× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

হাসান মাহমুদ

প্রকাশিত: মে ১৭, ২০২৬, ০২:০৪ এএম

জলবায়ুর রোষে উপকূলবাসী

হাসান মাহমুদ

প্রকাশিত: মে ১৭, ২০২৬, ০২:০৪ এএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ গ্রাফিক্স

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ গ্রাফিক্স

দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলের লোনা পানি এখন শুধু কৃষির শত্রু নয়, তা হয়ে দাঁড়িয়েছে মানুষের শরীরের অভ্যন্তরীণ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের প্রধান ঘাতক। সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট জেলার বিস্তীর্ণ জনপদে এক নতুন এবং রহস্যময় জনস্বাস্থ্য সংকট ঘনীভূত হচ্ছে।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বাড়ছে অসহনীয় তাপ আর লোনা পানির তীব্রতা। এই দুইয়ের সম্মিলিত প্রভাবে উপকূলীয় নারীদের কিডনি বিকল হওয়ার হার উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। আন্তর্জাতিক গবেষকদল এটিকে ‘অদৃশ্য ঘাম’ বা ‘ইনসেনসিবল ওয়াটার লস’-এর এক নীরব আক্রমণ বলে অবহিত করছেন।

কী সেই রহস্যময় রোগ : সাধারণত চিকিৎসাবিজ্ঞানে কিডনি বিকল হওয়ার প্রধান দুটি কারণ হিসেবে ধরা হয় উচ্চ রক্তচাপ এবং দীর্ঘমেয়াদি ডায়াবেটিস। কিন্তু উপকূলীয় জনপদে এমন হাজার হাজার রোগী পাওয়া যাচ্ছে, যাদের এই দুটির একটিও নেই, অথচ তাদের কিডনি দ্রুত অকেজো হয়ে পড়ছে। বিজ্ঞানীরা এই রোগকে চিহ্নিত করেছেন সিকেডিইউ (ক্রনিক কিডনি ডিজিজ অব আননোন ইটিওলজি) বা ‘অজানা কারণে দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগ’ হিসেবে। দেশি বিশেষজ্ঞরা এটাকে ‘এনভায়রনমেন্টাল নেফ্রোপ্যাথি’ নামে অবহিত করেছেন। এটি মূলত পরিবেশগত এবং পেশাগত কারণে হওয়া একটি শরীরতাত্ত্বিক বিপর্যয়, যা জলবায়ু পরিবর্তনের এক নিষ্ঠুর বহিঃপ্রকাশ। উপকূলের ৯১.৮২ শতাংশ নারী মনে করেন, তারা লবণাক্ততাজনিত শারীরিক পরিবর্তন ও ত্বকের রোগে ভুগছেন।

গবেষণার বিষয়বস্তু : উপকূলের এই নীরব মহামারি উন্মোচনে এগিয়ে এসেছে আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য গবেষক কনসোর্টিয়াম এবং যুক্তরাষ্ট্রের স্বনামধন্য ইয়েল ইউনিভার্সিটি। ‘এনভায়রনমেন্টাল অ্যান্ড অকুপেশনাল হিট স্ট্রেস অ্যান্ড কিডনি ডিজিজ ইন কোস্টাল বাংলাদেশ’ এই শিরোনামে গবেষণার নেতৃত্ব দিয়েছেন বিশ্ববিখ্যাত জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, আন্তর্জাতিক অলাভজনক পেশাগত স্বাস্থ্য ও গবেষণা সংস্থা ‘লা ইসলা নেটওয়ার্ক’-এর প্রতিষ্ঠাতা ড. জেসন গ্লেজার।

গবেষণার আওতা : গবেষকদল সরাসরি সাতক্ষীরা ও বাগেরহাটের উপকূলীয় এলাকার ৫ হাজার নারীর ওপর দীর্ঘমেয়াদি পর্যবেক্ষণ চালিয়েছেন। গবেষণার জন্য পর্যবেক্ষণমূলক প্রকল্পের আওতায় ২০২১ সালের শেষ দিকে শুরু হয়ে ২০২৫ সাল পর্যন্ত গবেষকদল নির্দিষ্ট সময় অন্তর অন্তর নারীদের নমুনা সংগ্রহ ও শারীরিক পরীক্ষা করেছেন। একই সঙ্গে ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের কৃষি শ্রমিকদের শারীরিক অবস্থাও এই গবেষণার নমুনায় অন্তর্ভুক্ত ছিল। গবেষণাটি সম্প্রতি বৈজ্ঞানিক জার্নাল ‘সায়েন্স অব দ্য টোটাল এনভায়রনমেন্ট’ ও ‘দ্য ল্যানসেট প্ল্যানেটরি হেলথ’-এর মতো আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত  জার্নালগুলোতে প্রকাশিত হয়েছে।

