনার সঙ্গে তিনি জড়িত ছিলেন। ওই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে তাকে ঘিরে সমালোচনার ঝড় ওঠে। এ ছাড়া চাঁদা আদায়কে কেন্দ্র করে তার বিরুদ্ধে নিজ ভাইদের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, গাড়ি ও অফিসে হামলা এবং আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে গুলি চালানোর মতো ঘটনার জন্ম দিয়ে বিতর্কিত হয়েছেন শামীম আহমেদ।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!