গবেষণার তথ্য বিশ্লেষণ : গবেষণার সবচেয়ে চমকপ্রদ এবং ভীতিজাগানিয়া অংশ হলো ‘ইনসেনসিবল ওয়াটার লস’ (আইডব্লিউএল) বা অদৃশ্য ঘামের তথ্য। গবেষরা বলছেন, সাধারণ অবস্থায় ঘামলে ত্বক ভিজে যায় এবং মানুষ বুঝতে পারে যে তার শরীর থেকে পানি বের হচ্ছে। কিন্তু উপকূলীয় নারীরা যখন ছোট, বদ্ধ এবং আর্দ্রঘরে দীর্ঘক্ষণ কাজ করেন, তখন এক বিশেষ পরিস্থিতি তৈরি হয়। উচ্চ আর্দ্রতার কারণে ত্বক ভেজার আগেই শরীরের পানি বাষ্প আকারে সরাসরি বাতাসে মিশে যায়। একেই বলা হয় ‘অদৃশ্য ঘাম’।

ড. জেসন গ্লেজার গবেষণায় দেখিয়েছেন, এই প্রক্রিয়ায় একজন নারী টের পাওয়ার আগেই তার শরীর মারাত্মক পানিশূন্য হয়ে পড়ে। গবেষকরা এখানে ডব্লিউবিজিটি (ওয়েট-বাল্ব গ্লোব টেম্পারেচার) সূচক ব্যবহার করেছেন, যেখানে দেখা গেছে, উপকূলীয় রান্নাঘর বা বদ্ধঘরের তাপমাত্রা ও আর্দ্রতার মিলিত মান প্রায়ই মানুষের সহ্যক্ষমতার সীমা ছাড়িয়ে যায়। শরীরকে ঠা-া রাখতে গিয়ে রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়া চামড়ার দিকে বেশি ধাবিত হয়, ফলে কিডনির মতো গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গে রক্ত সরবরাহ কমে যায়, যা ধীরে ধীরে অঙ্গটিকে অকেজো করে দেয়। 

ইয়েল ইউনিভার্সিটি ও লা ইসলা নেটওয়ার্কের এই দীর্ঘমেয়াদি গবেষণায় উপকূলীয় নারীদের কিডনি বিকল হওয়ার এক ভয়ংকর শরীরতাত্ত্বিক সমীকরণ উন্মোচিত হয়েছে।

তাপ ও আর্দ্রতার গাণিতিক সম্পর্ক :  গবেষণায় শুধু সাধারণ তাপমাত্রা দেখা হয়নি, বরং দেখা হয়েছে ‘ওয়েট-বাল্ব গ্লোব টেম্পারেচার’ বা বাতাসের আর্দ্রতা ও তাপের মিলিত সূচক। গবেষণায় দেখা গেছে, উপকূলীয় রান্নাঘর বা বদ্ধঘরের ডব্লিউবিজিটি মান প্রায়ই মানুষের সহ্যক্ষমতার সীমা ছাড়িয়ে যায়। গবেষক ড. জেসন গ্লেজারের মতে, উচ্চ আর্দ্রতার কারণে শরীর ঘামানোর মাধ্যমে নিজেকে ঠা-া করার প্রাকৃতিক ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে, যা কিডনিকে সরাসরি ‘হিট স্ট্রেস’-এর দিকে ঠেলে দেয়। 

রক্তের ক্রিয়েটিনিন ও ইউরিক অ্যাসিডের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি :  তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ৫ হাজার নারীর নমুনার মধ্যে একটি বড় অংশের রক্তে ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি ছিল, যা কিডনি ড্যামেজের প্রাথমিক লক্ষণ। এ ছাড়া অতিরিক্ত লোনা পানি পান এবং পানিশূন্যতার কারণে তাদের রক্তে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে। এই উচ্চ ইউরিক অ্যাসিড কিডনির টিস্যুতে প্রদাহ সৃষ্টি করে একে ক্রনিক রোগে রূপান্তর করছে। 

গর্ভকালীন উচ্চ রক্তচাপ ও প্রিক্ল্যাম্পসিয়া : উপকূলে কিডনি রোগের একটি অদৃশ্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হলো গর্ভবতী নারীদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি। গবেষণার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, যেসব নারী লোনা পানি পান করছেন এবং এই ‘অদৃশ্য ঘাম’-এর শিকার হচ্ছেন, তাদের গর্ভকালীন সময়ে উচ্চ রক্তচাপ বা প্রিক্ল্যাম্পসিয়ার ঝুঁকি অন্যদের তুলনায় অনেক বেশি। এটি শুধু মায়ের কিডনি নয়, গর্ভস্থ শিশুর স্বাস্থ্যের ওপরও দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। 

লোনা পানি যখন বিষ : অদৃশ্য ঘামের কারণে শরীর যখন শুকিয়ে কাঠ হয়ে যায়, তখন তৃষ্ণার্ত মানুষ বাধ্য হয়ে হাতের কাছে থাকা লোনা পানি পান করে। উপকূলীয় এই লোনা পানিতে সোডিয়ামের মাত্রা অত্যন্ত বেশি। গবেষকরা তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখেছেন, পানিশূন্য শরীরের রক্ত এমনিতেই ঘন থাকে, তার ওপর লোনা পানির সোডিয়াম সেই রক্তকে আরও ঘনীভূত করে। 

রক্ত পরীক্ষায় দেখা গেছে, আক্রান্ত নারীদের রক্তে ক্রিয়েটিনিন এবং ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা অস্বাভাবিক বেশি। এই বাড়তি সোডিয়াম ও অ্যাসিড ফিল্টার করতে গিয়ে কিডনির ক্ষুদ্র নেফ্রন বা ছাঁকনিগুলো স্থায়ীভাবে জখম হয়। একে গবেষকরা ‘হিট-স্ট্রেস নেফ্রোপ্যাথি’ বলে অভিহিত করেছেন। 

সামাজিক ও লিঙ্গভিত্তিক প্রভাব : গবেষণায় অংশ নেওয়া ৫ হাজার নমুনার মধ্যে নারীদের বিপন্নতা সবচেয়ে বেশি ধরা পড়েছে। এর কারণগুলো শুধু জৈবিক নয়, বরং সামাজিক ও পেশাগত।

বদ্ধকাজের পরিবেশ : নারীরা অধিকাংশ সময় রান্নাঘর বা ছোট ঝুপড়ি ঘরে কাজ করেন, যেখানে ভেন্টিলেশন বা বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা কম থাকে। পেশাগত বৈষম্য : উপকূলীয় কৃষি শ্রমিক এবং গৃহিণীরা, যারা আগুনের পাশে বা খোলা রোদে দীর্ঘ সময় কাজ করেন, তাদের বিরতি নেওয়ার কোনো প্রাতিষ্ঠানিক অধিকার নেই। এই বিশ্রামহীন পরিশ্রমই মূলত তাদের শরীর থেকে পানি নিঃশেষ করে দিচ্ছে।

সীমিত সুপেয় পানি : পরিবারের পুরুষরা বাইরে গিয়ে সুপেয় পানি পানের সুযোগ পেলেও নারীরা ঘরের ভেতরের সংরক্ষিত লোনা পানির ওপরই বেশি নির্ভরশীল। 

অসুস্থতার এই চক্রটি শুধু হাসপাতালেই শেষ হয় না, এটি নারীর সামাজিক মর্যাদাকেও ধূলিসাৎ করছে। লোনা পানির প্রভাবে চামড়ায় অকালবার্ধক্য এবং অসুস্থতার কারণে ৯১.৮২ শতাংশ উপকূলীয় মেয়ে মনে করে তারা ‘নিরাপত্তাহীনতা’র শিকার। এই ভয় থেকে অভিভাবকরা দ্রুত মেয়েদের বিয়ে দিয়ে দিচ্ছেন, যা এলাকায় বাল্যবিবাহ এবং যৌতুকের হারকেও বাড়িয়ে দিচ্ছে। 

গবেষণায় অংশ নেওয়া সাতক্ষীরার শ্যামনগর ও বাগেরহাটের মোংলা এলাকার আক্রান্ত নারীদের বেশ কয়েকজন জানান, তারা দীর্ঘক্ষণ রোদে কাজ করার পর প্রচ- ক্লান্তি বোধ করেন, কিন্তু শরীরে কোনো ঘাম দেখেন না। অনেক ক্ষেত্রে কোমরের পেছনে তীব্র ব্যথা এবং প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া হওয়ার পরও তারা একে সাধারণ সমস্যা মনে করে এড়িয়ে গেছেন। পরবর্তীতে পরীক্ষায় ধরা পড়েছে, তাদের কিডনি দ্বিতীয় বা তৃতীয় পর্যায়ে বিকল হয়ে গেছে। 

শ্যামনগরের গাবুরা এলাকার আসমা বেগম (৩৫) (ছদ্মনাম) জানান, সারা দিন রোদে কাজ করি, কিন্তু শরীর ভেজে না। মনে হয়, ভেতরটা শুকিয়ে কাঠ হয়ে যাচ্ছে। প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া আর কোমর ব্যথায় সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারি না।

একই অভিজ্ঞতার কথা জানালেন মোংলার চিলা এলাকার রহিমা খাতুন (৪০) (ছদ্মনাম)। তিনি বলেন, প্রথমে ভেবেছিলাম বয়স বাড়ছে, তাই শরীর দুর্বল লাগে। কিন্তু যখন রক্ত পরীক্ষা করালাম, ডাক্তার বললেন কিডনিতে সমস্যা। অথচ আমার কখনো ডায়াবেটিস বা প্রেশার ছিল না।

গবেষকদের বক্তব্য : ইয়েল স্কুল অব মেডিসিনের অধ্যাপক এবং এই গবেষণার সহ-গবেষক ড. এরিক জে. ভেলকোভিচ বলেন, আমাদের গবেষণায় দেখা গেছে, উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষেরা এমন এক প্রতিকূল পরিবেশের সম্মুখীন হচ্ছে, যেখানে সাধারণ তাপমাত্রা পরিমাপক যন্ত্র দিয়ে ঝুঁকির মাত্রা বোঝা সম্ভব নয়। লোনা পানি এবং উচ্চ আর্দ্রতা মিলে কিডনির ওপর যে চাপ তৈরি করছে, তা দ্রুত প্রতিরোধ করা না গেলে এটি জনস্বাস্থ্যের জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদি বিপর্যয় হয়ে দাঁড়াবে।

জানতে চাইলে কিডনি বিশেষজ্ঞ এবং কিডনি ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক ডা. হারুন আর রশিদ বলেন, উপকূলীয় অঞ্চলে লবণাক্ত পানির প্রভাব এবং উচ্চ তাপমাত্রার কারণে কিডনি বিকল হওয়ার ঝুঁকি আমরা দীর্ঘদিন ধরেই লক্ষ্য করছি। একে বলা হয় ‘এনভায়রনমেন্টাল নেফ্রোপ্যাথি’। যখন শরীর থেকে অতিরিক্ত পানি বেরিয়ে যায় এবং মানুষ বিকল্প হিসেবে লোনা পানি পান করে, তখন কিডনির ছাঁকনিগুলো স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় উপকূলীয় এলাকায় সুপেয় পানি নিশ্চিত করা এবং দ্রুত রোগ শনাক্তকরণব্যবস্থা গড়ে তোলা এখন সময়ের দাবি।

গবেষকদের সুপারিশ : ড. জেসন গ্লেজার এবং তার গবেষকদল এই ভয়াবহ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে কয়েকটি জরুরি সুপারিশ করেছেন। সেগুলো হলো, লোনা পানি পরিহার করে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ এবং লবণাক্ততা দূরীকরণ প্লান্ট স্থাপন করা। ঘরবাড়ি নির্মাণের ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত ভেন্টিলেশন-ব্যবস্থা নিশ্চিত করা, যাতে ঘরের ভেতরের তাপমাত্রা বাইরের তুলনায় কম থাকে। কর্মঘণ্টার মধ্যে নির্দিষ্ট বিরতি নেওয়া এবং তৃষ্ণা না পেলেও নির্দিষ্ট সময় পর পর বিশুদ্ধ পানি পানের অভ্যাস গড়ে তোলা। উপকূলীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে কিডনি ফাংশন টেস্ট এবং রক্তে ক্রিয়েটিনিন পরীক্ষার সহজ ব্যবস্থা করা, যাতে দ্রুত রোগ শনাক্ত করা যায়। 

 

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!